নিজস্ব প্রতিনিধি, পুরুলিয়া ও সংবাদদাতা, রঘুনাথপুর: কালীপুজোর রাতে বলরামপুরে ভয়াবহ বাইক দুর্ঘটনায় এক সিভিক ভলান্টিয়ারের মৃত্যু হয়েছে। মৃতের নাম বিদ্যুৎ রজক(৩৬)। তিনি বলরামপুর থানায় কর্মরত ছিলেন। দুর্ঘটনায় জখম হয়েছেন ওই থানারই এক হোমগার্ড। তিনি হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। শুধু বলরামপুরেই নয়, কালীপুজোর রাতে রঘুনাথপুর থানা এলাকায় প্রায় ১৭টির বেশি পথ দুর্ঘটনা ঘটেছে। ঘটনায় কম বেশি ২০ জন জখম হয়েছেন।
Advertisement
পুলিস সূত্রের খবর, বৃহস্পতিবার রাতে ওই সিভিক ভলান্টিয়ার ও হোমগার্ড থানাতেই ছিলেন। রাত ১২টা নাগাদ নিজেদেরই কোনও কাজে তাঁরা বাইক নিয়ে বেরিয়েছিলেন। সরাই ময়দান সংলগ্ন এলাকায় উল্টো দিকে থেকে আসা একটি বাইকের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। ঘটনায় গুরুতর জখম হন সিভিক ভলান্টিয়ার বিদ্যুৎ এবং হোমগার্ড কিরীটী কুমার। দুর্ঘটনায় জখম হন অপর বাইকে থাকা অপূর্ব মাঝি। অপূর্বর বাড়ি বলরামপুরের কালীতলা এলাকায়। স্থানীয় বাসিন্দারা ও পুলিস জখম তিনজনকে উদ্ধার করে বলরামপুর বাঁশগড় হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখান থেকে তিনজনকেই পুরুলিয়া দেবেন মাহাত মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। সেখানে চিকিৎসক বিদ্যুৎকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। তাঁর বাড়ি কানা এলাকায়। অপূর্বর শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গিয়েছে।
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাত থেকে শুক্রবার সকাল পর্যন্ত প্রায় ১৭টির বেশি পথ দুর্ঘটনা রঘুনাপুর থানা এলাকায় ঘটেছে। ঘটনায় প্রায় ২০ জন জখম হন। চারজনকে রঘুনাথপুর সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বাকিদের অবশ্য প্রাথমিক চিকিৎসার পর ছেড়ে দেওয়া হয়। একদিনে এতগুলি দুর্ঘটনা ঘটায় এলাকায় যথেষ্ট চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। জানা গিয়েছে, কালীপুজোর রাতে সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা ঘটেছে রঘুনাথপুর-চেলিয়ামা রাস্তায়। দুর্ঘটনায় জখম অধিকাংশই পুরুলিয়ার বিখ্যাত মৌতড়ে মেলা দেখতে যাচ্ছিলেন। কয়েকজন মেলা দেখে বাড়ি ফিরছিলেন। পাশাপাশি রঘুনাথপুর-আদ্রা রাজ্য সড়ক, রঘুনাথপুর-বরাকর রাজ্য সড়কের শাঁকা এলাকায় বেশ কয়েকটি দুর্ঘটনা ঘটে। মদ্যপ চাকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। পুলিস জানিয়েছে, নজরদারি বাড়ানো হচ্ছে।
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাত থেকে শুক্রবার সকাল পর্যন্ত প্রায় ১৭টির বেশি পথ দুর্ঘটনা রঘুনাপুর থানা এলাকায় ঘটেছে। ঘটনায় প্রায় ২০ জন জখম হন। চারজনকে রঘুনাথপুর সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বাকিদের অবশ্য প্রাথমিক চিকিৎসার পর ছেড়ে দেওয়া হয়। একদিনে এতগুলি দুর্ঘটনা ঘটায় এলাকায় যথেষ্ট চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। জানা গিয়েছে, কালীপুজোর রাতে সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা ঘটেছে রঘুনাথপুর-চেলিয়ামা রাস্তায়। দুর্ঘটনায় জখম অধিকাংশই পুরুলিয়ার বিখ্যাত মৌতড়ে মেলা দেখতে যাচ্ছিলেন। কয়েকজন মেলা দেখে বাড়ি ফিরছিলেন। পাশাপাশি রঘুনাথপুর-আদ্রা রাজ্য সড়ক, রঘুনাথপুর-বরাকর রাজ্য সড়কের শাঁকা এলাকায় বেশ কয়েকটি দুর্ঘটনা ঘটে। মদ্যপ চাকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। পুলিস জানিয়েছে, নজরদারি বাড়ানো হচ্ছে।



