নিজস্ব প্রতিনিধি, শিলিগুড়ি ও জলপাইগুড়ি: কালীপুজোর রাত থেকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে শিলিগুড়ি ও জলপাইগুড়িতে পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যু ছ’জনের। আহত চারজন। তাঁরা বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। কোথাও বাইক ও স্কুটারের, আবার কোথাও বাইক ও ছোট গাড়ির মুখোমুখি সংঘর্ষে, কোথাও আবার প্রচণ্ড গতিতে বাইক ছুটিয়ে রাস্তায় পড়ে গিয়ে দুর্ঘটনা ঘটে। এমন ঘটনার পর ট্রাফিক পুলিসের নজরদারি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগ, পুলিস উদাসীন হওয়ায় রাতে বেপরোয়াভাবে বাইক সহ যানবাহন চলাচল করায় দুর্ঘটনাগুলি ঘটেছে।
Advertisement
বৃহস্পতিবার কালীপুজোর রাতে আচমকা বৃষ্টি নামে শিলিগুড়িতে। ওই সময় দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন উড়ালপুলে বাইক দুর্ঘটনায় একজনের মৃত্যু হয়। স্থানীয় সূত্রের খবর, বাইক নিয়ে বিদ্যুতের গতিতে উড়ালপুল দিয়ে ছুটছিল কিছু যুবক। সেই সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পড়ে যায় একটি বাইক। দুই আরোহী ছিটকে পড়েন রাস্তায়। রাজকুমার সাহানি (২০) ও মহম্মদ আলি মারাত্মক জখম হন। তাঁদের শিলিগুড়ি জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। রাজকুমারকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসক। মৃতের বাড়ি নিউ পোকাইজোতে। মৃতের পরিবারের সদস্যরা ঘটনাটি নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন।
ওই রাতে ইস্টার্ন বাইপাসে আরএকটি পথ দুর্ঘটনা ঘটে। সেখানে প্রচণ্ড গতিতে ছোটা বাইকের ধাক্কায় মৃত্যু হয়েছে বাদম বিক্রেতা দুলাল পালের (৬২)। তিনি ঠেলাগাড়ি নিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন। ঘটনাগুলি নিয়ে ট্রাফিক পুলিসের বিরুদ্ধে উদাসীনতার অভিযোগ উঠেছে। ডিসিপি (ট্রাফিক) বিশ্বচাঁদ ঠাকুর অবশ্য বলেন, ইস্টার্ন বাইপাসের দুর্ঘটনায় বাইক আরোহীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সবগুলি ঘটনাই খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুলিসের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ ঠিক নয়।
এদিকে, শুক্রবার সকালে খড়িবাড়ি থানার কল্যাণপুরে ছোট গাড়ির সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে এক বাইক অরোহীর মৃত্যু হয়। মৃতের নাম মুনুরাজ তিরকি (৩০)। বিহারের কিষানগঞ্জের বাসিন্দা। আরএক বাইক আরোহী আহত হয়েছেন ওই ঘটনায়।
অন্যদিকে, কালীপুজোর রাতে জলপাইগুড়িতেও দু’টি পথ দুর্ঘটনা ঘটে। প্রথম দুর্ঘটনাটি শিলিগুড়ি-জলপাইগুড়ি রাজ্য সড়কের চৌরঙ্গী মোড়ে হয়। বাইক ও স্কুটারের মুখোমুখি সংঘর্ষে মৃত্যু হয় দুই যুবকের। আহত হন একজন। মৃতদের নাম কাঞ্চন দত্ত (২৬) ও সুজয় সরকার (২০)। প্রথমজন স্কুটার এবং দ্বিতীয়জন বাইক চালক। দত্তপাড়ায় কাঞ্চনের ও ধাপগঞ্জে সুজয়ের বাড়ি। কাঞ্চন চৌরঙ্গী যুবক সঙ্ঘে সক্রিয় সদস্য ছিলেন। কালীপুজো মাঝপথে বন্ধ করে দেওয়া হয়। শোকে নিভিয়ে দেওয়া হয় দীপাবলির আলো।
ওই রাতেই ময়নাগুড়িতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার ডিভাইডারে ধাক্কা মারে বাইক। মৃত্যু হয় এক যুবকের। জখম হন একজন। মৃতের নাম সুমন সরকার (২৫)। কোচবিহারের ঘোকসাডাঙায় বাড়ি। জলপাইগুড়ির পুলিস সুপার খণ্ডবাহলে উমেশ গণপত বলেন, ঘটনাগুলি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে বেপরোয়া বাইক চালানো রুখতে ট্রাফিক পুলিস প্রচুর মামলা দিচ্ছে, জরিমানা করছে। আরও কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
ওই রাতে ইস্টার্ন বাইপাসে আরএকটি পথ দুর্ঘটনা ঘটে। সেখানে প্রচণ্ড গতিতে ছোটা বাইকের ধাক্কায় মৃত্যু হয়েছে বাদম বিক্রেতা দুলাল পালের (৬২)। তিনি ঠেলাগাড়ি নিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন। ঘটনাগুলি নিয়ে ট্রাফিক পুলিসের বিরুদ্ধে উদাসীনতার অভিযোগ উঠেছে। ডিসিপি (ট্রাফিক) বিশ্বচাঁদ ঠাকুর অবশ্য বলেন, ইস্টার্ন বাইপাসের দুর্ঘটনায় বাইক আরোহীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সবগুলি ঘটনাই খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুলিসের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ ঠিক নয়।
এদিকে, শুক্রবার সকালে খড়িবাড়ি থানার কল্যাণপুরে ছোট গাড়ির সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে এক বাইক অরোহীর মৃত্যু হয়। মৃতের নাম মুনুরাজ তিরকি (৩০)। বিহারের কিষানগঞ্জের বাসিন্দা। আরএক বাইক আরোহী আহত হয়েছেন ওই ঘটনায়।
অন্যদিকে, কালীপুজোর রাতে জলপাইগুড়িতেও দু’টি পথ দুর্ঘটনা ঘটে। প্রথম দুর্ঘটনাটি শিলিগুড়ি-জলপাইগুড়ি রাজ্য সড়কের চৌরঙ্গী মোড়ে হয়। বাইক ও স্কুটারের মুখোমুখি সংঘর্ষে মৃত্যু হয় দুই যুবকের। আহত হন একজন। মৃতদের নাম কাঞ্চন দত্ত (২৬) ও সুজয় সরকার (২০)। প্রথমজন স্কুটার এবং দ্বিতীয়জন বাইক চালক। দত্তপাড়ায় কাঞ্চনের ও ধাপগঞ্জে সুজয়ের বাড়ি। কাঞ্চন চৌরঙ্গী যুবক সঙ্ঘে সক্রিয় সদস্য ছিলেন। কালীপুজো মাঝপথে বন্ধ করে দেওয়া হয়। শোকে নিভিয়ে দেওয়া হয় দীপাবলির আলো।
ওই রাতেই ময়নাগুড়িতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার ডিভাইডারে ধাক্কা মারে বাইক। মৃত্যু হয় এক যুবকের। জখম হন একজন। মৃতের নাম সুমন সরকার (২৫)। কোচবিহারের ঘোকসাডাঙায় বাড়ি। জলপাইগুড়ির পুলিস সুপার খণ্ডবাহলে উমেশ গণপত বলেন, ঘটনাগুলি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে বেপরোয়া বাইক চালানো রুখতে ট্রাফিক পুলিস প্রচুর মামলা দিচ্ছে, জরিমানা করছে। আরও কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে।



