সংবাদদাতা, ধূপগুড়ি: শনিবার, উত্সবের তৃতীয় রাতেও জনতার ঢল ধূপগুড়িতে। বিগবাজেটের কালীপুজো দেখতে এটাই প্রধান ডেস্টিনেশন উত্তরবঙ্গবাসীর। কোচবিহার থেকে শিলিগুড়িবাসী প্যান্ডেলের লাইনে মিলেমিশে এক। ভোর অবধি চলে প্যান্ডেল হপিং। সব মিলিয়ে কালীপুজোয় নিজের ধারা বজায় রাখল উত্তরের এই শহর। এসটিএস, শান্তি সঙ্ঘ, নেতাজিপাড়ায় উপচে পড়ল ভিড়।
Advertisement
নেতাজিপাড়া কালচারাল ক্লাবের পিতলের তৈরি মণ্ডপসজ্জা এবার দর্শকদের অভিভূত করেছে। শনিবার বিকেল থেকেই মণ্ডপের সামনে কার্যত দর্শনার্থীর ভিড়। শহরবাসী তো বটেই, ময়নাগুড়ি, জলপাইগুড়ি এমনকি শিলিগুড়ি থেকেও দর্শনার্থীরা এসেছেন শহরে। ওই মণ্ডপের ভিতরে হাল্কা সোনালি রঙ আরও মাধুর্য্য এনেছে। পিতলের কারুকার্য দেখে এককথায় ‹অসাধারণ› প্রশংসা শোনা যাচ্ছে দর্শকদের মুখে।
২৯তম বর্ষে মণ্ডপের ভিতরের অংশ বানানো হয়েছে পিতলের সামগ্রী ব্যবহার করে। শ্যামামায়ের তিনরকম মূর্তি গড়েছেন স্থানীয় শিল্পী শ্রীবাস পাল। মাটি দিয়ে গড়া প্রতিমা দেখে মনে হচ্ছে যেন পিতলের তৈরি। ঝা চকচকে আলো নয়, নবদ্বীপের হাল্কা সোনালি আলো অন্দরমহলকে করেছে আরও সুন্দর। ময়নাগুড়ি থেকে এসে নেতাজিপাড়ার ঠাকুর দেখে অভিভূত বনি দে। উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলার গবেষক ছাত্রীর কথায়, মণ্ডপের কারুকার্যর সঙ্গে রংয়ের খেলা এক কথায় অনবদ্য। এতটা পথ আসা সার্থক। ক্লাব সম্পাদক পবিত্র পাল বলেন, প্রায় ২৫ লক্ষ টাকা বাজেটে পুজো হয়েছে। নবদ্বীপের শিল্পীদের নিয়ে এসে পিতল দিয়ে মণ্ডপসজ্জা হয়েছে।
আলোকসজ্জায় অন্যক্লাবগুলিকে টক্কর দিয়েছে ধূপগুড়ির শান্তি সঙ্ঘ। স্থানীয় শিল্পীর তৈরি মূর্তি সহ বঙ্গজননী থিম তৈরি করে নজর কেড়েছে তাদের ৬৬তম শ্যামাপুজো। মণ্ডপের ভিতর থেকে মৃদু আলো গোটা থিমকে অনবদ্য করে তুলেছে। মণ্ডপের ভিতর পাট দিয়ে কারুকার্য চমক এনেছে। স্থানীয় শিল্পী দয়াল পালের গড়া শ্যামামায়ের মূর্তিটি দর্শনার্থীদের প্রশংসা পেয়েছে। কালীপুজোর দিন ততটা ভিড় না হলেও শনিবার তিল ধারনের জায়গা ছিল না সেখানে। ভিড় নিয়ন্ত্রণে সতর্ক রয়েছে ধূপগুড়ি ট্রাফিক পুলিস। করা হয়েছে ছ’টি নো-এন্ট্রি জোন। এছাড়াও ধূপগুড়ির ডাকবাংলো মাঠে মেলায় লাগানো হয়েছে অসংখ্য সিসিক্যামেরা। সব মিলিয়ে ধূপগুড়ি এবারও জমজমাট।
২৯তম বর্ষে মণ্ডপের ভিতরের অংশ বানানো হয়েছে পিতলের সামগ্রী ব্যবহার করে। শ্যামামায়ের তিনরকম মূর্তি গড়েছেন স্থানীয় শিল্পী শ্রীবাস পাল। মাটি দিয়ে গড়া প্রতিমা দেখে মনে হচ্ছে যেন পিতলের তৈরি। ঝা চকচকে আলো নয়, নবদ্বীপের হাল্কা সোনালি আলো অন্দরমহলকে করেছে আরও সুন্দর। ময়নাগুড়ি থেকে এসে নেতাজিপাড়ার ঠাকুর দেখে অভিভূত বনি দে। উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলার গবেষক ছাত্রীর কথায়, মণ্ডপের কারুকার্যর সঙ্গে রংয়ের খেলা এক কথায় অনবদ্য। এতটা পথ আসা সার্থক। ক্লাব সম্পাদক পবিত্র পাল বলেন, প্রায় ২৫ লক্ষ টাকা বাজেটে পুজো হয়েছে। নবদ্বীপের শিল্পীদের নিয়ে এসে পিতল দিয়ে মণ্ডপসজ্জা হয়েছে।
আলোকসজ্জায় অন্যক্লাবগুলিকে টক্কর দিয়েছে ধূপগুড়ির শান্তি সঙ্ঘ। স্থানীয় শিল্পীর তৈরি মূর্তি সহ বঙ্গজননী থিম তৈরি করে নজর কেড়েছে তাদের ৬৬তম শ্যামাপুজো। মণ্ডপের ভিতর থেকে মৃদু আলো গোটা থিমকে অনবদ্য করে তুলেছে। মণ্ডপের ভিতর পাট দিয়ে কারুকার্য চমক এনেছে। স্থানীয় শিল্পী দয়াল পালের গড়া শ্যামামায়ের মূর্তিটি দর্শনার্থীদের প্রশংসা পেয়েছে। কালীপুজোর দিন ততটা ভিড় না হলেও শনিবার তিল ধারনের জায়গা ছিল না সেখানে। ভিড় নিয়ন্ত্রণে সতর্ক রয়েছে ধূপগুড়ি ট্রাফিক পুলিস। করা হয়েছে ছ’টি নো-এন্ট্রি জোন। এছাড়াও ধূপগুড়ির ডাকবাংলো মাঠে মেলায় লাগানো হয়েছে অসংখ্য সিসিক্যামেরা। সব মিলিয়ে ধূপগুড়ি এবারও জমজমাট।



