সংবাদদাতা, মালদহ: ক্রমশ জোরালো হচ্ছে কালিয়াচকে দমকলকেন্দ্র তৈরির দাবি। সম্প্রতি কালিয়াচকের একটি ব্যস্ত বাণিজ্যিক এলাকায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার পর কালিয়াচকের বাসিন্দারা দ্রুত একটি দমকল কেন্দ্র তৈরির আওয়াজ তুলতে শুরু করেছেন। তাঁরা এখন বিধায়ক, মন্ত্রী এবং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দপ্তরেও আবেদন জানানোর প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এই দমকল কেন্দ্র তৈরি হলে কালিয়াচক ছাড়াও বৈষ্ণবনগর এবং মোথাবাড়ির বিস্তীর্ণ অংশের মানুষের উপকার হবে বলে দাবি তাঁদের।
Advertisement
মালদহের কালিয়াচক ক্রমশ জেলার গুরুত্বপূর্ণ জনবসতি এলাকা হয়ে উঠেছে। জেলার অন্যতম বাণিজ্যিক এলাকাগুলির মধ্যে প্রথম সারিতে রয়েছে কালিয়াচক। পাশাপাশি কালিয়াচক ও সংলগ্ন এলাকায় রয়েছে অসংখ্য সরকারি এবং বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। সেগুলির বেশিরভাগই আবার আবাসিক। ফলে সামগ্রিকভাবে কালিয়াচকে একটি দ্রুত দমকল কেন্দ্র তৈরি করা জরুরি বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
কালিয়াচকের একটি রাজ্য সরকার পোষিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক সিরাজুল ইসলাম বলেন, কালিয়াচক ও বৈষ্ণবনগরে দু’টি কলেজ ছাড়াও অনেকগুলি স্কুল ও মাদ্রাসা রয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে প্রচুর বেসরকারি আবাসিক মিশন তৈরি হয়েছে। সেখানে প্রচুর ছাত্রছাত্রী থাকে। অগ্নিকাণ্ডের মোকাবিলায় কালিয়াচকে একটি দমকল কেন্দ্র তৈরি করা আবশ্যিক হয়ে দাঁড়িয়েছে।
কালিয়াচক ব্যবসায়ী সমিতির সহ সম্পাদক সামিউল শেখের কথায়, এলাকার বাণিজ্যিক গুরুত্ব এখন অনেক গুণ বেড়েছে। তাই দ্রুত কালিয়াচকে একটি দমকল কেন্দ্র প্রয়োজন। জরুরি পরিস্থিতিতে মালদহ থেকে দমকল আসতে অনেকটা সময় লেগে যায়। এখানে দমকল কেন্দ্র থাকলে দ্রুত পরিস্থিতি মোকাবিলা করা যাবে।
কালিয়াচকের একটি রাজ্য সরকার পোষিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক সিরাজুল ইসলাম বলেন, কালিয়াচক ও বৈষ্ণবনগরে দু’টি কলেজ ছাড়াও অনেকগুলি স্কুল ও মাদ্রাসা রয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে প্রচুর বেসরকারি আবাসিক মিশন তৈরি হয়েছে। সেখানে প্রচুর ছাত্রছাত্রী থাকে। অগ্নিকাণ্ডের মোকাবিলায় কালিয়াচকে একটি দমকল কেন্দ্র তৈরি করা আবশ্যিক হয়ে দাঁড়িয়েছে।
কালিয়াচক ব্যবসায়ী সমিতির সহ সম্পাদক সামিউল শেখের কথায়, এলাকার বাণিজ্যিক গুরুত্ব এখন অনেক গুণ বেড়েছে। তাই দ্রুত কালিয়াচকে একটি দমকল কেন্দ্র প্রয়োজন। জরুরি পরিস্থিতিতে মালদহ থেকে দমকল আসতে অনেকটা সময় লেগে যায়। এখানে দমকল কেন্দ্র থাকলে দ্রুত পরিস্থিতি মোকাবিলা করা যাবে।



