নিজস্ব প্রতিনিধি, দুর্গাপুর: কালীপুজোর রাতে দূষণে জেরবার দুর্গাপুর ও আসানসোলের বাসিন্দারা। সন্ধ্যা থেকে মাত্রাতিরিক্ত আতসবাজির পাশাপাশি দেদার ফাটে শব্দবাজিও। যার জেরে রাত বাড়তেই বায়ু দূষণ বেড়ে যায় দুই মেগা সিটিতেই। একটা সময়ে ধোঁয়াশার জেরে রাস্তার দৃশ্যমানতাও কমে যায়। সাম্প্রতিক সময়ে এই প্রথম এতটা অস্বাস্থ্যকর রাত কাটিয়েছে শিল্পাঞ্চলের বাসিন্দারা। যা নিয়ে পুলিস ও দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। শুধু নিষিদ্ধ বাজি ফাটানোই নয়, কালীপুজোর রাতে বহু প্যান্ডেলের সামনেই প্রকাশ্যে জুয়া খেলা হতে দেখা যায় বলে অভিযোগ। এই দৃশ্যে রীতিমতো স্তম্ভিত হয়ে যান বাসিন্দারা।
Advertisement
দুর্গাপুরের এসিপি সুবীর রায় বলেন, নিষিদ্ধবাজি ফাটার অভিযোগ পেলেই পুলিস ব্যবস্থা নিয়েছে। কালীপুজোর রাতেই ন’জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আগেও নিষিদ্ধ বাজির বিরুদ্ধে বড় সাফল্য পেয়েছিল কোকওভেন থানার পুলিস। প্রকাশ্যে জুয়া খেলার কোনও অভিযোগ পাওয়া যায়নি।
কেন্দ্রীয় সরকারের মিনিস্ট্রি অব এনভাইরনমেন্টের অ্যাপ ‘সমের’-এ শনিবার বিকেল ৪টের সময়ে এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স(একিউআই) নিয়ে একটি বুলেটিন প্রকাশ করা হয়। সেখানে দেখা গিয়েছে শেষ ২৪ ঘণ্টায় দুর্গাপুরের এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্সের গড় ২৭৯। যা গুণমানের বিচারে ‘পুওর’। যার জেরে একটা সময়ে রীতিমতো অনেকের শ্বাস নিতে সমস্যা হতে দেখা যায়। প্রায় একই পরিস্থিতি ছিল আসানসোলেরও। সেখানে ২৪ ঘণ্টার একিউআই গড় ২১৭। যেটিও গুণমানের বিচারে ‘পুওর’। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে লাগামছাড়া বাজির তাণ্ডবেই এই ঘটনা ঘটেছে। দীপাবলির রাতে আতসবাজির ব্যবহার ছিল মাত্রাতিরিক্ত। আবাসন ও বাড়ি ছাদ থেকে বাজি ফাটানো হয়েছে। পাশাপাশি দেদার ফেটেছে চকোলেট বোমা। বিকট শব্দে বায়ু দূষণের পাশাপাশি শব্দ দূষণও হয়েছে। দুই শহরেই দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের বহু মনিটারি স্টেশন রয়েছে। একাধিক রিজিওন্যাল অফিস রয়েছে। তা সত্বেও কীভাবে এই বেপরোওয়া পরিবেশ দূষণ হল তা নিয়েই প্রশ্ন উঠছে। দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের আসানসোল রিজিওন্যালের আধিকারিক সুদীপ ভট্টাচার্য বলেন, আমরা দীপাবলির উৎসব উপলক্ষ্যে সাতদিন ধরে বিশেষ নজরদারি কর্মসূচি শুরু করেছি। সাতদিনের মিলিত তথ্য নিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
অন্যদিকে, কালীপুজোয় খনি অঞ্চলে জুয়ার রমারমা হওয়ার অভিযোগ বহুদিনের। এবার শহরের বিভিন্ন পুজো মণ্ডপগুলির সামনেও এই কারবার একাবারে প্রকাশ্যে হতে দেখা গিয়েছে। দুর্গাপুর থানার অদূরে পাঁচমাথা মোড়ের সামনে সুদৃশ্য পুজো মণ্ডপের ‘এক্সিট গেটের’ সামনেই জুয়া খেলা চলেছে শুক্রবার রাতে। ছবি তুলতে গেলে, কেন ছবি তুললেন তা নিয়ে কৈফিয়তও চাওয়া হয়। পরিবার নিয়ে ঠাকুর দেখতে বেরিয়ে প্রকাশ্যে এই কারবার থেকে অনেকেই বিরক্ত হন। অনেকে আবার বাড়তি রোজগারের আশায় টাকাও লাগান। মুহূর্তে হাজার হাজার টাকা লেনদেন হতে দেখা যায় জুয়ার বোর্ড থেকে।
কেন্দ্রীয় সরকারের মিনিস্ট্রি অব এনভাইরনমেন্টের অ্যাপ ‘সমের’-এ শনিবার বিকেল ৪টের সময়ে এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স(একিউআই) নিয়ে একটি বুলেটিন প্রকাশ করা হয়। সেখানে দেখা গিয়েছে শেষ ২৪ ঘণ্টায় দুর্গাপুরের এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্সের গড় ২৭৯। যা গুণমানের বিচারে ‘পুওর’। যার জেরে একটা সময়ে রীতিমতো অনেকের শ্বাস নিতে সমস্যা হতে দেখা যায়। প্রায় একই পরিস্থিতি ছিল আসানসোলেরও। সেখানে ২৪ ঘণ্টার একিউআই গড় ২১৭। যেটিও গুণমানের বিচারে ‘পুওর’। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে লাগামছাড়া বাজির তাণ্ডবেই এই ঘটনা ঘটেছে। দীপাবলির রাতে আতসবাজির ব্যবহার ছিল মাত্রাতিরিক্ত। আবাসন ও বাড়ি ছাদ থেকে বাজি ফাটানো হয়েছে। পাশাপাশি দেদার ফেটেছে চকোলেট বোমা। বিকট শব্দে বায়ু দূষণের পাশাপাশি শব্দ দূষণও হয়েছে। দুই শহরেই দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের বহু মনিটারি স্টেশন রয়েছে। একাধিক রিজিওন্যাল অফিস রয়েছে। তা সত্বেও কীভাবে এই বেপরোওয়া পরিবেশ দূষণ হল তা নিয়েই প্রশ্ন উঠছে। দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের আসানসোল রিজিওন্যালের আধিকারিক সুদীপ ভট্টাচার্য বলেন, আমরা দীপাবলির উৎসব উপলক্ষ্যে সাতদিন ধরে বিশেষ নজরদারি কর্মসূচি শুরু করেছি। সাতদিনের মিলিত তথ্য নিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
অন্যদিকে, কালীপুজোয় খনি অঞ্চলে জুয়ার রমারমা হওয়ার অভিযোগ বহুদিনের। এবার শহরের বিভিন্ন পুজো মণ্ডপগুলির সামনেও এই কারবার একাবারে প্রকাশ্যে হতে দেখা গিয়েছে। দুর্গাপুর থানার অদূরে পাঁচমাথা মোড়ের সামনে সুদৃশ্য পুজো মণ্ডপের ‘এক্সিট গেটের’ সামনেই জুয়া খেলা চলেছে শুক্রবার রাতে। ছবি তুলতে গেলে, কেন ছবি তুললেন তা নিয়ে কৈফিয়তও চাওয়া হয়। পরিবার নিয়ে ঠাকুর দেখতে বেরিয়ে প্রকাশ্যে এই কারবার থেকে অনেকেই বিরক্ত হন। অনেকে আবার বাড়তি রোজগারের আশায় টাকাও লাগান। মুহূর্তে হাজার হাজার টাকা লেনদেন হতে দেখা যায় জুয়ার বোর্ড থেকে।



