নিজস্ব প্রতিনিধি, বর্ধমান: কলকাতা থেকে বদলের ইঙ্গিত আসতেই পূর্ব বর্ধমানে তৃণমূলের অন্দরমহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। লোকসভা নির্বাচনে দল প্রত্যাশিত ফল করেছে। দু’টি লোকসভা কেন্দ্রেই শাসক দল জয়ী হয়েছে। কিন্তু, অনেক প্রভাবশালীর এলাকাতেই তৃণমূল পিছিয়ে গিয়েছে। তাদের মধ্যে কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক পদে রয়েছেন। দলের ফর্মুলা মানলে তাঁদের অনেককেই সরতে হতে পারে।
Advertisement
তৃণমূল সূত্রে জানা গিয়েছে, সহযোগী সংস্থার কর্মীরা প্রতিটি এলাকায় সমীক্ষা করেছেন। কোন নেতার ভাবমূর্তি কেমন, লোকসভা নির্বাচনে তাদের ভূমিকা কী ছিল, প্রশাসনিক পদে বসার পর তাদের ভোল কতটা বদলেছে, এসমস্ত যাবতীয় তথ্য তারা জোগাড় করে। সেই রিপোর্ট জমা পড়েছে। তারপরই রদবদলের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। কয়েকজন নেতা নেত্রী একাধিক পদে রয়েছেন। তাঁদের একটি দায়িত্বই দেওয়া হবে।
দীর্ঘদিন ধরে যে ব্লকে সভাপতি বদল হয়নি সেখানেও নতুন মুখ আনা হতে পারে। সম্প্রতি জেলার কয়েকজন নেতা বিতর্কে জড়ান। তাঁদের ‘মার্কশিট’ও তৈরি করা হয়েছে। সাংগঠনিক রদবদলের কোনও সুপারিশ কাজ করবে না। সংস্থার বিচারে যাঁরা পাশ করেছেন, তাঁরাই পদে থাকবেন। ব্যর্থদের ব্যাকবেঞ্চে ঠেলে দেওয়া হবে।
দলের আর এক নেতা বলেন, পদ পাইয়ে দেওয়ার নাম করে একটি চক্র ফায়দা তোলার চেষ্টা করছে। তারা বিভিন্নজনকেই টোপ দিচ্ছে। কিন্তু, এসব কাজে আসবে না। সংগঠনের রদবদলের পাশাপাশি প্রশাসনিকস্তরেও কয়েকটি জায়গায় নতুন মুখ আসতে চলেছে। লোকসভা নির্বাচনের পর প্রতিটি পুরসভায় গিয়ে সহযোগী সংস্থার কর্মীরা পদাধিকারীদের কাজ নিয়ে তথ্য জোগাড় করেছেন। পঞ্চায়েত প্রধানরাও আতশকাচের নীচে ছিলেন। ২০২৬ সালকে সামনে রেখেই সংগঠন সাজানো হচ্ছে। সামনের বছরের ফেব্রুয়ারি মাস থেকেই বিধানসভা নির্বাচনের জন্য জোরদার প্রস্তুতিতে নামা হবে। তৃণমূল নেতা দেবু টুডু বলেন, সংগঠনের বিষয়ে শীর্ষ নেতৃত্বই সিদ্ধান্ত নেবে।
দলীয় সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, বিধানসভা নির্বাচনের প্রার্থী বাছাইয়ের প্রক্রিয়াও সামনের বছরের গোড়া থেকেই শুরু হবে। কাজের নিরিখেই টিকিট বণ্টন হবে। যাঁদের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল রয়েছে, তাঁদের নিয়ে সমস্যা নেই। কিন্তু, কয়েক বছরে সংগঠনের কথা না ভেবে যাঁরা নিজেদের আখের গুছিয়েছেন, তাঁদের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্নচিহ্ন রয়েছে। কয়েকটি এলাকায় ব্লক সভাপতিদের সঙ্গে বিধায়কদের দূরত্ব রয়েছে। তাঁদের মধ্যে দ্বন্দ্ব বেশ কয়েকবার প্রকাশ্যে এসেছে। ওই এলাকাগুলিতেও দল বিশেষ নজর দিয়েছে। গোষ্ঠী কোন্দল কোনওভাবেই মেনে নেওয়া হবে না, তা সাংগঠনিক রদবলের মাধ্যমে বুঝিয়ে দেওয়া বলে নেতৃত্বের দাবি। বারবার সতর্ক করার পরও যারা পিছু হটেনি, তাদের সরানো হবে।
দীর্ঘদিন ধরে যে ব্লকে সভাপতি বদল হয়নি সেখানেও নতুন মুখ আনা হতে পারে। সম্প্রতি জেলার কয়েকজন নেতা বিতর্কে জড়ান। তাঁদের ‘মার্কশিট’ও তৈরি করা হয়েছে। সাংগঠনিক রদবদলের কোনও সুপারিশ কাজ করবে না। সংস্থার বিচারে যাঁরা পাশ করেছেন, তাঁরাই পদে থাকবেন। ব্যর্থদের ব্যাকবেঞ্চে ঠেলে দেওয়া হবে।
দলের আর এক নেতা বলেন, পদ পাইয়ে দেওয়ার নাম করে একটি চক্র ফায়দা তোলার চেষ্টা করছে। তারা বিভিন্নজনকেই টোপ দিচ্ছে। কিন্তু, এসব কাজে আসবে না। সংগঠনের রদবদলের পাশাপাশি প্রশাসনিকস্তরেও কয়েকটি জায়গায় নতুন মুখ আসতে চলেছে। লোকসভা নির্বাচনের পর প্রতিটি পুরসভায় গিয়ে সহযোগী সংস্থার কর্মীরা পদাধিকারীদের কাজ নিয়ে তথ্য জোগাড় করেছেন। পঞ্চায়েত প্রধানরাও আতশকাচের নীচে ছিলেন। ২০২৬ সালকে সামনে রেখেই সংগঠন সাজানো হচ্ছে। সামনের বছরের ফেব্রুয়ারি মাস থেকেই বিধানসভা নির্বাচনের জন্য জোরদার প্রস্তুতিতে নামা হবে। তৃণমূল নেতা দেবু টুডু বলেন, সংগঠনের বিষয়ে শীর্ষ নেতৃত্বই সিদ্ধান্ত নেবে।
দলীয় সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, বিধানসভা নির্বাচনের প্রার্থী বাছাইয়ের প্রক্রিয়াও সামনের বছরের গোড়া থেকেই শুরু হবে। কাজের নিরিখেই টিকিট বণ্টন হবে। যাঁদের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল রয়েছে, তাঁদের নিয়ে সমস্যা নেই। কিন্তু, কয়েক বছরে সংগঠনের কথা না ভেবে যাঁরা নিজেদের আখের গুছিয়েছেন, তাঁদের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্নচিহ্ন রয়েছে। কয়েকটি এলাকায় ব্লক সভাপতিদের সঙ্গে বিধায়কদের দূরত্ব রয়েছে। তাঁদের মধ্যে দ্বন্দ্ব বেশ কয়েকবার প্রকাশ্যে এসেছে। ওই এলাকাগুলিতেও দল বিশেষ নজর দিয়েছে। গোষ্ঠী কোন্দল কোনওভাবেই মেনে নেওয়া হবে না, তা সাংগঠনিক রদবলের মাধ্যমে বুঝিয়ে দেওয়া বলে নেতৃত্বের দাবি। বারবার সতর্ক করার পরও যারা পিছু হটেনি, তাদের সরানো হবে।



