সংবাদদাতা, কালনা: চাষিদের থেকে সহায়কমূল্যে ধান কেনার প্রক্রিয়া ঘুরে দেখলেন কালনার মহকুমা শাসক শুভম আগরওয়াল। বৃহস্পতিবার কালনা-২ ব্লকের জিউধারা কিষাণ মাণ্ডি ও মন্তেশ্বর ব্লকে ধান কেনার সময় হাজির হয়ে তিনি চাষিদের সঙ্গে কথা বলেন। চাষিদের কোনও অভিযোগ আছে কিনা জানতে চান। কালনার মাণ্ডিতে এক চাষি বলেন, মাণ্ডিতে গাড়ি করে ধান আনার খরচ হিসেবে কুইন্টাল প্রতি অতিরিক্ত ২০ টাকা করে দেওয়া হলেও তা পর্যাপ্ত নয়। আরও কিছু টাকা বাড়ানোর দাবি তোলেন তিনি। মন্তেশ্বরে কয়েকজন চাষি ধান বেশি বাদ দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ তোলেন।
Advertisement
কালনা-২ ব্লকে কিষান মাণ্ডি, সিঙ্গারকোণে শিবির ও একটি ভ্রাম্যমাণ ক্রয়কেন্দ্র-তিন জায়গায় কুইন্টাল প্রতি ২৩০০টাকা সহায়কমূল্যে ধান কেনা শুরু করেছে রাজ্য সরকার। ভ্রাম্যমাণ কেন্দ্র ছাড়া দু’টি শিবিরে এসে ধান বিক্রি করলে চাষিরা কুইন্টাল প্রতি অতিরিক্ত ২০ টাকা করে পান।
বৃহস্পতিবার মহকুমা শাসক কালনা জিউধারা কিষাণ মাণ্ডিতে হাজির হন। সেখানে কালনার পাথরঘাটার চাষি জয়ন্ত রক্ষিত ৩০ কুইন্টাল ধান বিক্রি করেছেন। তিনি বলেন, তাঁর কাছ থেকে ঘাটতি বাবদ কোনও ধান বাদ দেওয়া হয়নি। তিনি ধান বিক্রিতে কোনও সমস্যার মুখে পড়েননি। মহকুমা শাসক ওই ক্রয়কেন্দ্রের কাগজপত্র খতিয়ে দেখেন। ওই ক্রয়কেন্দ্র থেকে জানানো হয়, এখনও পর্যন্ত ১০০০চাষির থেকে ৪৫৩৮ মেট্রিক টন ধান কেনা হয়েছে। ধারাবাহিকভাবে ধান কেনা চলবে।এরপরই মহকুমা শাসক মন্তেশ্বর ব্লকে ধান ক্রয়কেন্দ্রে যান। সেখানে কয়েকজন চাষি অভিযোগ তোলেন, ধান ভিজে আছে বলে তাঁদের বেশি ধান বাদ দেওয়া হচ্ছে। মহকুমা শাসক সঙ্গে সঙ্গে বিষয়টি আধিকারিকদের দেখতে বলেন। কোনওভাবেই চাষিদের থেকে বেশি ধান বাদ দেওয়া যাবে না বলে জানিয়ে দেন।
মহকুমা শাসক বলেন, মহকুমায় ৯৭হাজার মেট্রিক টন ধান কেনার লক্ষ্যমাত্রা দেওয়া হয়েছে। এখনও পর্যন্ত ২৪ শতাংশ ধান কেনা হয়েছে। আশা করি, লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে। চাষিদের ধান বিক্রির ক্ষেত্রে তেমন কোনও অভিযোগ নেই। মন্তেশ্বরে কয়েকজন চাষি বেশি ধান বাদ দেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন।
বৃহস্পতিবার মহকুমা শাসক কালনা জিউধারা কিষাণ মাণ্ডিতে হাজির হন। সেখানে কালনার পাথরঘাটার চাষি জয়ন্ত রক্ষিত ৩০ কুইন্টাল ধান বিক্রি করেছেন। তিনি বলেন, তাঁর কাছ থেকে ঘাটতি বাবদ কোনও ধান বাদ দেওয়া হয়নি। তিনি ধান বিক্রিতে কোনও সমস্যার মুখে পড়েননি। মহকুমা শাসক ওই ক্রয়কেন্দ্রের কাগজপত্র খতিয়ে দেখেন। ওই ক্রয়কেন্দ্র থেকে জানানো হয়, এখনও পর্যন্ত ১০০০চাষির থেকে ৪৫৩৮ মেট্রিক টন ধান কেনা হয়েছে। ধারাবাহিকভাবে ধান কেনা চলবে।এরপরই মহকুমা শাসক মন্তেশ্বর ব্লকে ধান ক্রয়কেন্দ্রে যান। সেখানে কয়েকজন চাষি অভিযোগ তোলেন, ধান ভিজে আছে বলে তাঁদের বেশি ধান বাদ দেওয়া হচ্ছে। মহকুমা শাসক সঙ্গে সঙ্গে বিষয়টি আধিকারিকদের দেখতে বলেন। কোনওভাবেই চাষিদের থেকে বেশি ধান বাদ দেওয়া যাবে না বলে জানিয়ে দেন।
মহকুমা শাসক বলেন, মহকুমায় ৯৭হাজার মেট্রিক টন ধান কেনার লক্ষ্যমাত্রা দেওয়া হয়েছে। এখনও পর্যন্ত ২৪ শতাংশ ধান কেনা হয়েছে। আশা করি, লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে। চাষিদের ধান বিক্রির ক্ষেত্রে তেমন কোনও অভিযোগ নেই। মন্তেশ্বরে কয়েকজন চাষি বেশি ধান বাদ দেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন।



