সংবাদদাতা, মেখলিগঞ্জ: মেখলিগঞ্জ পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান কেশব দাস এবং বর্তমান চেয়ারম্যান প্রভাত পাটনির মধ্যে যে বনিবনা নেই, সেটা দিনকয়েক আগেই প্রকাশ্যে এসেছিল। পুরসভা ভবন থেকে মনীষী পঞ্চানন বর্মার ছবি সরানো নিয়ে প্রাক্তন ও বর্তমান চেয়ারম্যানের ফেসবুক পোস্ট ঘিরে বিতর্ক দানা বেঁধেছিল। তবে মঙ্গলবার মেখলিগঞ্জ কলেজ পরিচালন সমিতির বৈঠকে যোগ দিয়ে কলেজের উন্নয়নে তাঁরা একসঙ্গে কাজ করবেন বলে জানান। দু’জনেরই বক্তব্য, উন্নয়নই আমাদের লক্ষ্য। কলেজের ক্ষেত্রেও সেটা বজায় থাকবে।
Advertisement
কলেজ সূত্রে জানা গিয়েছে, শিক্ষাদপ্তরের তরফে মেখলিগঞ্জ কলেজে পরিচালন সমিতির নতুনভাবে গড়া কমিটির নামের তালিকা এসে পৌঁছেছে। সেই তালিকায় সদস্য হিসেবে রয়েছেন পুরসভার বর্তমান চেয়ারম্যান, পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান কলেজ পরিচালন সমিতির সভাপতি পদে রয়েছেন। সদস্য হিসেবে শিক্ষক রজতকুমার রায়ের নাম রয়েছে। মঙ্গলবার এই পরিচালন সমিতির বৈঠক ডাকা হয়েছিল।
ছবি বিতর্কের পর এদিনের বৈঠকে পুরসভার প্রাক্তন ও বর্তমান চেয়ারম্যানের উপস্থিতি এবং ভূমিকা নিয়ে অনেকের মনেই প্রশ্ন ছিল। সেই বিতর্কের বিষয় নিয়ে সতর্ক থাকলেন দু’জনেই। প্রাক্তন চেয়ারম্যান বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের তরফে কলেজ পরিচালন সমিতির তালিকা এসেছে। সেখানে আমাকে সভাপতি করা হয়েছে। এদিন পরিচালন সমিতির বৈঠক হয়েছে। বৈঠকে প্রভাতবাবুর উপস্থিতির কথাও তিনি স্বীকার করেন। তিনি বলেন, প্রতিটি মানুষের ব্যক্তিগত মতামত থাকতেই পারে। পুরসভার ঘটনা নিয়েও আমি যা বলার প্রকাশ্যে বলেছি। এই নিয়ে কিছু লুকানো ছিল না। তবে কলেজের উন্নয়ন নিয়ে প্রভাতবাবুকে নিয়ে একসঙ্গে কাজ করতে আপত্তি নেই। বর্তমান চেয়ারম্যান বলেন, আমাদের মধ্যে ব্যক্তিগত কোনও বিবাদ নেই। পুরসভায় একটা বিষয় নিয়ে দ্বন্দ্ব তৈরি হয়েছিল। সেটা মিটেছে। এখন পুরসভার বাইরে এসেছি। কলেজের উন্নয়ন নয়, পুরসভার উন্নয়নেও সকলকে নিয়ে কাজ করতে চাই।
ছবি বিতর্কের পর এদিনের বৈঠকে পুরসভার প্রাক্তন ও বর্তমান চেয়ারম্যানের উপস্থিতি এবং ভূমিকা নিয়ে অনেকের মনেই প্রশ্ন ছিল। সেই বিতর্কের বিষয় নিয়ে সতর্ক থাকলেন দু’জনেই। প্রাক্তন চেয়ারম্যান বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের তরফে কলেজ পরিচালন সমিতির তালিকা এসেছে। সেখানে আমাকে সভাপতি করা হয়েছে। এদিন পরিচালন সমিতির বৈঠক হয়েছে। বৈঠকে প্রভাতবাবুর উপস্থিতির কথাও তিনি স্বীকার করেন। তিনি বলেন, প্রতিটি মানুষের ব্যক্তিগত মতামত থাকতেই পারে। পুরসভার ঘটনা নিয়েও আমি যা বলার প্রকাশ্যে বলেছি। এই নিয়ে কিছু লুকানো ছিল না। তবে কলেজের উন্নয়ন নিয়ে প্রভাতবাবুকে নিয়ে একসঙ্গে কাজ করতে আপত্তি নেই। বর্তমান চেয়ারম্যান বলেন, আমাদের মধ্যে ব্যক্তিগত কোনও বিবাদ নেই। পুরসভায় একটা বিষয় নিয়ে দ্বন্দ্ব তৈরি হয়েছিল। সেটা মিটেছে। এখন পুরসভার বাইরে এসেছি। কলেজের উন্নয়ন নয়, পুরসভার উন্নয়নেও সকলকে নিয়ে কাজ করতে চাই।



