সংবাদদাতা, চোপড়া: শেষ ফ্ল্যাশের পাতা তুলে সর্বনাশা দশা চোপড়ার ক্ষুদ্র চা চাষিদের। তড়িঘড়ি কাঁচা চা পাতা তুলে লোকসানের মুখে পড়েছেন তাঁরা। কাঁচা পাতা তোলার শেষদিন ছিল শনিবার, ৩০ নভেম্বর। এতেই ক্ষুব্ধ চা চাষিরা। তাঁদের বক্তব্য, আরও সাতদিন সময় পেলে সমস্যায় পড়তে হত না। তাড়াহুড়ো করে পাতা তুলে বিক্রি করতে গিয়ে দাম মিলছে না। অন্যদিকে, শ্রমিকের সমস্যা। মোটের উপর এবার সঙ্কটেই কাটল গোটা বছর।
Advertisement
চাষিরা জানাচ্ছেন, অত্যধিক সরবরাহের কারণে অসংখ্য ফ্যাক্টরি কাঁচা চা পাতা নিতে অস্বীকার করেছে। মাত্র ৭ থেকে ১০ টাকা কেজি দরে পাতা বিক্রি করতে বাধ্য হয়েছেন চাষিরা। শেষ ফ্ল্যাশের পাতা নিয়ে এরকম ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হবে, তা কল্পনা করতে পারেননি বলে ক্ষুদ্র চা চাষিদের দাবি।
টি বোর্ডের নির্দেশিকা অনুসারে ৩০ নভেম্বর উৎপাদনের মরশুম শেষ হল। এই সময়সীমা বাড়ানোর জন্য একাধিকবার বোর্ডকে আবেদন জানিয়েছিলেন চা চাষিরা। এব্যাপারে আক্ষেপ করে চোপড়া স্মল টি প্ল্যান্টার্স ওয়েলফেয়ার সোসাইটির সম্পাদক পার্থ ভৌমিক বলেন, আগেভাগে মরশুম শেষ করে দিয়ে কী লাভ! মাঝখান থেকে বটলিফ ফ্যাক্টরিগুলি মুনাফা করে নিল।
একই সুরে সোনাপুরের চা চাষি গোপাল সরকার জানিয়েছেন, এই মরশুমে কাঁচা চা পাতা নিয়ে সবচেয়ে কঠিন পরিস্থিতির মুখে পড়তে হয়েছে। জলের দরে পাতা বিক্রি করতে বাধ্য হয়েছেন চাষিরা। দাসপাড়ার চা চাষি জরিফুল ইসলামের কথায়, পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে চা ফ্যাক্টরিগুলি পাতার দাম কমিয়েছে।
চায়ের বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃত্ব জানিয়েছে, চলতি বছরে আবহাওয়ার খামখেয়ালিপনায় চায়ের উৎপাদন কমেছে। পাতা তোলার সময় কমে আসায় উৎপাদন আরও কমবে। ফলে, আগামী মরশুমে ছোট এবং মাঝারি একাধিক চা বাগান বন্ধের আশঙ্কাও তৈরি হয়েছে।
যদিও চা পর্ষদের আধিকারিকদের দাবি, দেশের চায়ের বাজারে চাহিদা এবং জোগানের সামঞ্জস্য রাখতে এই সিদ্ধান্ত হয়েছে। চায়ের গুণগত মানও বাড়বে। পর্ষদ সূত্রে দাবি, এ বছর পাতা তোলা যে নভেম্বরেই বন্ধ হবে, সে কথা গত আগস্টে ঘোষণা হয়েছিল। কাজেই সকলে অনেকটা সময় পেয়েছেন।
টি বোর্ডের নির্দেশিকা অনুসারে ৩০ নভেম্বর উৎপাদনের মরশুম শেষ হল। এই সময়সীমা বাড়ানোর জন্য একাধিকবার বোর্ডকে আবেদন জানিয়েছিলেন চা চাষিরা। এব্যাপারে আক্ষেপ করে চোপড়া স্মল টি প্ল্যান্টার্স ওয়েলফেয়ার সোসাইটির সম্পাদক পার্থ ভৌমিক বলেন, আগেভাগে মরশুম শেষ করে দিয়ে কী লাভ! মাঝখান থেকে বটলিফ ফ্যাক্টরিগুলি মুনাফা করে নিল।
একই সুরে সোনাপুরের চা চাষি গোপাল সরকার জানিয়েছেন, এই মরশুমে কাঁচা চা পাতা নিয়ে সবচেয়ে কঠিন পরিস্থিতির মুখে পড়তে হয়েছে। জলের দরে পাতা বিক্রি করতে বাধ্য হয়েছেন চাষিরা। দাসপাড়ার চা চাষি জরিফুল ইসলামের কথায়, পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে চা ফ্যাক্টরিগুলি পাতার দাম কমিয়েছে।
চায়ের বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃত্ব জানিয়েছে, চলতি বছরে আবহাওয়ার খামখেয়ালিপনায় চায়ের উৎপাদন কমেছে। পাতা তোলার সময় কমে আসায় উৎপাদন আরও কমবে। ফলে, আগামী মরশুমে ছোট এবং মাঝারি একাধিক চা বাগান বন্ধের আশঙ্কাও তৈরি হয়েছে।
যদিও চা পর্ষদের আধিকারিকদের দাবি, দেশের চায়ের বাজারে চাহিদা এবং জোগানের সামঞ্জস্য রাখতে এই সিদ্ধান্ত হয়েছে। চায়ের গুণগত মানও বাড়বে। পর্ষদ সূত্রে দাবি, এ বছর পাতা তোলা যে নভেম্বরেই বন্ধ হবে, সে কথা গত আগস্টে ঘোষণা হয়েছিল। কাজেই সকলে অনেকটা সময় পেয়েছেন।



