সংবাদদাতা, ডোমকল: আগ্নেয়াস্ত্র পাচারের অভিযোগে কুলটিতে এসটিএফের হাতে ডোমকলের দুই কারবারি গ্রেপ্তার হয়েছে। তাদের মধ্যে সফিকুল ইসলামের রাজনৈতিক পরিচয় প্রকাশ্যে আসতেই শোরগোল পড়েছে। ধৃত সফিকুল ডোমকল পুরসভার ঠিকাকর্মী এবং ডোমকলের বিধায়ক জাফিকুল ইসলামের ঘনিষ্ঠ বলে অভিযোগ তুলেছে বিরোধীরা। বিধায়কের সঙ্গে বিভিন্ন ছবি তুলে তারা সোশ্যাল মিডিয়ায় সরব হয়েছে। যদিও ওই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বিধায়ক।
Advertisement
ডোমকলের বিধায়ক তথা ডোমকল পুরসভার প্রশাসক জাফিকুল ইসলাম বলেন, ওই ব্যক্তি ঠিকা শ্রমিক। হাসপাতালে সাফাইয়ের কাজ করে। ওর সঙ্গে তৃণমূলের কোনও যোগ নেই। শুনলাম ওই ছেলেটি কিছু জানত না। ওকে ডেকে নিয়ে গিয়েছে, তারপরেই ও ফেঁসে গিয়েছে।
প্রসঙ্গত, গত শনিবার কুলটির একটি পরিত্যক্ত বাড়িতে হানা দেয় রাজ্য পুলিসের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স(এসটিএফ)। ওই বাড়ি থেকে ১০টি আগ্নেয়াস্ত্র এবং ৫০ রাউন্ড কার্তুজ সহ দু’জনকে গ্রেপ্তার করে। ধৃত সফিকুল ও মিনারুল ডোমকলের বাসিন্দা। সফিকুলের বাড়ি শেখালিপাড়ায়। সে পুরসভার ঠিকাকর্মী। সাফাইকর্মী হলেও সে এলাকায় সক্রিয় তৃণমূল কর্মী বলেই পরিচিত। পাশপাশি তাকে বিধায়ক জাফিকুল ইসলাম ও এক প্রাক্তন কাউন্সিলারের ঘনিষ্ঠ বলে দাবি করছে বিরোধীরা। তারা সোশ্যাল মিডিয়ায় সফিকুলের সঙ্গে বিধায়কের ছবি প্রকাশ করে দু’জনের মধ্যে ঘনিষ্ঠতার অভিযোগ তোলে। বিরোধীদের অভিযোগ, সফিকুল শুধু সক্রিয় তৃণমূল কর্মী নয় ও ডোমকলের বিধায়ক জাফিকুল ইসলামের একবারে ঘনিষ্ঠ। বিধায়ক ঘনিষ্ঠ হওয়ায় এলাকায় ভালোই দাপট ছিল।
সিপিএমের ডোমকল এরিয়া কমিটির সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান রানা বলেন, সফিকুল শুধু তৃণমূল কর্মীই নয়, ও ডোমকল পুরসভার স্টাফ ও বিধায়ক ঘনিষ্ঠ। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ১৮ ঘণ্টা সে বিধায়কের বাড়িতে পড়ে থাকে। সামনে ডোমকল পুরসভার ভোট। ভোটের আগে অস্ত্র এনে এলাকায় অশান্তির বাতাবরণ তৈরির জন্যই তারা এটা করেছে বলে আমার মনে হয়।
ডোমকল ব্লক কংগ্রেসের কার্যকরী সভাপতি ইমদাদুল হক মীর বলেন, তৃণমূল দলটাই তো এরকম লোকে ভর্তি। এরাই হল দলের সম্পদ। তাই তাকে বিধায়কের পাশে সবসময় দেখতে পাওয়া যায়। তৃণমূলের ডোমকল টাউন সভাপতি কামরুজ্জামান মণ্ডল বলেন, ডোমকলে সবাই তৃণমূল। এখন তৃণমূলের মধ্যে বিধায়কের সঙ্গে ছবি তুললেই যে সে আসল তৃণমূল তা বলা যাবে না। এখন তো অনেকেই ছবি তোলে। এখন তার মধ্যে কেউ দোষ করবে, আর দলের ঘাড়ে দোষ পড়বে, তা তো হবে না। দল কখনওই এই ধরনের মানুষকে সমর্থন করে না। আর ও তৃণমূলের কোনও কর্মীই নয়। পুরসভায় অস্থায়ী কাজ করে।
প্রসঙ্গত, গত শনিবার কুলটির একটি পরিত্যক্ত বাড়িতে হানা দেয় রাজ্য পুলিসের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স(এসটিএফ)। ওই বাড়ি থেকে ১০টি আগ্নেয়াস্ত্র এবং ৫০ রাউন্ড কার্তুজ সহ দু’জনকে গ্রেপ্তার করে। ধৃত সফিকুল ও মিনারুল ডোমকলের বাসিন্দা। সফিকুলের বাড়ি শেখালিপাড়ায়। সে পুরসভার ঠিকাকর্মী। সাফাইকর্মী হলেও সে এলাকায় সক্রিয় তৃণমূল কর্মী বলেই পরিচিত। পাশপাশি তাকে বিধায়ক জাফিকুল ইসলাম ও এক প্রাক্তন কাউন্সিলারের ঘনিষ্ঠ বলে দাবি করছে বিরোধীরা। তারা সোশ্যাল মিডিয়ায় সফিকুলের সঙ্গে বিধায়কের ছবি প্রকাশ করে দু’জনের মধ্যে ঘনিষ্ঠতার অভিযোগ তোলে। বিরোধীদের অভিযোগ, সফিকুল শুধু সক্রিয় তৃণমূল কর্মী নয় ও ডোমকলের বিধায়ক জাফিকুল ইসলামের একবারে ঘনিষ্ঠ। বিধায়ক ঘনিষ্ঠ হওয়ায় এলাকায় ভালোই দাপট ছিল।
সিপিএমের ডোমকল এরিয়া কমিটির সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান রানা বলেন, সফিকুল শুধু তৃণমূল কর্মীই নয়, ও ডোমকল পুরসভার স্টাফ ও বিধায়ক ঘনিষ্ঠ। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ১৮ ঘণ্টা সে বিধায়কের বাড়িতে পড়ে থাকে। সামনে ডোমকল পুরসভার ভোট। ভোটের আগে অস্ত্র এনে এলাকায় অশান্তির বাতাবরণ তৈরির জন্যই তারা এটা করেছে বলে আমার মনে হয়।
ডোমকল ব্লক কংগ্রেসের কার্যকরী সভাপতি ইমদাদুল হক মীর বলেন, তৃণমূল দলটাই তো এরকম লোকে ভর্তি। এরাই হল দলের সম্পদ। তাই তাকে বিধায়কের পাশে সবসময় দেখতে পাওয়া যায়। তৃণমূলের ডোমকল টাউন সভাপতি কামরুজ্জামান মণ্ডল বলেন, ডোমকলে সবাই তৃণমূল। এখন তৃণমূলের মধ্যে বিধায়কের সঙ্গে ছবি তুললেই যে সে আসল তৃণমূল তা বলা যাবে না। এখন তো অনেকেই ছবি তোলে। এখন তার মধ্যে কেউ দোষ করবে, আর দলের ঘাড়ে দোষ পড়বে, তা তো হবে না। দল কখনওই এই ধরনের মানুষকে সমর্থন করে না। আর ও তৃণমূলের কোনও কর্মীই নয়। পুরসভায় অস্থায়ী কাজ করে।



