সংবাদদাতা, পতিরাম: দুর্গাপুজোর সময় বিসর্জনে গিয়ে আত্রেয়ীতে তলিয়ে একই পরিবারের দু’জনের মৃত্যু হয়েছিল। সেকথা মাথায় রেখে কালীপুজোয় বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা পুলিস ও প্রশাসনের। বালুরঘাট শহরের সদরঘাটে সব ধরনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। তার কাছে কংগ্রেস ঘাটেও নিরাপত্তা জোরদার। বাঁশ দিয়ে ঘিরে বিপজ্জনক এলাকা চিহ্নিত করা হয়েছে সেখানে। এছাড়াও সিভিল ডিফেন্সের নৌকা ও পর্যাপ্ত পুলিশ রাখা হয়েছে। সদরঘাটেই যাতে উদ্যোক্তারা প্রতিমা বিসর্জন করতে আসেন, সেই অনুরোধও জানাচ্ছে পুরসভা ও পুলিস। পুরসভার চেয়ারম্যান অশোক মিত্র বলেন, সদরঘাটে প্রতিমা নিরঞ্জনের স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা রয়েছে। পাশাপাশি সাধারণভাবেও বিসর্জন দেওয়া যাবে। কিছু মানুষ রীতি মেনে পাশের কংগ্রেস ঘাটে যান। সেখানে দুর্গাপুজোয় অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছিল। তাই এবার বেশি সতর্কতা নেওয়া হয়েছে। উদ্যোক্তাদের অনুরোধ করা হচ্ছে যাতে সকলেই সাবধানতা অবলম্বন করেন।
Advertisement
বালুরঘাট থানার আইসি শান্তিনাথ পাঁজা বলেন, সদরঘাটে প্রতিমা নিরঞ্জনের জন্য নিরাপত্তা জোরদার করা হচ্ছে। কংগ্রেস ঘাটেও নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। দু’একটা করে বিসর্জন হচ্ছে। ৩ তারিখের মধ্যে প্রতিমা নিরঞ্জনের জন্য উদ্যোক্তাদের বলা হয়েছে।
সদরঘাটে পুরসভা স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা তৈরি করেছে। হাইড্রলিক ট্রলির মাধ্যমে সেখানে বিসর্জন চলছে। দুর্গাপুজোয় পাশের কংগ্রেস ঘাটে প্রতিমা নিরঞ্জনের ব্যবস্থা ছিল। দ্বাদশীর বিকেলে একটি পরিবার প্রতিমা নিরঞ্জনের জন্য এসেছিল। সেইসময় তিনজন তলিয়ে যান। একজনকে উদ্ধার করা গেলেও দু’জনের মৃত্যু হয়। ওই ঘটনায় কংগ্রেস ঘাটের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন শহরের বাসিন্দারা। তাই এবার সেখানে বাঁশ দিয়ে ঘিরে ফেলা হচ্ছে।
সদরঘাটে পুরসভা স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা তৈরি করেছে। হাইড্রলিক ট্রলির মাধ্যমে সেখানে বিসর্জন চলছে। দুর্গাপুজোয় পাশের কংগ্রেস ঘাটে প্রতিমা নিরঞ্জনের ব্যবস্থা ছিল। দ্বাদশীর বিকেলে একটি পরিবার প্রতিমা নিরঞ্জনের জন্য এসেছিল। সেইসময় তিনজন তলিয়ে যান। একজনকে উদ্ধার করা গেলেও দু’জনের মৃত্যু হয়। ওই ঘটনায় কংগ্রেস ঘাটের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন শহরের বাসিন্দারা। তাই এবার সেখানে বাঁশ দিয়ে ঘিরে ফেলা হচ্ছে।



