নিজস্ব প্রতিনিধি, কামারপুকুর: বুধবার কামারপুকুর রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনে কল্পতরু উৎসব ঘিরে ব্যাপক ভক্ত সমাগম হয়। লাইন দিয়ে শৃঙ্খলা মেনে ভক্তরা ঠাকুর রামকৃষ্ণদেবের দর্শন করেন। একইসঙ্গে লাইন দিয়ে খিচুড়ি প্রসাদ নেন পুণ্যার্থীরা। হাজার হাজার ভক্তের ভিড়ে কামারপুকুর রামকৃষ্ণ মঠ চত্বর মুখরিত হয়ে ওঠে। এদিন বেলা যত গড়িয়েছে, ততই ভিড় বাড়তে থাকে। স্থানীয়দের পাশাপাশি বাইরে থেকেও বহু ভক্ত ঠাকুর রামকৃষ্ণদেবের জন্মস্থানে আসেন। আমেরিকা নিবাসী প্রবাসী বাঙালিও ঠাকুরের দর্শন পেতে আসেন। অনেকে আবার কামারপুকুর থেকে জয়রামবাটিতে মা সারদার ধামেও যান।
Advertisement
প্রত্যেক বছরের মতো এবারও নানা সব্জি দিয়ে খিচুড়ি প্রসাদের ব্যবস্থা করে মঠ কর্তৃপক্ষ। তাছাড়া বাঁধাকপির তরকারি, পায়েস, চাটনি, বোঁদে প্রভৃতির ব্যবস্থাও ছিল। হাজার হাজার ভক্ত এদিন সেই খিচুড়ি প্রসাদ গ্রহণ করেন। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এদিন মঠ চত্বরে বিশাল পুলিস বাহিনী মোতায়েন ছিল। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে পুলিস কর্তারাও টহল দেন। তাছাড়া মাইকে বারবার সতর্কবার্তা ঘোষণাও হয়।
কামারপুকুর রামকৃষ্ণ মঠের অধ্যক্ষ স্বামী লোকোত্তরানন্দজি মহারাজ বলেন, ১৮৮৬ সালের এদিনই ঠাকুর রামকৃষ্ণদেব কাশীপুর উদ্যানবাটিতে কল্পতরু হয়েছিলেন। ঠাকুর এখনও বাণীরূপে কল্পতরু হয়েই রয়েছেন। ঠাকুরের কাছে এদিন ভক্তরা ধর্ম, অর্থ, মঙ্গল, কল্যাণ প্রার্থনা করেন। সারা বছর যেন তাঁদের ভালো কাটে। ঠাকুর সকলকেই আশীর্বাদ করছেন।
আমেরিকার নিউ জার্সি থেকে পরিবার নিয়ে আসেন প্রবাসী দম্পতি রাজর্ষি সরকার ও পর্ণা সরকার। তাঁরা বলেন, সম্প্রতি আমরা কলকাতায় এসেছি। কল্পতরু উৎসব উপলক্ষ্যে আমরা এবার কামারপুকুর মঠে আসতে পারায় ভাগ্যবান মনে করছি। মঠ কর্তৃপক্ষ আমাদের যথেষ্ট সাহায্য ও আপ্যায়ন করেছেন। তাতে আমরা আপ্লুত। এক রাত কাটিয়েছি। কল্পতরু উৎসব উপলক্ষ্যে খুবই ভালো পরিবেশ দেখলাম। ঠাকুরের কাছে প্রার্থনাও জানালাম। আমাদের মেয়ে আচমকা অসুস্থ হয়ে পড়েছিল, মঠ কর্তৃপক্ষ আমাদের পাশে থাকায় মনে হয়নি বাইরে আছি বলে।
কামারপুকুরের বাসিন্দা তমালকান্তি মুখোপাধ্যায় বলেন, দীর্ঘদিন ধরেই মঠের সঙ্গে যুক্ত রয়েছি। এখানে স্বেচ্ছাসেবকের কাজ করি। এদিনও সেভাবেই কল্পতরু উৎসবে শামিল হয়েছি।
মঠ সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন কল্পতরু উৎসব উপলক্ষ্যে ভোরে মঙ্গলারতি হয়। এছাড়া বেদপাঠ, স্তবগান, ভজন চলে। সকালে বিশেষ পুজো, চণ্ডীপাঠও হয়েছে। তাছাড়া হোম, পাঠ ও আলোচনা সভা হয়। ভক্তরা সেইসব রীতি চাক্ষুষ করেন। কল্পতরু উৎসব উপলক্ষ্যে মঠের গেস্ট হাউসগুলি হাউসফুল হয়ে রয়েছে। এছাড়া বাইরের লজগুলিতেও বহু মানুষ উঠেছেন। ভক্তরা এদিন ঠাকুরের স্মৃতি বিজড়িত বিভিন্ন স্থান পরিদর্শন করেন। ভিড় জমে ঐতিহ্যবাহী হালদার পুকুরের পাড়েও। মঠ সংলগ্ন বিভিন্ন দোকানে এদিন ভালো বিক্রিবাটা হয়।
কামারপুকুর রামকৃষ্ণ মঠের অধ্যক্ষ স্বামী লোকোত্তরানন্দজি মহারাজ বলেন, ১৮৮৬ সালের এদিনই ঠাকুর রামকৃষ্ণদেব কাশীপুর উদ্যানবাটিতে কল্পতরু হয়েছিলেন। ঠাকুর এখনও বাণীরূপে কল্পতরু হয়েই রয়েছেন। ঠাকুরের কাছে এদিন ভক্তরা ধর্ম, অর্থ, মঙ্গল, কল্যাণ প্রার্থনা করেন। সারা বছর যেন তাঁদের ভালো কাটে। ঠাকুর সকলকেই আশীর্বাদ করছেন।
আমেরিকার নিউ জার্সি থেকে পরিবার নিয়ে আসেন প্রবাসী দম্পতি রাজর্ষি সরকার ও পর্ণা সরকার। তাঁরা বলেন, সম্প্রতি আমরা কলকাতায় এসেছি। কল্পতরু উৎসব উপলক্ষ্যে আমরা এবার কামারপুকুর মঠে আসতে পারায় ভাগ্যবান মনে করছি। মঠ কর্তৃপক্ষ আমাদের যথেষ্ট সাহায্য ও আপ্যায়ন করেছেন। তাতে আমরা আপ্লুত। এক রাত কাটিয়েছি। কল্পতরু উৎসব উপলক্ষ্যে খুবই ভালো পরিবেশ দেখলাম। ঠাকুরের কাছে প্রার্থনাও জানালাম। আমাদের মেয়ে আচমকা অসুস্থ হয়ে পড়েছিল, মঠ কর্তৃপক্ষ আমাদের পাশে থাকায় মনে হয়নি বাইরে আছি বলে।
কামারপুকুরের বাসিন্দা তমালকান্তি মুখোপাধ্যায় বলেন, দীর্ঘদিন ধরেই মঠের সঙ্গে যুক্ত রয়েছি। এখানে স্বেচ্ছাসেবকের কাজ করি। এদিনও সেভাবেই কল্পতরু উৎসবে শামিল হয়েছি।
মঠ সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন কল্পতরু উৎসব উপলক্ষ্যে ভোরে মঙ্গলারতি হয়। এছাড়া বেদপাঠ, স্তবগান, ভজন চলে। সকালে বিশেষ পুজো, চণ্ডীপাঠও হয়েছে। তাছাড়া হোম, পাঠ ও আলোচনা সভা হয়। ভক্তরা সেইসব রীতি চাক্ষুষ করেন। কল্পতরু উৎসব উপলক্ষ্যে মঠের গেস্ট হাউসগুলি হাউসফুল হয়ে রয়েছে। এছাড়া বাইরের লজগুলিতেও বহু মানুষ উঠেছেন। ভক্তরা এদিন ঠাকুরের স্মৃতি বিজড়িত বিভিন্ন স্থান পরিদর্শন করেন। ভিড় জমে ঐতিহ্যবাহী হালদার পুকুরের পাড়েও। মঠ সংলগ্ন বিভিন্ন দোকানে এদিন ভালো বিক্রিবাটা হয়।



