নিজস্ব প্রতিনিধি, আসানসোল: মহাকুম্ভ যাওয়ার পথে ফের ভয়ঙ্কর পথদুর্ঘটনা জখম হলেন ১৫ জন। মঙ্গলবার সকালে কুলটি থানার ডুবুরডিহি চেকপোস্টের কাছে রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা লরির পিছনে ধাক্কা মারে কুম্ভগামী একটি বাস। দুর্ঘটনায় জখম ১৫ জনকে আসানসোল জেলা হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য আনা হয়। ১৩ জনকে প্রাথমিক চিকিৎসার পর ছেড়ে দেওয়া হয়। দু’জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এর আগে গত বুধবার রাতেই কুলটিতে জাতীয় সড়কে কুম্ভগামী গাড়ি দুর্ঘটনায় দু’জন প্রাণ হারিয়েছেন। যাত্রীদের অভিযোগ, বাসচালক মদ্যপ অবস্থায় ছিলেন। প্রথমে রানিগঞ্জে একটি স্কুল বাসকে ধাক্কা দিতে দিতে কোন রকমে রক্ষা পায়। মাঝে একাধিকবার রাস্তার ডিভাইডারে ধাক্কা মারে। তারপর এই ঘটনা ঘটে। প্রশ্ন উঠছে, একজন মদ্যপ অবস্থায় বাস চালালেও তা কেন পুলিসের নজরে পড়ল না।
Advertisement
কুলটি, ঝাড়খণ্ড অথবা গুজরাত বার বার দেখা যাচ্ছে জাতীয় সড়কে লরি, ডাম্পার, ট্রেলারের পিছনে ধাক্কা মারছে যাত্রীবাহী গাড়িগুলি। জাতীয় সড়কের নিরাপত্তা ও নজরদারির অভাবেই কি অকালে প্রাণ যাচ্ছে?
ডিসি(ট্রাফিক) ভিজি সতীশ পশুমূর্তি বলেন, বাস দুর্ঘটনায় চালকের বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। রাতে ও ভোরের দিকে জাতীয় সড়কের পাশে পণ্যবাহী গাড়ি দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যাচ্ছে। পানাগড়ে রেষারেষির ঘটনার সময় আমাদের নাইট পেট্রলিং গাড়ি বাঁশকোপা টোল প্লাজার কাছে ছিল। পর পর ঘটনার জেরে আমরা স্থানীয় পুলিসকে সঙ্গে নিয়ে নাইট পেট্রলিং বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দুর্ঘটনাগ্রস্ত বাসটি পূর্ব মেদিনীপুরের এগরা থেকে প্রয়াগরাজের উদ্দেশে রওনা দেয়। বাসের যাত্রীদের অভিযোগ, আয়োজকদের গাফিলতিতে সোমবার দুপুরের পরিবর্তে বাসটি ছেড়েছিল রাত ১১ টার পর। বাসযাত্রী সঞ্জয় রায় বলেন, প্রথমে বুঝেছিলাম, চালক মদ্যপ অবস্থায় রয়েছে। কিন্তু, অত রাতে আমাদের কিছু করার ছিল না। বাঁকুড়া সহ বিভিন্ন জায়গা থেকে যাত্রীদের তুলে বাসটি যখন রানিগঞ্জের কাছে আসে তখন একটি স্কুল বাসের সঙ্গে ধাক্কা লাগার উপক্রম হয়। দুর্ঘটনায় জখম শুভদীপ শতপতি বলেন, চালকের এমন অবস্থা দেখে আমরা তাকে বাস থেকে নামানোর জন্য উদ্যোগ নিয়েছিলাম। ঠিক তখনই দুর্ঘটনা ঘটে।
ডিসি(ট্রাফিক) ভিজি সতীশ পশুমূর্তি বলেন, বাস দুর্ঘটনায় চালকের বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। রাতে ও ভোরের দিকে জাতীয় সড়কের পাশে পণ্যবাহী গাড়ি দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যাচ্ছে। পানাগড়ে রেষারেষির ঘটনার সময় আমাদের নাইট পেট্রলিং গাড়ি বাঁশকোপা টোল প্লাজার কাছে ছিল। পর পর ঘটনার জেরে আমরা স্থানীয় পুলিসকে সঙ্গে নিয়ে নাইট পেট্রলিং বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দুর্ঘটনাগ্রস্ত বাসটি পূর্ব মেদিনীপুরের এগরা থেকে প্রয়াগরাজের উদ্দেশে রওনা দেয়। বাসের যাত্রীদের অভিযোগ, আয়োজকদের গাফিলতিতে সোমবার দুপুরের পরিবর্তে বাসটি ছেড়েছিল রাত ১১ টার পর। বাসযাত্রী সঞ্জয় রায় বলেন, প্রথমে বুঝেছিলাম, চালক মদ্যপ অবস্থায় রয়েছে। কিন্তু, অত রাতে আমাদের কিছু করার ছিল না। বাঁকুড়া সহ বিভিন্ন জায়গা থেকে যাত্রীদের তুলে বাসটি যখন রানিগঞ্জের কাছে আসে তখন একটি স্কুল বাসের সঙ্গে ধাক্কা লাগার উপক্রম হয়। দুর্ঘটনায় জখম শুভদীপ শতপতি বলেন, চালকের এমন অবস্থা দেখে আমরা তাকে বাস থেকে নামানোর জন্য উদ্যোগ নিয়েছিলাম। ঠিক তখনই দুর্ঘটনা ঘটে।



