সংবাদদাতা কালনা: মঙ্গলবার কালনা মহকুমা হাসপাতালের মর্গ থেকে ময়নাতদন্তে ব্যবহৃত সরঞ্জাম উধাও। ময়নাতদন্তের সরঞ্জাম না পেয়ে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক হাসপাতাল সুপারের দারস্থ হন। মর্গে পরিজনের দেহ ময়নাতদন্ত করতে আসা বাড়ির লোকজন উত্তেজিত হয়ে পড়েন। এরপরই নড়েচড়ে বসে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। তড়িঘড়ি নতুন করে কিনে আনা হয় হাতুড়ি সহ অন্য সরঞ্জাম। শুরু হয় মৃতদেহের ময়নাতদন্ত।
Advertisement
কালনা হাসপাতালে মহকুমার চারটি থানা এলাকার দেহ ময়নাতদন্তে পাঠায় পুলিস। এই হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য কোনও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক নেই। হাসপাতালে থাকা চিকিৎসকরাই ময়নাতদন্ত করেন। নেই স্থায়ী ডোম। অস্থায়ীভাবে দু’জন ডোম কাজ করেন। মঙ্গলবার পুলিস দু’টি মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কালনা হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। ময়নাতদন্ত করতে গিয়ে চিকিৎসক দেখেন, দেহ কাটার জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম নেই। এরপরই ওই চিকিৎসক হাসপাতাল সুপারের দারস্থ হন। এরপর তড়িঘড়ি কিনে আনা হয় হাতুড়ি সহ অন্যান্য সরঞ্জাম। তারপরই ময়নাতদন্ত শেষ করেন চিকিৎসক। এই হাসপাতালের মর্গ চত্বরে শৌচাগার থাকলেও তাতে জলের ব্যবস্থা ও আলো নেই। পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা নিয়েও মর্গে আসা মৃতের আত্মীয় পরিজনরা এদিন ক্ষোভ প্রকাশ করেন। হাসপাতালের সহকারী সুপার গৌতম বিশ্বাস বলেন, চাহিদা অনুযায়ী ময়নাতদন্তে ব্যবহৃত সরঞ্জাম দেওয়া হয়। ওই সরঞ্জাম মর্গের ডোমেদের হেফাজতেই থাকে। ওরাই মৃতদেহের সঙ্গে ভুল করে সরঞ্জাম সেলাই করে দিয়ে দিয়েছে। হাসপাতালের স্টোরেও সরঞ্জাম মজুত আছে। এদিন বাইরে থেকেই কিনে আনা হয়। মর্গ চত্বর পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা, শৌচাগারে জল ও আলোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ময়না দন্তের ঘরটিও সংস্কার করা হবে।



