সংবাদদাতা, কালনা: আরজি কর কাণ্ডের পর কালনা সুপার স্পেশালিটি ও মহকুমা হাসপাতালের নিরাপত্তা জোরদার করতে বসানো হয় ৫০টি সিসি ক্যামেরা। পুরানো ও নতুন সিসি ক্যামেরা মিলিয়ে ৮৪টি ক্যামেরায় মুড়ে ফেলা হয় দুটি হাসপাতাল চত্বর। কিন্তু, নজরদারি সত্ত্বেও মহকুমা হাসপাতাল চত্বর থেকে চুরি গেল সিসি ক্যামেরাই। যা নিয়ে বুধবার সকালে হাসপাতাল চত্বরে চাঞ্চল্য ছড়ায়।
Advertisement
সাড়ে আট একর জায়গা জুড়ে রয়েছে কালনা সুপার স্পেশালিটি ও মহকুমা হাসপাতাল। বিশাল এলাকার মধ্যে চিকিৎসা পরিষেবা ভবন ছাড়া বহু জায়গা ও পরিত্যক্ত ভবন পড়ে রয়েছে। আগে থেকেই হাসপাতাল চত্বরে ৩৪টি সিসি ক্যামেরা ছিল। আরজি কর কাণ্ডের পর দুটি হাসপাতালের নিরাপত্তা জোরদার করতে আরও ৫০টি নতুন সিসি ক্যামেরা বসানো হয়। হাসপাতাল থেকে সিভিক ভলান্টিয়ারদের সরিয়ে পুলিস মোতায়েন করা হয়। কয়েকটি জায়গায় বসানো হয় কোলাপসিবল গেট। হাসপাতাল চত্বরে রয়েছে একটি পুলিস ক্যাম্প। আর সেই পুলিস ক্যাম্পের উল্টো দিকেই পুরানো প্যাথলজি চত্বরে থাকা একটি সিসি ক্যামেরা বুধবার সকাল থেকে দেখা যাচ্ছে না।
হাসপাতালের আউটডোরে দেখানোর পর রোগীরা চিকিৎসকের প্রেসকিপশন লেখা বিনামূল্যে ওষুধ না পাওয়ার অভিযোগ করছেন। শিশুদের জ্বরের সিরাপ সহ অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ মিলছে না বলে রোগীর আত্মীয়দের দাবি। হাসপাতালের সহকারী সুপার গৌতম বিশ্বাস বলেন, পুরানো প্যাথলজি রুমের কাছে একটি সিসি ক্যামেরা ছিল। সেটি দেখতে পাওয়া যাচ্ছে না। সিসি ক্যামেরার খোঁজ চলছে। হাসপাতালের অন্যান্য সিসি ক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কয়েকটি ওষুধ সাপ্লাই কম রয়েছে। আশাকরি শীঘ্রই সমস্যা মিটে যাবে।
হাসপাতালের আউটডোরে দেখানোর পর রোগীরা চিকিৎসকের প্রেসকিপশন লেখা বিনামূল্যে ওষুধ না পাওয়ার অভিযোগ করছেন। শিশুদের জ্বরের সিরাপ সহ অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ মিলছে না বলে রোগীর আত্মীয়দের দাবি। হাসপাতালের সহকারী সুপার গৌতম বিশ্বাস বলেন, পুরানো প্যাথলজি রুমের কাছে একটি সিসি ক্যামেরা ছিল। সেটি দেখতে পাওয়া যাচ্ছে না। সিসি ক্যামেরার খোঁজ চলছে। হাসপাতালের অন্যান্য সিসি ক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কয়েকটি ওষুধ সাপ্লাই কম রয়েছে। আশাকরি শীঘ্রই সমস্যা মিটে যাবে।



