সংবাদদাতা, বহরমপুর: কলেজে ভর্তি না করে বিয়ের জন্য পাত্র দেখায় অভিমানে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মঘাতী হলেন এক যুবতী। শুক্রবার রাতে নিজের ঘরে গলায় ওড়নার ফাঁস দিয়ে তিনি আত্মঘাতী হন। মৃতের নাম মাম্পি মণ্ডল(১৯)। বাড়ি বহরমপুর থানার হঠাৎ কলোনি এলাকায়। এবিষয়ে থানায় কোনও অভিযোগ হয়নি বলে জানিয়েছে বহরমপুর থানার পুলিস।
Advertisement
পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করার পর ওই যুবতী পড়াশোনা করতে চাইলেও তাঁকে কলেজে ভর্তি করেননি বাবা। সম্প্রতি পরিবারের লোকজন তাঁর বিয়ের জন্য যোগাযোগ করছিলেন। তা নিয়ে বাড়িতে মনমরা হয়ে থাকতেন ওই যুবতী শুক্রবার রাতে খাওয়ার পর নিজের ঘরে ঘুমোতে যান। গভীর রাতে বাবা ঈশ্বরপুরী মণ্ডল বাথরুমে যাওয়ার সময় মেয়ের ঘরে আলো জ্বলতে দেখে উঁকি মেরে দেখেন মাম্পি গলায় ফাঁস দিয়ে ঝুলছে। মৃতের এক আত্মীয় বলেন, মাম্পি কলেজে পড়তে চেয়েছিল। কিন্তু না পড়িয়ে বিয়ে দিতে চাওয়ায় অভিমানে আত্মঘাতী হয়েছে।
অন্যদিকে মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে কীটনাশক খেয়ে আত্মঘাতী হলেন এক এক বৃদ্ধা। মৃতের নাম মিলান ঘোষ(৯৫)। বাড়ি সালার থানার তালিবপুর। গত ২ জানুয়ারি দুপুরে বাড়িতে ইঁদুর মারা বিষ খান। শুক্রবার রাতে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়। মৃতের আত্মীয় মিলন ঘোষ বলেন, তিনি মানসিক ভারসাম্য হারিয়েই কীটনাশক খেয়েছিলেন। সালার থেকে কান্দি মহকুমা হাসপাতাল সেখান থেকে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যালে আনা হয়েছিল।
অন্যদিকে মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে কীটনাশক খেয়ে আত্মঘাতী হলেন এক এক বৃদ্ধা। মৃতের নাম মিলান ঘোষ(৯৫)। বাড়ি সালার থানার তালিবপুর। গত ২ জানুয়ারি দুপুরে বাড়িতে ইঁদুর মারা বিষ খান। শুক্রবার রাতে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়। মৃতের আত্মীয় মিলন ঘোষ বলেন, তিনি মানসিক ভারসাম্য হারিয়েই কীটনাশক খেয়েছিলেন। সালার থেকে কান্দি মহকুমা হাসপাতাল সেখান থেকে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যালে আনা হয়েছিল।



