Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

কুলুপুকুর গ্রামে নর্দমার জল মিশছে পানীয় জলের পাইপে, বিষ্ণুপুরে বিজেপির জনপ্রতিনিধির বিরুদ্ধে ক্ষোভ

কুলুপুকুর গ্রামে নর্দমার জল মিশছে পানীয় জলের পাইপে, বিষ্ণুপুরে বিজেপির জনপ্রতিনিধির বিরুদ্ধে ক্ষোভ
  • ৪ নভেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
সংবাদদাতা, বিষ্ণুপুর: পানীয় জলের পাইপের মুখ নর্দমায়। সেই দূষিত জলই পান করছেন বিষ্ণুপুরের কুলুপুকুর গ্রামের বাসিন্দারা। আভিযোগ খোঁজ নেননি বিজেপির স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্যা। পঞ্চায়েতের তৃণমূল উপ প্রধানের দাবি, সমস্যার কথা পঞ্চায়েত সদস্যা জানাননি। এনিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। সমস্যার সমাধান না হওয়ায় তার ফল ভোগ করতে হচ্ছে গ্রামের মানুষদের। তাঁদের অভিযোগ গ্রামের একাধিক ট্যাপকল ভেঙে গিয়েছে। পাইপের মুখ নিকাশি নালার জলে ডুবে রয়েছে। বাধ্য হয়ে সেই জলই পান করতে হচ্ছে এলাকাবাসীদের। পঞ্চায়েত সদস্যা এলাকায় থাকেন না। পঞ্চায়েতে বলেও লাভ হয়নি। 
Advertisement
এব্যাপারে স্থানীয় মড়ার গ্রাম পঞ্চায়েতর উপপ্রধান মোক্তার খান বলেন, গ্রামের যে কোনও সমস্যা স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্যের মাধ্যমে উঠে আসে। সেই অনুযায়ী কাজ হয়। কিন্তু কুলুপুকুর গ্রামের বিজেপি পঞ্চায়েত সদস্যা এব্যাপারে কিছুই জানাননি। 
পঞ্চায়েত সদস্যা মালতি কিষ্কু বলেন, কুলুপুকুরে দূষিত জল পান করার বিষয়ে গ্রামবাসীরা কেউ জানাননি। তাছাড়া বিরোধী বলে উন্নয়নমূলক আমার যে কোনও প্রস্তাবকে পঞ্চায়েত গুরুত্ব দেয় না। তবুও আমি কুলুপুকুর গ্রামে গিয়ে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেব। 
কুলুপুকুরে গিয়ে দেখা গেল, গোটা গ্রামে একাধিক জায়গায় ট্যাপকল নেই। পাইপের মুখ দিয়ে জল পড়ছে। তার মধ্যে আবার বেশ কয়েকটি পাইপের মুখ নর্দমায় ডুবে রয়েছে। তার মধ্যে থেকেই বাসিন্দারা বালতি করে জল নিচ্ছেন। তবে সব চেয়ে খারাপ অবস্থা রেল লাইনের ধারে প্রাথমিক স্কুল সংলগ্ন এলাকায় থাকা একটি পাইপে। সেখানে পাইপের মুখে কোনও ট্যাপ কল নেই। পাইপের মুখ নিকাশি নালায় হাঁটু সমান জলে ডুবে রয়েছে। বাসিন্দারা নিজেরা ছোটো ছোটো পাইপ গুঁজে নর্দমার ভেতর থেকে জল বাইরে বের করছেন। তাতে নর্দমার জলও মিশে যাচ্ছে। আর ওই জল তাঁরা পান করছেন এবং বাড়ির কাজে ব্যবহার করছেন । 
বাসিন্দারা বলেন, প্রায় ছমাস ধরে আমরা দূষিত পানীয় জল পান করছি। রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তা জেনেও বিকল্প উপায় না থাকায় বাধ্য হয়ে তা পান করতে হচ্ছে। স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্য প্রায় ৬ কিলোমিটার দূরে থাকেন। ভোট নিয়ে চলে গেছেন। আর এমুখো হননি। পঞ্চায়েতে জানিয়েও লাভ হয়নি।
সম্পর্কিত সংবাদ