নিজস্ব প্রতিনিধি, বহরমপুর: বহরমপুর শহরে এক কলেজ ছাত্রীর শ্লীলতাহানির অভিযোগে রাজনৈতিক চাপানউতর শুরু হয়েছে। পুরসভার দুই তৃণমূল কাউন্সিলার একে অপরের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছেন। ঘটনায় পুলিস লালু ঘোষ নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে। তার বাড়ি গোরাবাজার এলাকায়। ধৃতকে রবিবার বহরমপুর আদালতে তোলা হলে বিচারক জামিন মঞ্জুর করেন।
Advertisement
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার দুপুরে টোটোয় করে গোরাবাজারে পড়তে যাচ্ছিলেন ওই কলেজ ছাত্রী। টোটোতে নিয়ে যাওয়ার সময় চালক তার মোবাইলে যুবতীর ভিডিও করে। প্রতিবাদ করলে যুবতীর সঙ্গে টোটোচালক দুর্ব্যবহার করে বলে অভিযোগ। ওই যুবতী বলেন, টিউশনি পড়তে যাওয়ার সময় দেখি টোটো চালক আমার ভিডিও করছে। প্রতিবাদ করলে দুর্ব্যবহার করে। পরে বাড়ি ফিরে ঘটনার কথা পরিবারের লোকজনকে জানাই। পরিবারের সদস্যরা প্রতিবাদ জানাতে গেলে আমার মামাদের মারধর করা হয়। ২২ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলার দাঁড়িয়ে থেকে আমার মামাদের মারধর করে। আমাকে হুমকি দেয়। আমরা আতঙ্কিত হয়ে রাতেই থানার দ্বারস্থ হই।
তৃণমূল কাউন্সিলার দেবাশিসবাবু বলেন, একটা পাবলিক প্লেসে গন্ডগোল হচ্ছিল। যে মার খাচ্ছিল এবং যারা মারছিল, দু’জনেই আমার চেনা। আমরা ঠেকাতে গিয়েছিলাম। এখন আমাদের নামে দোষ দেওয়া হচ্ছে।
মহিলাদের নিয়ে এসে মিথ্যা কেস করছে তৃণমূল কাউন্সিলার ভীষ্মদেব কর্মকার। ওইদিনের ঘটনা দলীয় নেতৃত্ব ও পুরসভার চেয়ারম্যানকে জানিয়েছি। আমার নামে মিথ্যা অভিযোগ তোলা হচ্ছে।
পাল্টা ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলার ভীষ্মদেববাবু বলেন, পুলিস তো আর মিথ্যা অভিযোগ করবে না। পুলিস ঘটনার তদন্ত করছে। আইনের উপর ভরসা রাখা উচিত। আমরা অনেক কষ্ট করে চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে বহরমপুর পুরসভা কংগ্রেসের কাছ থেকে পেয়েছি। দলীয় কোনও কাউন্সিলার যদি আমার বিরুদ্ধে কিছু বলে থাকে, তাহলে সে তার সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত স্বার্থে এসব বলছে। কেউ খারাপ ব্যবসা করলে প্রশাসন ব্যবস্থা নেবে। কারও যদি কোনও অভিযোগ থাকে এবং সে যদি দলকে জানায় তাহলে ভালো হয়।
তৃণমূল কাউন্সিলার দেবাশিসবাবু বলেন, একটা পাবলিক প্লেসে গন্ডগোল হচ্ছিল। যে মার খাচ্ছিল এবং যারা মারছিল, দু’জনেই আমার চেনা। আমরা ঠেকাতে গিয়েছিলাম। এখন আমাদের নামে দোষ দেওয়া হচ্ছে।
মহিলাদের নিয়ে এসে মিথ্যা কেস করছে তৃণমূল কাউন্সিলার ভীষ্মদেব কর্মকার। ওইদিনের ঘটনা দলীয় নেতৃত্ব ও পুরসভার চেয়ারম্যানকে জানিয়েছি। আমার নামে মিথ্যা অভিযোগ তোলা হচ্ছে।
পাল্টা ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলার ভীষ্মদেববাবু বলেন, পুলিস তো আর মিথ্যা অভিযোগ করবে না। পুলিস ঘটনার তদন্ত করছে। আইনের উপর ভরসা রাখা উচিত। আমরা অনেক কষ্ট করে চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে বহরমপুর পুরসভা কংগ্রেসের কাছ থেকে পেয়েছি। দলীয় কোনও কাউন্সিলার যদি আমার বিরুদ্ধে কিছু বলে থাকে, তাহলে সে তার সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত স্বার্থে এসব বলছে। কেউ খারাপ ব্যবসা করলে প্রশাসন ব্যবস্থা নেবে। কারও যদি কোনও অভিযোগ থাকে এবং সে যদি দলকে জানায় তাহলে ভালো হয়।



