Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

ক্লাস নিয়ে পঞ্চম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ে বানান ভুল ধরলেন ডিএম, চান সংশোধন

ক্লাস নিয়ে পঞ্চম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ে বানান ভুল ধরলেন ডিএম, চান সংশোধন
  • ৮ ডিসেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
নিজস্ব প্রতিনিধি, বর্ধমান: শনিবার বড়শুলের স্কুলে গিয়ে খুদেদের ক্লাস নিলেন জেলাশাসক আয়েশা রানি এ। পাঠ্যবইয়ে থাকা বানানের ভুলও ধরলেন তিনি। বানান সংশোধনের পরামর্শ দিয়েছেন। স্কুলে গিয়ে তিনি একের পর এক ক্লাসরুমে পৌঁছে যান। মিড ডে মিলের মান ঠিক রয়েছে কিনা সেটাও যাচাই করেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন অতিরিক্ত জেলাশাসক অমিয় দাস, মহকুমা শাসক তীর্থঙ্কর বিশ্বাস। জেলাশাসক বলেন, রুটিন পরিদর্শন ছিল।
Advertisement
প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন আধিকারিকরা তিনটি স্কুলে যান। একটি স্কুলে যাওয়ার পর জেলাশাসক একটি ক্লাসের পাঠ্যপুস্তক ওল্টাতে গিয়ে দেখেন ‘রিলিজিয়ন’ বানান ভুল রয়েছে। সঠিক বানানটি তিনি শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং পড়ুয়াদের সামনে তুলে ধরেন। বানানটি সংশোধনের জন্য ইতিমধ্যেই জেলা শিক্ষাদপ্তরে জানানো হয়েছে। পড়াশোনার মান কেমন রয়েছে তা জানার জন্য জেলাশাসক পড়ুয়াদের অঙ্ক করতে দেন। মহকুমা শাসক পড়ুয়াদের সাধারণ জ্ঞান যাচাইয়ের জন্য প্রশ্ন করেন। ভারতের রাজধানীর নাম কি? রাজ্যের রাজধানী কোথায় অবস্থিত? এরকম নানা প্রশ্ন করা হয়। অধিকাংশ পড়ুয়া উত্তর দিতে সক্ষম হয়। স্কুলগুলির পড়াশোনার মান নিয়ে জেলাশাসক সন্তোষ প্রকাশ করেন। তবে তিনি স্কুলগুলিকে বেশকিছু পরামর্শ দিয়েছেন। বিশেষ করে মিড ডে মিলের রান্নার মান যাতে কোনওভাবে খারাপ না হয় তা দেখার জন্য বলা হয়েছে। একটি স্কুলের জানালা বন্ধ ছিল। তাতে পড়ুয়াদের অসুবিধা হচ্ছিল। জেলাশাসক স্কুলের জানালা খুলে ক্লাস করানোর পরামর্শ দেন। এক আধিকারিক বলেন, আগামী দিনে জেলার বিভিন্ন স্কুলে এভাবেই অভিযান চলবে। পড়াশোনার মান আরও উন্নত করার জন্যই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
সম্প্রতি স্থানীয় মেলার জন্য কাটোয়ার কয়েকটি স্কুলের শিক্ষকরা নিজেদের ইচ্ছেমতো ছুটি দিয়ে দেওয়ায় বিতর্ক তৈরি হয়। এধরনের ঘটনা যাতে আগামী দিনে না হয় তার জন্য শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সতর্ক করা হয়েছে। সরকারি নির্দেশিকার বাইরে কোনও স্কুল কর্তৃপক্ষ নিজেদের ইচ্ছেমতো ছুটি ঘোষণা করতে পারবে না। ওই স্কুলের শিক্ষকদের শোকজ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে বড়শুলের স্কুলগুলির শিক্ষার মান দেখে জেলা প্রশাসনের আধিকারিকরা সন্তুষ্ট। জেলাশাসক শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সঙ্গেও বেশ কিছুক্ষণ কথা বলেন। কোনও সমস্যা রয়েছে কিনা জানতে চান। তবে তিনি সবচেয়ে বেশি জোর দিয়েছিলেন পড়ুয়াদের শিক্ষার মান যাচাইয়ে।
সম্পর্কিত সংবাদ