সংবাদদাতা, কালনা: কালনা পুরসভা সংলগ্ন ভাগীরথী নদীর চরে গড়ে উঠবে ইকো বায়োডায়ভারসিটি পার্ক। মঙ্গলবার জেলা ও রাজ্যস্তরের এক প্রতিনিধি দল নদী ও স্থলপথে এলাকা পরিদর্শন করলেন। এলাকার পরিবেশ দেখে খুশি প্রতিনিধি দল। ফিরে গিয়ে তাঁরা দ্রুত ডিপিআর তৈরি করবেন বলে জানিয়েছেন। উপস্থিত ছিলেন পরিবেশবিদ অনির্বাণ রায়, জেলা পরিবেশ দপ্তরের কোঅর্ডিনেটর অরূপ মাঝি, ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট কৃষ্ণচন্দ্র মুণ্ডা, কালনা পুরসভার চেয়ারম্যান আনন্দ দত্ত প্রমুখ।
Advertisement
কালনা শহর সংলগ্ন ভাগীরথী নদীর তীরে রয়েছে দীর্ঘ কয়েক একর এলাকা জুড়ে গাছগাছালি, নদীর চর ও ছাড়িগঙ্গা। এই বিস্তীর্ণ নদীর চরে ইকো-বায়োডায়ভারসিটি পার্ক গড়ার পরিকল্পনা শুরু হয়েছে। নদীর চর ও জল পথকে কয়েকটি জোনে ভাগ করে নদীপথ, কৃষিক্ষেত্র, ফলের বাগান, পাখিরালয়, বাটার ফ্লাই জোন ও পর্যটকদের কটেজ সহ বিনোদনের নানা পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। পাঁচ কোটি টাকা ব্যয়ে গড়ে উঠবে ইকো-বায়োডায়ভারসিটি পার্ক। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে এলাকার সামাজিক প্রেক্ষাপট বদলে যাবে। পর্যটকদের আকর্ষণ বাড়বে। বাড়বে কর্মসংস্থানের সুযোগও। সেই পরিকল্পনার ডিপিআর তৈরিতে মঙ্গলবার সরকারিভাবে পরিবেশ দপ্তর ও ইঞ্জিনিয়াররা নদী ও স্থলপথে এলাকা ঘুরে দেখেন।
জেলা পরিবেশ দপ্তরের কো-অর্ডিনেটর বলেন, সমস্তটাই পরিকল্পনার মধ্যে রয়েছে। ডিপিআর তৈরির কাজ চলছে। এই পার্ক গড়ে উঠলে পরিবেশ রক্ষার পাশাপাশি পর্যটকদের কাছে তা আকর্ষণীয় হয়ে উঠবে।চেয়ারম্যান বলেন, সরকার কয়েক একর জায়গা জুড়ে ইকো-বায়োডায়ভারসিটি পার্ক তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে। এদিন পরিবেশ দপ্তরের আধিকারিক ও ইঞ্জিনিয়াররা এলাকা পরিদর্শনে এসেছিলেন। ডিপিআর তৈরির কাজ চলছে।
জেলা পরিবেশ দপ্তরের কো-অর্ডিনেটর বলেন, সমস্তটাই পরিকল্পনার মধ্যে রয়েছে। ডিপিআর তৈরির কাজ চলছে। এই পার্ক গড়ে উঠলে পরিবেশ রক্ষার পাশাপাশি পর্যটকদের কাছে তা আকর্ষণীয় হয়ে উঠবে।চেয়ারম্যান বলেন, সরকার কয়েক একর জায়গা জুড়ে ইকো-বায়োডায়ভারসিটি পার্ক তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে। এদিন পরিবেশ দপ্তরের আধিকারিক ও ইঞ্জিনিয়াররা এলাকা পরিদর্শনে এসেছিলেন। ডিপিআর তৈরির কাজ চলছে।



