সংবাদদাতা, তেহট্ট: পেঁয়াজ, রসুন, ধনে ও অন্যান্য সব্জির পাশাপাশি তুলনামূলক কম খরচে অধিক লাভ ভুট্টা চাষে। তাই বর্তমানে ভুট্টা চাষের প্রতি আগ্রহ বাড়ছে তেহট্ট-১ ব্লকের চাষিদের। স্থানীয় চাষিরা জানান, পেঁয়াজ ও রসুন চাষ করতে প্রচুর খরচ। বাজারে ভালো দাম থাকলে চাষিদের মুখে হাসি ফোটে। দাম না পাওয়া গেলে মহাজনের ঋণ শোধ করতে ভিনরাজ্যে পরিযায়ী শ্রমিকের কাজে যেতে হয়।
Advertisement
এলাকার চাষিদের কথায়, কয়েক বছর ধরে পাট চাষ করতে অনেকটাই খরচ হচ্ছে। সঙ্গে রয়েছে পাট চাষির বিরামহীন খাটুনি। পাট বিক্রি করে খরচের টাকাই উঠছে না। মহাজনের টাকা শোধ করতে না পেরে, ভাগচাষিরা পাটের পরিবর্তে বিকল্প চাষের দিকে ঝুঁকছে। তাই তুলনায় অনেক কম খরচ এবং অধিক লাভ ভুট্টা চাষের প্রতি আগ্রহ বাড়ছে চাষিদের।
চাষি রঞ্জিত বিশ্বাস, সুজয় ঘোষরা জানান, এক বিঘা জমিতে পাট চাষ করে, শুকিয়ে ঘরে তোলা পর্যন্ত কমবেশি কুড়ি হাজার টাকা খরচ হয়। কিন্তু এক বিঘা জমিতে ভুট্টা চাষ করতে পাঁচ হাজার টাকা খরচ করলেই হবে। ভুট্টার জমিতে কয়েকদিন ধরে বৃষ্টির জল জমে থাকলেও ক্ষতির সম্ভাবনা খুবই কম। অন্য চাষের জন্য বাড়তি পয়সা দিয়ে শ্রমিক নিতে খরচ অনেকটাই বেড়ে যায়। তাই এলাকার অনেক চাষি গত বছর থেকে ভুট্টার চাষ শুরু করেছে। ভালো জাতের বীজ রোপন করলে ১৫-২০ কুইন্ট্যাল ভুট্টা ফলতে পারে। গড়ে দুই হাজার টাকা প্রতি কুইন্ট্যাল বিক্রি করলে খরচ বাদ দিয়ে বেশ কিছু টাকা ঘরে ঢুকছে।
চাষি রঞ্জিত বিশ্বাস, সুজয় ঘোষরা জানান, এক বিঘা জমিতে পাট চাষ করে, শুকিয়ে ঘরে তোলা পর্যন্ত কমবেশি কুড়ি হাজার টাকা খরচ হয়। কিন্তু এক বিঘা জমিতে ভুট্টা চাষ করতে পাঁচ হাজার টাকা খরচ করলেই হবে। ভুট্টার জমিতে কয়েকদিন ধরে বৃষ্টির জল জমে থাকলেও ক্ষতির সম্ভাবনা খুবই কম। অন্য চাষের জন্য বাড়তি পয়সা দিয়ে শ্রমিক নিতে খরচ অনেকটাই বেড়ে যায়। তাই এলাকার অনেক চাষি গত বছর থেকে ভুট্টার চাষ শুরু করেছে। ভালো জাতের বীজ রোপন করলে ১৫-২০ কুইন্ট্যাল ভুট্টা ফলতে পারে। গড়ে দুই হাজার টাকা প্রতি কুইন্ট্যাল বিক্রি করলে খরচ বাদ দিয়ে বেশ কিছু টাকা ঘরে ঢুকছে।



