সংবাদদাতা, কালিয়াচক: কালিয়াচকের এক যুবককে খুনের দাবি নাকচ করল যুবকেরই বোন। এমনকি যুবককে খুনের ঘটনায় বাবা ও কাকার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে দাবি যুবতীর। বুধবার বিকেলে নিজের বাড়িতেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এমন মন্তব্য করতেই রীতিমতো শোরগোল পড়ে যায় এলাকায়। এমনকি সংবাদমাধ্যমের সামনেই যুবতী তার মা এবং মামার বাড়ির লোকেদের উপরে প্রবল ক্ষোভ উগরে দেন।
Advertisement
সোমবার কালিয়াচক থানা এলাকার আলিপুর-২ গ্রাম পঞ্চায়েতের আগামিল্কি এলাকায় নিজের ঘরে রাজ মোমিন (২২) নামের এক যুবকের মৃতদেহ উদ্ধার হয়। এরপরই মামার বাড়ির তরফে দাবি করা হয়, ওই যুবকের বাবা সরফরাজ আলম এবং তার কাকা ওই যুবককে খুন করে প্রমাণ লোপাটের জন্য ঝুলিয়ে দিয়েছে। বিষয়টি জানাজানি হতেই ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়। এদিন মৃত যুবকের বোন জ্যোতি পারভিনের দাবি, আমার বাবা সরফরাজ আলমের এর সঙ্গে মায়ের তিনবছর আগে বিবাহ বিচ্ছেদ হয়ে যায়। আমার বাবার ইলেকট্রনিক্সের দোকান ছিল। একটু রাত হলে মা অশান্তি করত। এমনকি আমার মা বাবাকে মানসিক নির্যাতন করত। এইসব কারণেই বাবার সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়। তারপর থেকে মা ও বাবা আলাদা থাকে। আমি আর দাদা বাবার সঙ্গে থাকতাম। মা শামীমা বিবি মামাদের বাড়িতে থাকত। তার বক্তব্য, বাবা দ্বিতীয় বিয়ে করছে বলে দাদা আত্মহত্যা করেনি। এর আগেও দাদা আত্মহত্যা করার চেষ্টা করেছিল। দাদা মাদকের নেশায় আসক্ত হয়ে পড়ছিল।
টাকা না পেলেই দাদা অস্বাভাবিক আচরণ করত। হয়ত নেশার ঘোরেই দাদা আত্মহত্যা করেছে। তবে বাবা কাকা কেউই দাদাকে খুন করেনি। জ্যোতির অভিযোগ, মামাবাড়ির লোকেরা ষড়যন্ত্র করে বাবা ও কাকাকে ফাঁসানোর চেষ্টা করছে। বাবা ও কাকার বিরুদ্ধে থানায় যে অভিযোগ করা হয়েছে তার কোনও ভিত্তি নেই। আমি পুলিসকেও সমস্ত বিষয় জানিয়েছি। যদিও পাল্টা কোনও বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
টাকা না পেলেই দাদা অস্বাভাবিক আচরণ করত। হয়ত নেশার ঘোরেই দাদা আত্মহত্যা করেছে। তবে বাবা কাকা কেউই দাদাকে খুন করেনি। জ্যোতির অভিযোগ, মামাবাড়ির লোকেরা ষড়যন্ত্র করে বাবা ও কাকাকে ফাঁসানোর চেষ্টা করছে। বাবা ও কাকার বিরুদ্ধে থানায় যে অভিযোগ করা হয়েছে তার কোনও ভিত্তি নেই। আমি পুলিসকেও সমস্ত বিষয় জানিয়েছি। যদিও পাল্টা কোনও বক্তব্য পাওয়া যায়নি।



