সংবাদদাতা, কালনা: মোবাইল কিনে না দেওয়ায় অভিমানে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আত্মঘাতী হল অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রী। তার বাড়ি কালনা থানার ধাত্রীগ্রামের বেলকুলি গ্রামে। শুক্রবার কালনা মহকুমা হাসপাতালে মৃতদেহ ময়নাতদন্ত করা হয়।
Advertisement
মৃতার বাবা মনোজ বিশ্বাস বলেন, মেয়ে মোবাইল কিনে দেওয়ার জন্য বায়না ধরে ছিল। মাধ্যমিক পাশ করার পর মোবাইল কিনে দেব বলেছিলাম। ২৮ অক্টোবর আমি কাজে চলে যাই। ওর মা ঘরে ছিল না। সন্ধ্যায় মেয়ে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন লাগিয়ে দেয়। আগুন নিভিয়ে তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় কালনা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কয়েকদিন চিকিৎসাধীন থাকার পর বাড়িতেই তার চিকিৎসা চলছিল। শুক্রবার ভোরে অবস্থার অবনতি হলে কালনা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত বলে জানায়। মোবাইল কিনে না দেওয়ায় মেয়ে যে এমন সিদ্ধান্ত নেবে ভাবতেই পারছি না।
অন্যদিকে, খেতমজুরের কাজে গিয়ে ফেরার পথে কালনা-ব্যাণ্ডেল শাখার বেহুলা স্টেশনের কাছে ট্রেনের ধাক্কায় মৃত্যু হয় এক প্রৌঢ়ার। মৃতার নাম কৌশল্যা মণ্ডল(৫৬)। বাড়ি কালনা থানার কৃষ্ণদেবপুরে। পরিবারের দাবি, বৃহস্পতিবার রেল লাইনের ধার দিয়ে হেঁটে আসার সময় ট্রেনের ধাক্কায় মৃত্যু হয় তাঁর। কালনা জিআরপি মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কালনা হাসপাতালে পাঠায়।এদিকে, শারীরিক রোগযন্ত্রণা থেকে মুক্তি পেতে শুক্রবার সকালে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মঘাতী হলেন এক বৃদ্ধ। মৃতের নাম সহদেব কীর্তনীয়া(৬৪)। বাড়ি পূর্বস্থলী থানার সিংহারি গ্রামে।
অন্যদিকে, খেতমজুরের কাজে গিয়ে ফেরার পথে কালনা-ব্যাণ্ডেল শাখার বেহুলা স্টেশনের কাছে ট্রেনের ধাক্কায় মৃত্যু হয় এক প্রৌঢ়ার। মৃতার নাম কৌশল্যা মণ্ডল(৫৬)। বাড়ি কালনা থানার কৃষ্ণদেবপুরে। পরিবারের দাবি, বৃহস্পতিবার রেল লাইনের ধার দিয়ে হেঁটে আসার সময় ট্রেনের ধাক্কায় মৃত্যু হয় তাঁর। কালনা জিআরপি মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কালনা হাসপাতালে পাঠায়।এদিকে, শারীরিক রোগযন্ত্রণা থেকে মুক্তি পেতে শুক্রবার সকালে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মঘাতী হলেন এক বৃদ্ধ। মৃতের নাম সহদেব কীর্তনীয়া(৬৪)। বাড়ি পূর্বস্থলী থানার সিংহারি গ্রামে।



