সংবাদদাতা, কালিয়াগঞ্জ: শীতের রাতে সাড়ে দশটা বাজতে না বাজতেই কালিয়াগঞ্জ শহরের বিভিন্ন ওষুধের দোকানের ঝাঁপ একে একে বন্ধ হয়ে যায়। ফলে সমস্যায় পড়তে হয় শহরের সঙ্গে আশেপাশের এলাকার বাসিন্দাদের। জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় ওষুধ হাসপাতালে না পেলে অপেক্ষা করতে হয় সকালে দোকান খোলা পর্যন্ত। সেই সমস্যা মেটাতে এবার ব্যবসায়ীদের নিয়ে বৈঠক করার পরিকল্পনা নিল কালিয়াগঞ্জ পুরসভা।
Advertisement
চেয়ারম্যান রামনিবাস সাহা বলেন, রাতে ওষুধ পেতে এলাকার বাসিন্দাদের সমস্যা হচ্ছে সেটা জানি। ওষুধ ব্যবসায়ীরা কেন রাতে দোকান খোলা রাখছেন না, সেটা জানতে তাঁদের সঙ্গে বৈঠক করা হবে। আমরা দ্রুত এই সমস্যার সমাধান করার চেষ্টা করছি।
কালিয়াগঞ্জ শহরের বাসিন্দা উদয় হালদারের কথায়, রাতবিরেতে অনেক সময় ওষুধের প্রয়োজন হয়। কিন্তু শহরে রাতে একটাও দোকান খোলা থাকে না। এলাকার বাসিন্দাদের স্বার্থে নিয়ম করে অন্তত একটা দোকান খোলা রাখার ব্যবস্থা করা প্রয়োজন।
অনেকের অভিযোগ, কিছু দোকানে দিনরাত ওষুধ পাওয়া যাবে বলে বোর্ড লাগানো থাকলেও বাস্তব সম্পূর্ণ অন্যরকম।
রোগীর পরিজনরা সেখানে ওষুধ নিতে গিয়ে দেখেন তালাবন্ধ। কালিয়াগঞ্জ বেঙ্গল কেমিস্ট অ্যান্ড ড্রাগিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক নরেশ চন্দ্র সাহা বলেন, পুরসভার আবেদনে ২০২০ সালে কয়েক মাসের জন্য পালা করে রাতে ওষুধের দোকান খোলা রাখা শুরু হয়েছিল। কিন্তু পরে নিরাপত্তার অভাব ও বেশি গ্রাহক না পাওয়ার জন্য রাতে দোকান বন্ধ রাখা হয়। কালিয়াগঞ্জের ওষুধ ব্যবসায়ীদের দাবি, শীতের জন্য রাত সাড়ে দশটার পর গ্রাহক আসেন না। তাই দোকান বন্ধ করে দেওয়া হয়। বিশেষ দরকার হলে কালিয়াগঞ্জ স্টেট জেনারেল হাসপাতাল তো আছেই। রাতে দোকান খোলা রাখলে নিরাপত্তার অভাবও থাকে।
কালিয়াগঞ্জ ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক শেখ মুসরাইল রহমান বলেন, স্বাস্থ্য দপ্তরের পক্ষ থেকে ব্যবসায়ীদের জোর করা হয়নি। তবে এলাকায় বাসিন্দাদের স্বার্থে একটি হলেও দোকান খোলা রেখে পরিষেবা স্বাভাবিক রাখা প্রয়োজন।
নিরাপত্তার অভাবের অভিযোগ প্রসঙ্গে কালিয়াগঞ্জ থানার আইসি দেবব্রত মুখোপাধ্যায়ের মন্তব্য, কালিয়াগঞ্জ শহরের নিরাপত্তা আঁটোসাটো রাখতে শহরে নিয়মিত পুলিসের গাড়ি টহল দেয়। ব্যবসায়ী বা বাসিন্দাদের নিরাপত্তার অভাব হওয়ার কথা ঠিক নয়।
কালিয়াগঞ্জ শহরের বাসিন্দা উদয় হালদারের কথায়, রাতবিরেতে অনেক সময় ওষুধের প্রয়োজন হয়। কিন্তু শহরে রাতে একটাও দোকান খোলা থাকে না। এলাকার বাসিন্দাদের স্বার্থে নিয়ম করে অন্তত একটা দোকান খোলা রাখার ব্যবস্থা করা প্রয়োজন।
অনেকের অভিযোগ, কিছু দোকানে দিনরাত ওষুধ পাওয়া যাবে বলে বোর্ড লাগানো থাকলেও বাস্তব সম্পূর্ণ অন্যরকম।
রোগীর পরিজনরা সেখানে ওষুধ নিতে গিয়ে দেখেন তালাবন্ধ। কালিয়াগঞ্জ বেঙ্গল কেমিস্ট অ্যান্ড ড্রাগিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক নরেশ চন্দ্র সাহা বলেন, পুরসভার আবেদনে ২০২০ সালে কয়েক মাসের জন্য পালা করে রাতে ওষুধের দোকান খোলা রাখা শুরু হয়েছিল। কিন্তু পরে নিরাপত্তার অভাব ও বেশি গ্রাহক না পাওয়ার জন্য রাতে দোকান বন্ধ রাখা হয়। কালিয়াগঞ্জের ওষুধ ব্যবসায়ীদের দাবি, শীতের জন্য রাত সাড়ে দশটার পর গ্রাহক আসেন না। তাই দোকান বন্ধ করে দেওয়া হয়। বিশেষ দরকার হলে কালিয়াগঞ্জ স্টেট জেনারেল হাসপাতাল তো আছেই। রাতে দোকান খোলা রাখলে নিরাপত্তার অভাবও থাকে।
কালিয়াগঞ্জ ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক শেখ মুসরাইল রহমান বলেন, স্বাস্থ্য দপ্তরের পক্ষ থেকে ব্যবসায়ীদের জোর করা হয়নি। তবে এলাকায় বাসিন্দাদের স্বার্থে একটি হলেও দোকান খোলা রেখে পরিষেবা স্বাভাবিক রাখা প্রয়োজন।
নিরাপত্তার অভাবের অভিযোগ প্রসঙ্গে কালিয়াগঞ্জ থানার আইসি দেবব্রত মুখোপাধ্যায়ের মন্তব্য, কালিয়াগঞ্জ শহরের নিরাপত্তা আঁটোসাটো রাখতে শহরে নিয়মিত পুলিসের গাড়ি টহল দেয়। ব্যবসায়ী বা বাসিন্দাদের নিরাপত্তার অভাব হওয়ার কথা ঠিক নয়।



