সংবাদদাতা, ইসলামপুর: চাকুলিয়া নাকি গোয়ালপোখর? নতুন কলেজ হবে কোথায়? উত্তর দিনাজপুর জেলার এই দুটি বিধানসভা এলাকায় এখন এই প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছে মানুষের মধ্যে। প্রতি ভোটেই চাকুলিয়া ও গোয়ালপোখর বিধানসভা কেন্দ্রে কলেজের দাবি অন্যতম ইস্যু হয়। কলেজ তৈরির ইস্যুতে একে অপরের ঘাড়ে দোষ চাপিয়ে দায় এড়িয়ে যায় সবপক্ষ। তবে তৃণমূল সরকার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়েছে। কয়েক বছর থেকেই দলের বিধায়করা চেষ্টা করছেন, এলাকায় কলেজ তৈরির। প্রশাসনও উদ্যোগী হয়েছে।
Advertisement
জেলাপ্রশাসন চাকুলিয়া ও গোয়ালপোখরে কলেজের জন্য জমির খোঁজ শুরু করেছে। সম্প্রতি চাকুলিয়ার বিজলিয়ায় প্রশাসনের আধিকারিকরা জমি পরিদর্শন করেছেন। সেখানে ৬ একর সরকারি জমি ফাঁকা পড়ে আছে।
অন্যদিকে গত বৃহস্পতিবার জেলাশাসক সুরেন্দ্র কুমার মিনা গোয়ালপোখরে কলেজের জন্য জমি দেখেছেন।
চাকুলিয়া ও গোয়ালপোখর ব্লক পাশাপাশি। প্রশাসন দুই বিধানসভা এলাকাতেই জমি পরিদর্শন করায় উঠছে প্রশ্নও। মানুষের প্রশ্ন, নতুন কলেজ কোথায় হবে? চাকুলিয়ায় নাকি গোয়ালপোখরে? মন্ত্রী গোলাম রব্বানির দাবি, দু’জায়গাতেই কলেজ তৈরির চেষ্টা চলছে।
ওয়াকিবহাল মহলের মতে, পাশাপাশি দুটি বিধানসভা কেন্দ্রে দুটি কলেজের অনুমোদন দিতে সরকারকে হিমসিম খেতে হবে। রাজ্যে আরও জেলা ও ব্লক থেকে কলেজের দাবি উঠেছে। ইসলামপুরে একটি কলেজ আছে। কিন্তু ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা অনেক বেশি হওয়ায় পঠনপাঠনে সমস্যা হয়। সেখানেও আরেকটি কলেজের দাবি উঠেছে। কিন্তু দুটি বিধানসভার মধ্যে একটিতে কলেজের অনুমোদন পেতে পারে।
গোয়ালপোখরের বিধায়ক তথা মন্ত্রী গোলাম রব্বানি বলেন, চাকুলিয়া এবং গোয়ালপোখর দুটি বিধানসভাই পিছিয়ে পড়া এলাকা। সেজন্য এলাকায় কলেজের প্রয়োজন আছে। কলেজের জন্য জেলাশাসক জমি দেখছেন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও বলেছেন, কলেজের দরকার আছে। জমি চূড়ান্ত হয়ে গেলে কলেজ হবে। চাকুলিয়া নাকি গোয়ালপোখর, কলেজ হবে কোথায়? মন্ত্রীর বক্তব্য, দুটি জায়গায় দুটি কলেজের জন্যই আমি চেষ্টা করব।
অন্যদিকে গত বৃহস্পতিবার জেলাশাসক সুরেন্দ্র কুমার মিনা গোয়ালপোখরে কলেজের জন্য জমি দেখেছেন।
চাকুলিয়া ও গোয়ালপোখর ব্লক পাশাপাশি। প্রশাসন দুই বিধানসভা এলাকাতেই জমি পরিদর্শন করায় উঠছে প্রশ্নও। মানুষের প্রশ্ন, নতুন কলেজ কোথায় হবে? চাকুলিয়ায় নাকি গোয়ালপোখরে? মন্ত্রী গোলাম রব্বানির দাবি, দু’জায়গাতেই কলেজ তৈরির চেষ্টা চলছে।
ওয়াকিবহাল মহলের মতে, পাশাপাশি দুটি বিধানসভা কেন্দ্রে দুটি কলেজের অনুমোদন দিতে সরকারকে হিমসিম খেতে হবে। রাজ্যে আরও জেলা ও ব্লক থেকে কলেজের দাবি উঠেছে। ইসলামপুরে একটি কলেজ আছে। কিন্তু ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা অনেক বেশি হওয়ায় পঠনপাঠনে সমস্যা হয়। সেখানেও আরেকটি কলেজের দাবি উঠেছে। কিন্তু দুটি বিধানসভার মধ্যে একটিতে কলেজের অনুমোদন পেতে পারে।
গোয়ালপোখরের বিধায়ক তথা মন্ত্রী গোলাম রব্বানি বলেন, চাকুলিয়া এবং গোয়ালপোখর দুটি বিধানসভাই পিছিয়ে পড়া এলাকা। সেজন্য এলাকায় কলেজের প্রয়োজন আছে। কলেজের জন্য জেলাশাসক জমি দেখছেন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও বলেছেন, কলেজের দরকার আছে। জমি চূড়ান্ত হয়ে গেলে কলেজ হবে। চাকুলিয়া নাকি গোয়ালপোখর, কলেজ হবে কোথায়? মন্ত্রীর বক্তব্য, দুটি জায়গায় দুটি কলেজের জন্যই আমি চেষ্টা করব।



