সংবাদদাতা, মানকর: কালীপুজোর পরের দিন ঘন জঙ্গলের মধ্যে কাঁকসার রাজকুসুমে পূজিত হন দেবী বনকালী। ৫০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে এখানে বনকালী পূজিতা হয়ে আসছেন। তবে দেবীর কোনও মূর্তি এখানে থাকে না। গাছের নীচে বারিঘট রেখে পুজো করা হয়। প্রাচীন এই পুজো দেখতে কয়েক হাজার মানুষের সমাগম হয়। বংশপরম্পরায় এই পুজোর আয়োজন করে রায় পরিবার।
Advertisement
বনকালী পুজোয় রয়েছে একাধিক নিয়ম। পূজারী পুজোর সময় বসার জন্য কম্বল জাতীয় কোনও আসনের ব্যবহার করতে পারেন না। প্রাচীন রীতি মেনে গাছ থেকে ডালপাতা ভেঙে তা মাটির উপর বিছিয়ে দেওয়া হয়। তার উপরেই বসে পূজারী পুজো করেন। রায় পরিবারের সদস্যরা জানান দুর্গাপুরের গোপালপুরের ভট্টাচার্য পরিবারের বড়কালীর এই বনকালীর সংযোগ রয়েছে। গোপালপুরে মূর্তিপুজোর নৈবেদ্য সহ নানা উপকরণ রাজকুসুম থেকে পাঠানো হয়। পরের দিন সকালে গোপালপুরে আর কোনও পুজো হয় না। সেই পুজো এখানে অনুষ্ঠিত হয়। রাজকুসুমের বড়কালীর পুরোহিত, বাদ্যকার, যিনি ছাগ বলি করেছেন সকলে এসে বনকালী তলায় উপস্থিত হন। তাঁরাই পুজো সম্পন্ন করেন।
কথিত আছে, একসময় এখানে দেবী মূর্তি নিয়ে আসা হতো। গোপালপুরের ভট্টাচার্য বাড়ির পুরোহিত এই পুজো করতেন। রাতে গভীর জঙ্গল পেরিয়ে তাঁরা এখানে পুজো করতে আসতেন। একবার ঝড়-বৃষ্টির সময় তাতে বিঘ্ন ঘটে। দেবীর স্বপ্নাদেশ পান ব্রাহ্মণ। দেবী নির্দেশ দেন মূর্তিপুজো গোপালপুরে করার এবং দ্বিতীয় দিনের পুজো বনকালী তলায় করার। তারপর থেকে সেই রীতি চলে আসছে। রায় পরিবার দুই শরিক পুজোর দায়িত্ব পালন করে আসছে। পুজোয় বলি প্রথা আছে। দু’টি ছাগ রায় পরিবারের দুই শরিকের তরফ থেকে দেওয়া হয়। তারপর মানসিকের ছাগ বলি হয়। রায় পরিবারের সদস্য সনৎকুমার রায় বলেন, বংশপরম্পরায় লোহার পরিবার পুজোয় বলিদানের জায়গা তৈরি করে। পুজোর দিন দেবীকে পাঁচ সের আতপ চালের নৈবেদ্য নিবেদন করা হয়। তিনি আরও বলেন, পুজোয় ভক্তদের ব্যক্তিগত সংকল্পের ব্যাপার নেই। বিশ্বশান্তির জন্য দেবীকে প্রার্থনা করা হয়। রায় পরিবারের বিশ্বজিৎ রায় বলেন, এখানে গাছগুলিতে মায়ের চোখ ও জিহ্বা ফুটে ওঠে। এখন মানুষের সমাগম বৃদ্ধি পাচ্ছে। পরিবার সূত্রে জানা যায়, দেবীর প্রসাদ হাতে হাতে বিলি করা হয়। পুজো শেষ হতেই সমস্ত কিছু পরিষ্কার করে দেওয়ার রীতি রয়েছে। স্থানীয়রা ছাড়াও এদিন ভিনজেলা থেকেও ভক্ত সমাগম দেখা গেল। ভক্তেরা বলেন, মানসিক করলে দেবী পূর্ণ করেন। আমাদের বিশ্বাস মা এখানে নিত্য বিরাজিতা।
কথিত আছে, একসময় এখানে দেবী মূর্তি নিয়ে আসা হতো। গোপালপুরের ভট্টাচার্য বাড়ির পুরোহিত এই পুজো করতেন। রাতে গভীর জঙ্গল পেরিয়ে তাঁরা এখানে পুজো করতে আসতেন। একবার ঝড়-বৃষ্টির সময় তাতে বিঘ্ন ঘটে। দেবীর স্বপ্নাদেশ পান ব্রাহ্মণ। দেবী নির্দেশ দেন মূর্তিপুজো গোপালপুরে করার এবং দ্বিতীয় দিনের পুজো বনকালী তলায় করার। তারপর থেকে সেই রীতি চলে আসছে। রায় পরিবার দুই শরিক পুজোর দায়িত্ব পালন করে আসছে। পুজোয় বলি প্রথা আছে। দু’টি ছাগ রায় পরিবারের দুই শরিকের তরফ থেকে দেওয়া হয়। তারপর মানসিকের ছাগ বলি হয়। রায় পরিবারের সদস্য সনৎকুমার রায় বলেন, বংশপরম্পরায় লোহার পরিবার পুজোয় বলিদানের জায়গা তৈরি করে। পুজোর দিন দেবীকে পাঁচ সের আতপ চালের নৈবেদ্য নিবেদন করা হয়। তিনি আরও বলেন, পুজোয় ভক্তদের ব্যক্তিগত সংকল্পের ব্যাপার নেই। বিশ্বশান্তির জন্য দেবীকে প্রার্থনা করা হয়। রায় পরিবারের বিশ্বজিৎ রায় বলেন, এখানে গাছগুলিতে মায়ের চোখ ও জিহ্বা ফুটে ওঠে। এখন মানুষের সমাগম বৃদ্ধি পাচ্ছে। পরিবার সূত্রে জানা যায়, দেবীর প্রসাদ হাতে হাতে বিলি করা হয়। পুজো শেষ হতেই সমস্ত কিছু পরিষ্কার করে দেওয়ার রীতি রয়েছে। স্থানীয়রা ছাড়াও এদিন ভিনজেলা থেকেও ভক্ত সমাগম দেখা গেল। ভক্তেরা বলেন, মানসিক করলে দেবী পূর্ণ করেন। আমাদের বিশ্বাস মা এখানে নিত্য বিরাজিতা।



