সংবাদদাতা, বিষ্ণুপুর: বাসন্তী রঙের নতুন শাড়ি, পাঞ্জাবি সব লাল ধুলোয় মলিন হল। কাঁচা রাস্তার সৌজন্যে সরস্বতী পুজোর দিন বিষ্ণুপুরের রামানন্দ কলেজের পড়ুয়াদের এই হাল। কলেজের ঢোকার মুখে প্রায় ১০০ মিটার মোরামের রাস্তাই মূল কালপ্রিট। পড়ুয়াদের পায়ে পায়ে সেই ধুলো ঢাকল কলেজের ঝকঝকে ঢালাই রাস্তাও। কলেজ পড়ুয়া থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ এদিন যা নিয়ে ক্ষোভ উগরে দেন। তাঁদের অভিযোগ, শহরের অলিগলি পাকা হয়েছে। কিন্তু কলেজে মেন গেটে ঢোকার মুখে প্রায় ১০০ মিটার রাস্তা আজও পাকা হল না। রামানন্দ কলেজের অধ্যক্ষা স্বপ্না ঘোড়ই বলেন, কলেজে ঢোকার প্রধান রাস্তা পাকা করার জন্য পুরসভাকে বলা হয়েছে। তারা আশ্বাস দিয়েছে।
Advertisement
বিষ্ণুপুর পুরসভার চেয়ারম্যান গৌতম গোস্বামী বলেন, কলেজে যাওয়ার প্রধান রাস্তাটি পুরসভার নয়। সেটি কলেজ কর্তৃপক্ষের, না স্থানীয় মন্দির কর্তৃপক্ষের তা নিয়ে জটিলতা ছিল। সেজন্য গুরুত্বপূর্ণ হলেও ওই রাস্তা পাকা করা সম্ভব হয়নি। তবে বর্তমানে রাস্তাটি তৈরির জন্য আমাদের কাছে প্রস্তাব এসেছে। আমরা তা স্কিমে ধরিয়েওছি। আগামী অর্থবর্ষে তা তৈরি করা হবে।
শহরের কলেজ রোড শেষ হয়েছে কলেজ মোড়ে গিয়ে। সেখান থেকে কলেজের প্রধান গেটের দূরত্ব মেরেকেটে ১০০ মিটার। চারদিকে পাকা রাস্তা হলেও ওই ১০০ মিটার রাস্তা কাঁচা। ফলে লাল ধুলো পায়ে মেখে কলেজে ঢুকতে হয় পড়ুয়া থেকে শুরু করে শিক্ষকদের। তাতে কলেজের ভেতরের ঢালাই রাস্তায় আস্তরণ পড়েছে। সাজানো গেটও ধুলোয় মলিন হয়েছে। সরস্বতী পুজোর দিন হাজার হাজার পড়ুয়ার পায়ে পায়ে লাল ধুলো মাটির উপরে ওঠে। তা গায়ে মেখেই দর্শনার্থীদের কলেজে ঢুকতে হয়। কলেজের পড়ুয়াদের একাংশ বলেন, আমরা নিত্যদিন কলেজে যাতায়াত করি। কলেজ মোড় পর্যন্ত পাকা রাস্তা রয়েছে। কলেজের ভেতরের চত্বরও ঢালাই করা হয়েছে। কিন্তু মোড় থেকে কলেজের গেট পর্যন্ত রাস্তা আজও কাঁচা রয়েছে। কেন তা পাকা করা হয়নি তা আজও আমরা বুঝতে পারিনি। কলেজ কর্তৃপক্ষকে জিজ্ঞাসা করলেও কোনও সদুত্তর পাওয়া যায়নি। কলেজ ছাত্রী সুপর্ণা দাস বলেন, অন্যান্য দিন কেবল ছাত্রছাত্রীরাই কলেজে যাতায়াত করে। কিন্তু এদিন ঠাকুর দেখতে পড়ুয়া ছাড়াও বহু সাধারণ মানুষও এসেছিলেন। তাতে ধুলো বেশি ওড়ে।
শহরের কলেজ রোড শেষ হয়েছে কলেজ মোড়ে গিয়ে। সেখান থেকে কলেজের প্রধান গেটের দূরত্ব মেরেকেটে ১০০ মিটার। চারদিকে পাকা রাস্তা হলেও ওই ১০০ মিটার রাস্তা কাঁচা। ফলে লাল ধুলো পায়ে মেখে কলেজে ঢুকতে হয় পড়ুয়া থেকে শুরু করে শিক্ষকদের। তাতে কলেজের ভেতরের ঢালাই রাস্তায় আস্তরণ পড়েছে। সাজানো গেটও ধুলোয় মলিন হয়েছে। সরস্বতী পুজোর দিন হাজার হাজার পড়ুয়ার পায়ে পায়ে লাল ধুলো মাটির উপরে ওঠে। তা গায়ে মেখেই দর্শনার্থীদের কলেজে ঢুকতে হয়। কলেজের পড়ুয়াদের একাংশ বলেন, আমরা নিত্যদিন কলেজে যাতায়াত করি। কলেজ মোড় পর্যন্ত পাকা রাস্তা রয়েছে। কলেজের ভেতরের চত্বরও ঢালাই করা হয়েছে। কিন্তু মোড় থেকে কলেজের গেট পর্যন্ত রাস্তা আজও কাঁচা রয়েছে। কেন তা পাকা করা হয়নি তা আজও আমরা বুঝতে পারিনি। কলেজ কর্তৃপক্ষকে জিজ্ঞাসা করলেও কোনও সদুত্তর পাওয়া যায়নি। কলেজ ছাত্রী সুপর্ণা দাস বলেন, অন্যান্য দিন কেবল ছাত্রছাত্রীরাই কলেজে যাতায়াত করে। কিন্তু এদিন ঠাকুর দেখতে পড়ুয়া ছাড়াও বহু সাধারণ মানুষও এসেছিলেন। তাতে ধুলো বেশি ওড়ে।



