নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: ডিসেম্বরে কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ে সংসদ নির্বাচন হতে পারে। কিন্তু ভোটে লড়াইয়ের জন্য কতটা তৈরি সংগঠন, তা খতিয়ে দেখতেই বুধবার জলপাইগুড়িতে বৈঠক করলেন তৃণমূল ছাত্র পরিষদের রাজ্য সভাপতি তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্য। এদিন তৃণমূলের জেলা কার্যালয়ে ওই বৈঠক হয়। সেখানে জলপাইগুড়ির বিভিন্ন কলেজের টিএমসিপি’র কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। সংগঠনের কর্মীদের কাছে সরাসরি জানতে চান তৃণাঙ্কুর, কলেজে ভোট হলে এবিভিপি কোথায়, কতটা সমস্যায় ফেলতে পারে তৃণমূল ছাত্র পরিষদকে। এসএফআইয়ের শক্তিই বা এখন কীরকম। কর্মীরা টিএমসিপি’র রাজ্য সভাপতিকে জানিয়ে দেন, কিছু জায়গায় এবিভিপি লড়াইয়ের শক্তি রাখে। কিন্তু জিতবে টিএমসিপি।
Advertisement
বৈঠকে টিএমসিপি নেত্রী তথা মেটেলি পঞ্চায়েত সমিতির সহ সভাপতি বিদ্যা বারলা বলেন, বিরোধীদের রুখতে প্রয়োজনে আমরা তির-ধনুক নিয়ে লড়ব। তাঁর এই মন্তব্য ঘিরে বিতর্ক ছড়ায়। পরে যদিও বিদ্যা বলেন, আদিবাসীদের লড়াইয়ের কথা বলেছি আমি। তারা হারতে জানে না। কলেজ ভোটে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতেই লড়াই হবে।
তৃণমূল ছাত্র পরিষদের রাজ্য সভাপতি বলেন, করোনার কারণে কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ে নির্বাচন করা যায়নি। তারপর কলেজে পড়াশোনার ধরন বদলে গিয়েছে। এখন সেমেস্টার চালু হওয়ায় বছরে তিন-চারমাস ধরে পরীক্ষা হয়। ভোটের কারণে পড়াশোনা নষ্ট হোক, চাই না আমরা। তবে কলেজে ভোট চেয়ে দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে বলেছি। ভোট হলে আমরাই জিতব। ভোটে যাতে বিক্ষিপ্ত অশান্তির ঘটনাও না ঘটে, তিনি চেষ্টা করবেন বলে জানান।- নিজস্ব চিত্র।
তৃণমূল ছাত্র পরিষদের রাজ্য সভাপতি বলেন, করোনার কারণে কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ে নির্বাচন করা যায়নি। তারপর কলেজে পড়াশোনার ধরন বদলে গিয়েছে। এখন সেমেস্টার চালু হওয়ায় বছরে তিন-চারমাস ধরে পরীক্ষা হয়। ভোটের কারণে পড়াশোনা নষ্ট হোক, চাই না আমরা। তবে কলেজে ভোট চেয়ে দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে বলেছি। ভোট হলে আমরাই জিতব। ভোটে যাতে বিক্ষিপ্ত অশান্তির ঘটনাও না ঘটে, তিনি চেষ্টা করবেন বলে জানান।- নিজস্ব চিত্র।



