নিজস্ব প্রতিনিধি, তমলুক: রেশন সামগ্রীভর্তি গাড়ির পিছনে ছুটছে মোটর ভ্যান। রেশন ডিলার বাড়ি বাড়ি রেশন পৌঁছে দেওয়ার পরই ব্যাগভর্তি চাল, আটা উপুড় করে ঢেলে দেওয়া হচ্ছে ভ্যানে। কোলাঘাটের দেহাটি গ্রামে এভাবে রেশনের চাল ও আটা কেনার খবর পেয়ে শুক্রবার ঘটনাস্থলে যান বিডিও অর্ঘ্য ঘোষ। ঘটনাটি নিজের চোখে দেখার পর তিনি খাদ্যদপ্তরের চিফ ইন্সপেক্টর অশোক মজুমদারকে ডেকে পাঠান। ঘটনায় হতবাক বিডিও এবং চিফ ইন্সপেক্টর ধাওয়া করে ওই মোটরভ্যান আটক করেন। তবে রেশনের সামগ্রী কেনাকাটায় জড়িত প্রশান্ত মিদ্যা ও তার দুই শাগরেদ দৌড়ে পালিয়ে যায়। অশোকবাবু প্রশান্ত ও তার দুই সহযোগীর বিরুদ্ধে থানায় এফআইআর করেছেন। স্থানীয় রেশন ডিলার প্রশান্ত সুকাইতের ভূমিকা খতিয়ে দেখছে খাদ্যদপ্তর। ঘটনাস্থল থেকে তিন কুইন্টাল ১৭কেজি রেশনের চাল এবং ৯৫০গ্রাম ওজনের ৯১টি আটার প্যাকেট বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।
Advertisement
পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় অনেক জায়গায় রেশনের চাল, আটা খোলা বাজারে বিক্রি হয়ে যাচ্ছে। মাছ ও গবাদি পশুর খাবার হিসেবে ওই সামগ্রী ব্যবহার করা হচ্ছে। বিনামূল্যে পাওয়া রেশনের চাল, আটা হাতঘুরে চলে যাচ্ছে খোলা বাজারে। যদিও রেশন সামগ্রী রেশন ডিলার এবং উপভোক্তা ছাড়া তৃতীয় কোনও ব্যক্তির জিম্মায় থাকার কথা নয়। যদিও বিনা পয়সায় পাওয়া রেশনসামগ্রী দেদার বিক্রি হয়ে যাচ্ছে। রেশন ডিলাররা বাড়ি বাড়ি গিয়ে রেশন সামগ্রী দেওয়ার সময়ই অসাধু ব্যক্তিরা ডিলারের গাড়ি অনুসরণ করছে। ডিলারের কাছ থেকে নেওয়া সামগ্রী তৎক্ষণাৎ বিক্রি হয়ে যাচ্ছে।
শুক্রবার কোলাঘাট ব্লকের সিদ্ধা-২ পঞ্চায়েতের দেহাটি এলাকায় রেশন ডিলার প্রশান্ত সুকাইত রেশনভর্তি গাড়ি নিয়ে বাড়ি বাড়ি বিলি করছিলেন। ওই রেশন ডিলারের গাড়ির পিছনে ছিল ধুলিয়াড়া গ্রামের প্রশান্ত মিদ্যার মোটরচালিত ইঞ্জিত ভ্যান। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে যান বিডিও। কিছুক্ষণ পর সেখানে হাজির হন খাদ্যদপ্তরের চিফ ইন্সপেক্টর। রেশন সামগ্রী কেনাবেচা চলাকালীন তাঁরা হাতেনাতে ধরার চেষ্টা করেন। সেইসময় ক্রেতা এবং বিক্রোরা দৌড়ে পালায়। পালানোর সময় অভিযুক্ত প্রশান্ত ও তার দুই সঙ্গী বেশকিছু রেশন সামগ্রী রাস্তার উপর ফেলে দেয়। এছাড়াও বেশকিছু সামগ্রী মোটর ভ্যানের উপর পড়েছিল। ব্লক প্রশাসন সেসব উদ্ধার করেছে। রেশন ডিলার বলেন, সরকারি নিয়ম মেনে রেশন দিয়েছি। গ্রাহকদের কাছ থেকে কেউ রেশন কিনেছিল কিনা জানা নেই।
কোলাঘাটের বিডিও বলেন, রেশন সামগ্রী ডিলার এবং উপভোক্তা ছাড়া তৃতীয় কারও কাছে থাকার কথা নয়। কিন্তু, দেহাটি গ্রামে রেশন বিলি করার সময় গ্রাহকদের থেকে সেসব কেনা হচ্ছিল। আমরা তিন কুইন্টাল চাল এবং ৮৬কেজি আটা উদ্ধার করেছি। অভিযুক্ত প্রশান্ত মিদ্যা সহ তিনজন পলাতক। থানায় এফআইআর হয়েছে।
খাদ্যদপ্তরের চিফ ইন্সপেক্টর অশোকবাবু বলেন, ডিলারের কাছ থেকে নেওয়া রেশনের চাল, আটা বিক্রি করা হচ্ছিল। ওই ঘটনায় থানায় এফআইআর করেছি। পুলিস ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। খাদ্যদপ্তর থেকেও বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
শুক্রবার কোলাঘাট ব্লকের সিদ্ধা-২ পঞ্চায়েতের দেহাটি এলাকায় রেশন ডিলার প্রশান্ত সুকাইত রেশনভর্তি গাড়ি নিয়ে বাড়ি বাড়ি বিলি করছিলেন। ওই রেশন ডিলারের গাড়ির পিছনে ছিল ধুলিয়াড়া গ্রামের প্রশান্ত মিদ্যার মোটরচালিত ইঞ্জিত ভ্যান। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে যান বিডিও। কিছুক্ষণ পর সেখানে হাজির হন খাদ্যদপ্তরের চিফ ইন্সপেক্টর। রেশন সামগ্রী কেনাবেচা চলাকালীন তাঁরা হাতেনাতে ধরার চেষ্টা করেন। সেইসময় ক্রেতা এবং বিক্রোরা দৌড়ে পালায়। পালানোর সময় অভিযুক্ত প্রশান্ত ও তার দুই সঙ্গী বেশকিছু রেশন সামগ্রী রাস্তার উপর ফেলে দেয়। এছাড়াও বেশকিছু সামগ্রী মোটর ভ্যানের উপর পড়েছিল। ব্লক প্রশাসন সেসব উদ্ধার করেছে। রেশন ডিলার বলেন, সরকারি নিয়ম মেনে রেশন দিয়েছি। গ্রাহকদের কাছ থেকে কেউ রেশন কিনেছিল কিনা জানা নেই।
কোলাঘাটের বিডিও বলেন, রেশন সামগ্রী ডিলার এবং উপভোক্তা ছাড়া তৃতীয় কারও কাছে থাকার কথা নয়। কিন্তু, দেহাটি গ্রামে রেশন বিলি করার সময় গ্রাহকদের থেকে সেসব কেনা হচ্ছিল। আমরা তিন কুইন্টাল চাল এবং ৮৬কেজি আটা উদ্ধার করেছি। অভিযুক্ত প্রশান্ত মিদ্যা সহ তিনজন পলাতক। থানায় এফআইআর হয়েছে।
খাদ্যদপ্তরের চিফ ইন্সপেক্টর অশোকবাবু বলেন, ডিলারের কাছ থেকে নেওয়া রেশনের চাল, আটা বিক্রি করা হচ্ছিল। ওই ঘটনায় থানায় এফআইআর করেছি। পুলিস ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। খাদ্যদপ্তর থেকেও বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।



