নিজস্ব প্রতিনিধি, কৃষ্ণনগর: কালীগঞ্জের প্রয়াত তৃণমূল বিধায়কের স্মরণসভা আয়োজন করল শাসকদল। কৃষ্ণনগর সাংগঠনিক জেলা তৃণমূলের উদ্যোগে কালীগঞ্জের পলাশী মীরাবাজারের ঘোষপাড়া মাঠে স্মরণসভা হয়। স্মরণসভায় ঠাসা ভিড় ছিল। চাপড়া, নাকাশিপাড়া, করিমপুর সহ বিভিন্ন বিধানসভা এলাকা থেকে তৃণমূল কর্মীরা আসেন। কিন্তু, সেই স্মরণসভায় অনুপস্থিত থাকলেন বিধায়ক নাসিরউদ্দিন আহমেদের পরিবারের সদস্যরাই। এঘটনায় ফের কৃষ্ণনগর সাংগঠনিক জেলায় তৃণমূলের কোন্দল সামনে এসেছে বলে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন।
Advertisement
এদিনের স্মরণসভায় দলের জেলা সভাপতি তথা সাংসদ মহুয়া মৈত্র উপস্থিত ছিলেন। দলের জেলা নেতৃত্ব, শাখা সংগঠনের নেতৃত্ব উপস্থিত ছিল। কিন্তু চাপড়ার রুকবানুর রহমান, কৃষ্ণনগর দক্ষিণের উজ্জ্বল বিশ্বাস, নাকাশিপাড়ার কল্লোল খাঁ ও পলাশীপাড়ার মানিক ভট্টাচার্য-এই চার বিধায়ককে দেখা যায়নি।
বিধায়কের স্মরণসভা ঘিরে প্রথম থেকেই বিতর্ক ছিল। প্রথমে দলীয় সংগঠনকে ব্রাত্য রেখে ‘পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য তৃণমূল কংগ্রেস কমিটি’র ব্যানারে স্মরণসভা ডাকা হয়েছিল। কিন্তু রাজ্য নেতৃত্বের আপত্তিতে সেই সভা বাতিল করা হয়। তখন ব্যানার বদলে বিধায়কের পরিবারবর্গ ও মন্ত্রী উজ্জ্বল বিশ্বাসের ডাকে স্মরণসভা করা হয়। সেখানে তৃণমূলের কৃষ্ণনগর সাংগঠনিক জেলার বেশিরভাগ নেতৃত্ব সহ দুই বিধায়ক-তেহট্টের তাপস সাহা ও করিমপুরের বিমলেন্দু সিংহরায় অনুপস্থিত ছিলেন। স্বাভাবিকভাবেই এদিন জেলা সংগঠনের ডাকা স্মরণসভার দিকে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের নজর ছিল।
এদিন সভার আগে সাংসদ মহুয়া মৈত্র, বিধায়ক নাসিরউদ্দিন আহমেদের স্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন। তারপর সভায় যোগ দেন। ভিড়ে ঠাসা স্মরণসভায় সাংসদ বলেন, প্রয়াত বিধায়কের আত্মার শান্তি কামনা করি। তিনি হঠাৎ করেই চলে গেলেন। আমরা কোনওদিন এমনটা ভাবতে পারিনি। তিনি আরও বলেন, ২০১১ সালে তৃণমূল সরকার যখন ক্ষমতায় আসে, সেসময় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সেনাপতিদের মধ্যে একজন ছিলেন আমাদের লালসাহেব। সংখ্যালঘু মানুষের জন্য অনেক কাজ করেছেন। অনেক মেপে কথা বলতেন। খুব ভালো সংগঠক ছিলেন। এলাকার উন্নয়ন নিয়ে সবসময় ভাবতেন।
অনুপস্থিতির প্রসঙ্গে বিধায়কের মেয়ে আলিফা আহমেদ বলেন, এতে রাজনীতির কিছু নেই। আমাদেরই দল। দলের তরফে স্মরণসভা ডাকা হয়েছিল। আমার বড় ছেলের বার্ষিক পরীক্ষা। হঠাৎই বাবা মারা গেলেন। আমি ছেলেকে নিয়ে কলকাতায় আছি। বাবার মৃত্যুর শোক কাটিয়ে উঠতে পারিনি। মায়ের শরীরের অবস্থাও খুব খারাপ। মহুয়াদির সঙ্গে আমার কথা হয়েছিল। উপস্থিত থাকতে না পারার বিষয়টি দিদিকে জানিয়েছিলাম।বিধায়কের স্মরণসভা ঘিরে প্রথম থেকেই বিতর্ক ছিল। প্রথমে দলীয় সংগঠনকে ব্রাত্য রেখে ‘পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য তৃণমূল কংগ্রেস কমিটি’র ব্যানারে স্মরণসভা ডাকা হয়েছিল। কিন্তু রাজ্য নেতৃত্বের আপত্তিতে সেই সভা বাতিল করা হয়। তখন ব্যানার বদলে বিধায়কের পরিবারবর্গ ও মন্ত্রী উজ্জ্বল বিশ্বাসের ডাকে স্মরণসভা করা হয়। সেখানে তৃণমূলের কৃষ্ণনগর সাংগঠনিক জেলার বেশিরভাগ নেতৃত্ব সহ দুই বিধায়ক-তেহট্টের তাপস সাহা ও করিমপুরের বিমলেন্দু সিংহরায় অনুপস্থিত ছিলেন। স্বাভাবিকভাবেই এদিন জেলা সংগঠনের ডাকা স্মরণসভার দিকে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের নজর ছিল।
এদিন সভার আগে সাংসদ মহুয়া মৈত্র, বিধায়ক নাসিরউদ্দিন আহমেদের স্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন। তারপর সভায় যোগ দেন। ভিড়ে ঠাসা স্মরণসভায় সাংসদ বলেন, প্রয়াত বিধায়কের আত্মার শান্তি কামনা করি। তিনি হঠাৎ করেই চলে গেলেন। আমরা কোনওদিন এমনটা ভাবতে পারিনি। তিনি আরও বলেন, ২০১১ সালে তৃণমূল সরকার যখন ক্ষমতায় আসে, সেসময় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সেনাপতিদের মধ্যে একজন ছিলেন আমাদের লালসাহেব। সংখ্যালঘু মানুষের জন্য অনেক কাজ করেছেন। অনেক মেপে কথা বলতেন। খুব ভালো সংগঠক ছিলেন। এলাকার উন্নয়ন নিয়ে সবসময় ভাবতেন।



