নিজস্ব প্রতিনিধি, মালদহ: ফের বিতর্কে জড়ালেন মালদহ জেলা তৃণমূলের চেয়ারম্যান তথা রতুয়ার বিধায়ক সমর মুখোপাধ্যায়। তাঁর বিরুদ্ধে দলবল নিয়ে ক্লাব দখলের অভিযোগ করে কর্তৃপক্ষ তৃণমূল বিধায়কের বিরুদ্ধে পুলিসে অভিযোগ জানিয়েছে। বিধায়কের এমন আচরণে অসন্তুষ্ট দলের একাংশ।
Advertisement
বিতর্ক যেন কিছুতেই পিছু ছাড়ছে না সমরবাবুর। তৃণমূল জেলা কমিটি তো বটেই, মালদহ জেলার সবচেয়ে প্রবীণ বিধায়ক তিনি। কিছুদিন আগে মাছের ভেড়িকে কেন্দ্র করেও বিতর্কে জড়িয়েছিলেন বিধায়ক। এবার তাঁর বিরুদ্ধে ক্লাব দখলের অভিযোগ উঠেছে। এই ব্যাপারে সম্প্রতি রতুয়ার মহানন্দাটোলা পুলিস ফাঁড়িতে বিধায়কের নামে অভিযোগ দায়ের করে রতুয়ার কাটাহা দিয়ারা বাসন্তী সঙ্ঘ কর্তৃপক্ষ। ক্লাব সভাপতি দশরথ যাদব বলেন, ৮ নভেম্বর দুপুর ২টো কুড়ি নাগাদ বিধায়ক তালা ভেঙে দলবল নিয়ে ক্লাবে ঢোকেন। এটা আইন বহির্ভূত কাজ। ছ’মাস আগে বিধায়ক আমাদের পদত্যাগ করতে বলেছিলেন। ক্লাবটাকে লাইব্রেরি করার কথা বলেছিলেন। পরে ক্লাব সদস্যদের নিয়ে বৈঠক ডাকলে সর্বসম্মতিক্রমে আমাদেরই ক্লাবের পদে বহাল রাখা হয়। ১৯৭১ সালে আমাদের ক্লাবের পথচলা শুরু। দুই শতক জমি নিয়ে ক্লাবটি নির্মিত। ৭২ জন ক্লাব সদস্য আছেন। সরকারের রেজিস্ট্রেশন নম্বর আছে। এসব করে বিধায়ক আমাদের ক্লাবে নিজের আধিপত্য বিস্তার করতে চাইছেন।
এই অভিযোগ প্রসঙ্গে তৃণমূল বিধায়ক সমর মুখোপাধ্যায়ের প্রতিক্রিয়া জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, কোনও গণ্ডগোল হয়নি। ওটা ছেড়ে দিন। ওটা কিছু না। তাঁর বিরুদ্ধে থানায় দায়ের করা অভিযোগ সম্পর্কে বিধায়ক বলেন, অভিযোগ করুক না। আমার বাড়ি ওটা। আমারই ক্লাব।
এ ব্যাপারে মালদহ জেলা পরিষদের শিক্ষা কর্মাধ্যক্ষ ফজলুল হক বলেন, ওই ক্লাবের সুনাম রয়েছে এলাকায়। শুনেছি এমএলএ গিয়ে নাকি তালা ভেঙেছেন। তাঁর এই কাজটা করা উচিত হয়নি। কারণ, ক্লাব একটা অটোনমাস বডি। তাদের একটা নিজস্ব নিয়ম কানুন আছে।
এই অভিযোগ প্রসঙ্গে তৃণমূল বিধায়ক সমর মুখোপাধ্যায়ের প্রতিক্রিয়া জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, কোনও গণ্ডগোল হয়নি। ওটা ছেড়ে দিন। ওটা কিছু না। তাঁর বিরুদ্ধে থানায় দায়ের করা অভিযোগ সম্পর্কে বিধায়ক বলেন, অভিযোগ করুক না। আমার বাড়ি ওটা। আমারই ক্লাব।
এ ব্যাপারে মালদহ জেলা পরিষদের শিক্ষা কর্মাধ্যক্ষ ফজলুল হক বলেন, ওই ক্লাবের সুনাম রয়েছে এলাকায়। শুনেছি এমএলএ গিয়ে নাকি তালা ভেঙেছেন। তাঁর এই কাজটা করা উচিত হয়নি। কারণ, ক্লাব একটা অটোনমাস বডি। তাদের একটা নিজস্ব নিয়ম কানুন আছে।



