নিজস্ব প্রতিনিধি, শিলিগুড়ি ও সংবাদদাতা, দার্জিলিং: মেঘমুক্ত আকাশ। সঙ্গে কনকনে ঠান্ডা হাওয়া। এমন আবহাওয়ায় বড়দিনের আগে বৃহস্পতিবার মেলো টি ফেস্টিভালের উদ্বোধন ঘিরে দার্জিলিং পাহাড়ে তৈরি হয়েছে বড়দিন ও ইংরেজি নতুন বর্ষের আমেজ। ঐক্য র্যালি থেকে ব্যান্ডের তালে গান। তাতে শামিল হন বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধি, সামাজিক সংগঠনের সদস্য ও পর্যটকরা। বৃহস্পতিবার কলকাতা থেকে ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠানে শামিল হন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করে পাহাড়বাসীকে ইংরেজি নতুন বছর ও বড়দিনের আগাম শুভেচ্ছা জানান। সবমিলিয়ে পাহাড় ছিল জমজমাট।
Advertisement
দার্জিলিং পাহাড়ের পর্যটন শিল্পের বিকাশ ও বিকল্প কর্মসংস্থানের দিশা দিতেই মেলো টি ফেস্টিভালের আয়োজন করা হয়েছে। দার্জিলিং জেলা পুলিস ও জিটিএ যৌথভাবে এই উৎসব করছে। এজন্য এদিন দুপুরে মোটর স্ট্যান্ড থেকে চৌরাস্তা পর্যন্ত ঐক্য র্যালি করা হয়। তাতে গোর্খা, তামাং, লেপচা সহ বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিরা নিজস্ব পোশাক পরে ও বাদ্যযন্ত্র নিয়ে শামিল হন। তাঁরা নিজ নিজ ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি তুলে ধরেন। স্থানীয় বিভিন্ন ক্লাব ও সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।
র্যালির অন্যতম আকর্ষণ ছিল ১৯৫৪ সালের ১০টি ল্যান্ড রোভার কার। ম্যালে র্যালি শেষ হওয়ার পর উৎসবের আনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শ্রমমন্ত্রী মলয় ঘটক, জিটিএ’র চিফ এগজিকিউটিভ অনীত থাপা, দার্জিলিংয়ের জেলাশাসক প্রীতি গোয়েল, পুলিস সুপার প্রবীণ প্রকাশ প্রমুখ। সেই অনুষ্ঠান দেখতে ভিড় করেন পর্যটকরা। শ্রমমন্ত্রী জানান, পুলিস ও জিটিএ’র এই উদ্যোগ প্রশংসনীয়।
এতে পাহাড়ের পর্যটন শিল্পের আরও বিকাশ হবে বলেই আশা করছি।দুপুরের পর ম্যালে ঠান্ডার দাপট বাড়ে।
তা হলেও সন্ধ্যা থেকে সেখানে চলে ব্যান্ডের প্রদর্শনী। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন ব্যান্ডের প্রতিযোগিতায় স্থানীয় কয়েকটি দল অংশ নেয়। সাত জন প্রতিযোগী একক গান করেন। এর বাইরে এদিন প্রদর্শন করে ইউরোপের একটি ব্যান্ড। পর্যটকরা বলেন, বড়দিন ও নতুন বছরের আগে এই উৎসব পাহাড়ে অন্যমাত্রা যোগ করেছে। যা পাহাড়ের রূপটাই পাল্টে দিয়েছে। ঠান্ডার কামড় থাকলেও ব্যান্ডের প্রদর্শনী উপভোগ করছি।
আগামী ২২ ডিসেম্বর পর্যন্ত উৎসব চলবে। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, উৎসবের অন্যতম অঙ্গ শর্ট ফ্লিম ফেস্টিভাল। শুক্রবার ও শনিবার গোর্খা রাঙ্গা মঞ্চে শর্ট ফিল্ম ফেস্টিভাল হবে। এর সঙ্গে নেপালি ব্যান্ড, ইংলিশ ব্যান্ড প্রতিযোগিতা, ম্যারাথন, ট্রেকিং প্রভৃতি থাকবে।
র্যালির অন্যতম আকর্ষণ ছিল ১৯৫৪ সালের ১০টি ল্যান্ড রোভার কার। ম্যালে র্যালি শেষ হওয়ার পর উৎসবের আনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শ্রমমন্ত্রী মলয় ঘটক, জিটিএ’র চিফ এগজিকিউটিভ অনীত থাপা, দার্জিলিংয়ের জেলাশাসক প্রীতি গোয়েল, পুলিস সুপার প্রবীণ প্রকাশ প্রমুখ। সেই অনুষ্ঠান দেখতে ভিড় করেন পর্যটকরা। শ্রমমন্ত্রী জানান, পুলিস ও জিটিএ’র এই উদ্যোগ প্রশংসনীয়।
এতে পাহাড়ের পর্যটন শিল্পের আরও বিকাশ হবে বলেই আশা করছি।দুপুরের পর ম্যালে ঠান্ডার দাপট বাড়ে।
তা হলেও সন্ধ্যা থেকে সেখানে চলে ব্যান্ডের প্রদর্শনী। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন ব্যান্ডের প্রতিযোগিতায় স্থানীয় কয়েকটি দল অংশ নেয়। সাত জন প্রতিযোগী একক গান করেন। এর বাইরে এদিন প্রদর্শন করে ইউরোপের একটি ব্যান্ড। পর্যটকরা বলেন, বড়দিন ও নতুন বছরের আগে এই উৎসব পাহাড়ে অন্যমাত্রা যোগ করেছে। যা পাহাড়ের রূপটাই পাল্টে দিয়েছে। ঠান্ডার কামড় থাকলেও ব্যান্ডের প্রদর্শনী উপভোগ করছি।
আগামী ২২ ডিসেম্বর পর্যন্ত উৎসব চলবে। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, উৎসবের অন্যতম অঙ্গ শর্ট ফ্লিম ফেস্টিভাল। শুক্রবার ও শনিবার গোর্খা রাঙ্গা মঞ্চে শর্ট ফিল্ম ফেস্টিভাল হবে। এর সঙ্গে নেপালি ব্যান্ড, ইংলিশ ব্যান্ড প্রতিযোগিতা, ম্যারাথন, ট্রেকিং প্রভৃতি থাকবে।



