নিজস্ব প্রতিনিধি, রায়গঞ্জ, সংবাদদাতা, কালিয়াগঞ্জ: ঝোপ থেকে ছিঁড়ে অজানা ফল খেয়ে গুরুতর অসুস্থ কালিয়াগঞ্জের বরুনা গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার বিমলপাড়া চাউলি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কয়েকজন পড়ুয়া। শনিবার সন্ধ্যায় ১৮ জন অসুস্থ পড়ুয়াকে ভর্তি করা হয় রায়গঞ্জ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। মেডিক্যাল কলেজের সুপার প্রিয়ঙ্কর রায় বলেন, আমরা খবর পাই একসঙ্গে অনেক পড়ুয়া বিষাক্ত কোনও ফল খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছে। জরুরি বিভাগে তাদের আনা হলে দ্রুত চিকিত্সা শুরু হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে পৃথকভাবে আমরা স্ট্যান্ডবাই সিসিইউ চালু করে দিয়েছি।
Advertisement
একসঙ্গে অনেকজন পড়ুয়ার অসুস্থতার খবর পেয়ে মেডিক্যালে হাজির হন রায়গঞ্জের উপ পুরপ্রশাসক অরিন্দম সরকারও।
স্থানীয় ও হাসপাতাল সূত্রে খবর, এদিন বিমলপাড়া চাউলি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কয়েকজন পড়ুয়া স্কুলের পাশে একটি ঝোপ থেকে কোনও ফল ছিঁড়ে খেয়ে নেয়। স্কুল চলাকালীনই বমি করতে শুরু করে দু’একজন পড়ুয়া। স্কুলের প্রধান শিক্ষক বংশী দেবশর্মার কথায়, আমাদের নজরে আসার আগেই কয়েকজন ওই ফল খেয়ে ফেলেছিল। তাদের মধ্যে পঞ্চম, তৃতীয় সহ অন্যান্য শ্রেণির পড়ুয়া রয়েছে। স্কুল ছুটির পর শুনি একের পর এক পড়ুয়া বাড়ি ফিরে বমি করছে। প্রথমে ওদের নিয়ে যাওয়া হয়েছিল কালিয়াগঞ্জের কুনোর হাসপাতালে।
কালিয়াগঞ্জ ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক শেখ মুসরাইল রহমান বলেন, সাতজন পড়ুয়া কোনও ফল খেয়ে বমি ও মাথাঘোরার উপসর্গ নিয়ে কালিয়াগঞ্জের কুনোর হাসপাতালে আসে। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর ওদের রায়গঞ্জ মেডিক্যালে স্থানান্তর করা হয়।
কালিয়াগঞ্জের বিডিও প্রশান্ত রায় বলেন, আরও কেউ অসুস্থ রয়েছে কিনা ব্লকের প্রতিনিধিরা এলাকায় গিয়ে খোঁজ নিচ্ছেন। কীভাবে এই ঘটনা ঘটেছে সেটা আমরা খতিয়ে দেখছি। স্কুল কর্তৃপক্ষের ভূমিকাও দেখা হবে।
স্থানীয় ও হাসপাতাল সূত্রে খবর, এদিন বিমলপাড়া চাউলি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কয়েকজন পড়ুয়া স্কুলের পাশে একটি ঝোপ থেকে কোনও ফল ছিঁড়ে খেয়ে নেয়। স্কুল চলাকালীনই বমি করতে শুরু করে দু’একজন পড়ুয়া। স্কুলের প্রধান শিক্ষক বংশী দেবশর্মার কথায়, আমাদের নজরে আসার আগেই কয়েকজন ওই ফল খেয়ে ফেলেছিল। তাদের মধ্যে পঞ্চম, তৃতীয় সহ অন্যান্য শ্রেণির পড়ুয়া রয়েছে। স্কুল ছুটির পর শুনি একের পর এক পড়ুয়া বাড়ি ফিরে বমি করছে। প্রথমে ওদের নিয়ে যাওয়া হয়েছিল কালিয়াগঞ্জের কুনোর হাসপাতালে।
কালিয়াগঞ্জ ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক শেখ মুসরাইল রহমান বলেন, সাতজন পড়ুয়া কোনও ফল খেয়ে বমি ও মাথাঘোরার উপসর্গ নিয়ে কালিয়াগঞ্জের কুনোর হাসপাতালে আসে। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর ওদের রায়গঞ্জ মেডিক্যালে স্থানান্তর করা হয়।
কালিয়াগঞ্জের বিডিও প্রশান্ত রায় বলেন, আরও কেউ অসুস্থ রয়েছে কিনা ব্লকের প্রতিনিধিরা এলাকায় গিয়ে খোঁজ নিচ্ছেন। কীভাবে এই ঘটনা ঘটেছে সেটা আমরা খতিয়ে দেখছি। স্কুল কর্তৃপক্ষের ভূমিকাও দেখা হবে।



