Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

কুলিকে পিকনিক, মদ্যপান রুখতে পুলিসের দ্বারস্থ বনদপ্তর

কুলিকে পিকনিক, মদ্যপান রুখতে পুলিসের দ্বারস্থ বনদপ্তর
  • ২০ ডিসেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
নিজস্ব প্রতিনিধি, রায়গঞ্জ: কয়েকবছর আগে পর্যন্ত বড়দিন ও বর্ষবরণ উপলক্ষ্যে ঢালাও পিকনিকের আসর বসত কুলিক পক্ষীনিবাস ও আশপাশের চত্বরে। সেই অতীত থেকে শিক্ষা নিয়ে এবার কুলিক ফরেস্ট এলাকায় আগাম সতর্কতামূলক পদক্ষেপ করছে রায়গঞ্জ বনদপ্তর। বড়দিন, ইংরেজি নতুন বছরে যাতে কোনওভাবেই বনাঞ্চল লাগোয়া জায়গায় আগুন জ্বালিয়ে রান্নাবান্না, মদ খাওয়া, পিকনিকের আসর না বসে সে ব্যাপারে পুলিসের দ্বারস্থ হয়েছে বনদপ্তর। 
Advertisement
ইকো সেনসিটিভ জোন হিসেবে চিহ্নিত কুলিক ফরেস্টের আশপাশে মানুষের প্রবণতা থাকে বক্স বাজিয়ে পিকনিকের আসর বসানোর। যা নিয়ে আগেও বিভিন্ন সময় বনদপ্তরের সঙ্গে মতানৈক্য হয়েছে একশ্রেণির মানুষের সঙ্গে। সাইলেন্স জোন হিসেব চিহ্নিত কুলিক ফরেস্ট এলাকা গাড়ির হর্ন বাজানো, উৎসব অনুষ্ঠানে বক্স বা ডিজে সাউন্ড সিস্টেম বাজানোর মতো ঘটনা ঘটেছে। যা নিয়ে একদিকে বনদপ্তর অন্যদিকে পুলিসও বিড়ম্বনায় পড়েছে। বনাঞ্চলের পাশে একশ্রেণির মানুষের বেল্লেপনায় সরব হয়েছেন স্থানীয় পরিবেশপ্রেমীরাও। 
বছরের এই সময়টা বেশিরভাগ পাখি চলে গেলেও এখনও কিছু সংখ্যক পরিযায়ীর কুলিকে আনাগোনা রয়েছে। এছাড়াও সরীসৃপ সহ জলজ বন্যপ্রাণ রয়েছে এখানে। তাই এই আগাম ব্যবস্থাপনা। রায়গঞ্জের ডিএফও ভূপেন বিশ্বকর্মা বলেন, ২৫ ডিসেম্বর, ৩১ ডিসেম্বর ও ১ জানুয়ারিতে বনদপ্তরের নিয়মভঙ্গ যাতে না হয়, তার জন্য আমরা আগাম ব্যবস্থা নিয়েছি। রায়গঞ্জ থানার পুলিসকে পরিবেশ রক্ষা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে সতর্ক করেছি। যাতে বনাঞ্চল ও লাগোয়া এলাকায় অবাঞ্ছিতভাবে আগুন জ্বালিয়ে রান্নাবান্না ও গানবাজনা না হয়। কুলিক ফরেস্টে যাতে মদের আসর না বসে, সেটাও পুলিস প্রশাসনকে দেখতে বলা হয়েছে। 
উত্তর দিনাজপুর পিপলস ফর অ্যানিমেলসের অন্যতম সদস্য গৌতম তান্তিয়া বলেন, কয়েকবছর আগে পর্যন্ত দেদার পিকনিকের আসর বসত বনাঞ্চল ও লাগোয়া এলাকায়। কিন্তু বনদপ্তর পরিবেশ ও বন্যপ্রাণী রক্ষার স্বার্থে ইতিবাচকভাবে কঠোর মনোভাব নিয়ে পিকনিক রুখেছে। এতে আমরা খুশি। 
সম্পর্কিত সংবাদ