নিজস্ব প্রতিনিধি, বর্ধমান: কালনায় জাল এসটি সার্টিফিকেট তৈরির একটি বড়সড় চক্রের হদিশ প্রশাসন পেয়েছে। নতুন করে ওই এলাকায় আরও ২৫জনের এসটি সার্টিফিকেট বাতিল করেছে। তারা ভুয়ো নথি দিয়ে সার্টিফিকেটগুলি তৈরি করেছিল। অভিযোগ পাওয়ার পর প্রশাসন তা নিয়ে তদন্ত করে। নথি দেখে আধিকারিকদের চোখ কপালে ওঠে। চক্রে সরকারি কর্মীদের কেউ যুক্ত রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আধিকারিকদের দাবি, সর্ষের মধ্যে ভূত না থাকলে এমনটা হতে পারে না। উপযুক্ত নথি থাকার পরেও এসটি সার্টিফিকেট পেতে বহুজনের কালঘাম ছুটে যায়। আবেদন করার পর বছর গড়িয়ে যায়। সেখানে জাল নথি দিয়ে কীভাবে সার্টিফিকেটগুলি তৈরি হলে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
Advertisement
পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসক আয়েশা রানি এ বলেন, আর কোথাও এরকম হয়েছে কি না, তা তদন্ত করে দেখার জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরের আধিকারিকদের বলা হয়েছে। যারা এসব কাজে যুক্ত, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, কয়েক দিন আগেও ছ’জনের এসটি সার্টিফিকেট প্রশাসন বাতিল করেছে। সেগুলি একটি পরিবারের ছিল। তাদের মধ্যে একজন বাম আমলে সার্টিফিকেট তৈরি করেছিল। সেই সময় থেকেই চক্রটি সক্রিয় রয়েছে বলে অনেকেই মনে করছেন।
পূর্ব বর্ধমান জেলাপরিষদের প্রাক্তন সভাধিপতি দেবু টুডু বলেন, যারা এরকম অনৈতিক কাজ করেছে প্রশাসন তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে। আমাদের সরকার এসটি, এসটিদের জন্য অনেক প্রকল্প এনেছে। একটি অসাধু চক্র ফায়দা তোলার জন্য ভুয়ো এসটি সার্টিফিকেট তৈরি করেছে। আমরাও তাদের চিহ্নিত করার চেষ্টা চালাচ্ছি। যারা ভুয়ো সার্টিফিকেট তৈরি করেছিল তারা নিশ্চয়ই কোনও না কোনও সরকারি সুবিধা নিয়েছে। সেগুলি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া দরকার। কেউ ভুয়ো এসটি সার্টিফিকেট দেখিয়ে চাকরি পেলে, তা বাতিল হবে।
প্রশাসন সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, জেলায় এখনও বহু এসসি, এসটি পরিবারের কাছে সার্টিফিকেট নেই। কোথায় কীভাবে আবেদন করতে হবে, তা অনেকের জানা নেই। তাঁদের সার্টিফিকেট দেওয়ার জন্য জেলা প্রশাসন বিশেষ অভিযানে নামছে। বিভিন্ন এলাকায় ক্যাম্প করা হবে। প্রয়োজনে সরকারি কর্মীরা বাড়ি বাড়ি যাবেন। সার্টিফিকেট না থাকলে প্রয়োজনীয় নথি দেখে তড়িঘড়ি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আরএক আধিকারিক বলেন, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পে বেশি টাকা পাওয়ার জন্য অনেকেই ভুয়ো এসসি এবং এসটি সার্টিফিকেট তৈরির চেষ্টা করেছে। অতীতে অনেকেরই এধরনের প্রচেষ্টা ব্যর্থ করা হয়েছে। তারপরও কেউ কেউ ভুয়ো সার্টিফিকেট নিয়ে সুবিধা পেয়েছে। এবার তাদের সার্টিফিকেট বাতিল করতেও আধিকারিকরা অভিযানে নেমেছেন। কালনায় আরও বেশ কয়েকজনের সার্টিফিকেট বাতিল হতে চলেছে। জেলায় আর কোথায় কোথায় জাল ছড়িয়ে রয়েছে, সেটা খতিয়ে দেখার জন্যও তদন্ত চলছে।
প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, কয়েক দিন আগেও ছ’জনের এসটি সার্টিফিকেট প্রশাসন বাতিল করেছে। সেগুলি একটি পরিবারের ছিল। তাদের মধ্যে একজন বাম আমলে সার্টিফিকেট তৈরি করেছিল। সেই সময় থেকেই চক্রটি সক্রিয় রয়েছে বলে অনেকেই মনে করছেন।
পূর্ব বর্ধমান জেলাপরিষদের প্রাক্তন সভাধিপতি দেবু টুডু বলেন, যারা এরকম অনৈতিক কাজ করেছে প্রশাসন তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে। আমাদের সরকার এসটি, এসটিদের জন্য অনেক প্রকল্প এনেছে। একটি অসাধু চক্র ফায়দা তোলার জন্য ভুয়ো এসটি সার্টিফিকেট তৈরি করেছে। আমরাও তাদের চিহ্নিত করার চেষ্টা চালাচ্ছি। যারা ভুয়ো সার্টিফিকেট তৈরি করেছিল তারা নিশ্চয়ই কোনও না কোনও সরকারি সুবিধা নিয়েছে। সেগুলি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া দরকার। কেউ ভুয়ো এসটি সার্টিফিকেট দেখিয়ে চাকরি পেলে, তা বাতিল হবে।
প্রশাসন সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, জেলায় এখনও বহু এসসি, এসটি পরিবারের কাছে সার্টিফিকেট নেই। কোথায় কীভাবে আবেদন করতে হবে, তা অনেকের জানা নেই। তাঁদের সার্টিফিকেট দেওয়ার জন্য জেলা প্রশাসন বিশেষ অভিযানে নামছে। বিভিন্ন এলাকায় ক্যাম্প করা হবে। প্রয়োজনে সরকারি কর্মীরা বাড়ি বাড়ি যাবেন। সার্টিফিকেট না থাকলে প্রয়োজনীয় নথি দেখে তড়িঘড়ি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আরএক আধিকারিক বলেন, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পে বেশি টাকা পাওয়ার জন্য অনেকেই ভুয়ো এসসি এবং এসটি সার্টিফিকেট তৈরির চেষ্টা করেছে। অতীতে অনেকেরই এধরনের প্রচেষ্টা ব্যর্থ করা হয়েছে। তারপরও কেউ কেউ ভুয়ো সার্টিফিকেট নিয়ে সুবিধা পেয়েছে। এবার তাদের সার্টিফিকেট বাতিল করতেও আধিকারিকরা অভিযানে নেমেছেন। কালনায় আরও বেশ কয়েকজনের সার্টিফিকেট বাতিল হতে চলেছে। জেলায় আর কোথায় কোথায় জাল ছড়িয়ে রয়েছে, সেটা খতিয়ে দেখার জন্যও তদন্ত চলছে।



