সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার: কাল, শুক্রবার শেষ হচ্ছে বিজেপির সদস্য সংগ্রহ অভিযান। অর্থাৎ হাতে আর মাত্র দু’দিন সময় বাকি। জেলায় বিজেপির সদস্য সংগ্রহের টার্গেট ছিল দু’লক্ষ। সেখানে মঙ্গলবার পর্যন্ত পদ্ম শিবিরের সদস্য সংগ্রহ ৮০ হাজারের মতো ছুঁয়েছে। সব মিলিয়ে দু’লক্ষ তো দূরের কথা, বিজেপির সদস্য সংখ্যা এক লক্ষতে পৌঁছবে কি না তা নিয়েই চর্চা শুরু হয়েছে দলের অন্দরে। কারণ হাতে আছে ৪৮ ঘণ্টা সময়।
Advertisement
দলের সদস্য সংগ্রহ অভিযানের ফল যে খুবই হতাশাজনক তা স্বীকার করে নিয়েছে জেলা বিজেপি নেতৃত্বও। এখন দুই লক্ষের বদলে এক লক্ষ সদস্য সংগ্রহে পৌঁছতে মরিয়া হয়ে উঠেছে বিজেপির স্থানীয় নেতারা। সেই জন্য দলের মণ্ডল পদাধিকারীদের প্রত্যেককে ১০০ জন করে সদস্য সংগ্রহের টার্গেট দিয়ে স্পেশাল ড্রাইভে নেমেছে বিজেপি। কিন্তু তাতেও যে খুব একটা লাভ হবে না, সেটা ধরেই নিয়েছেন নেতারা। তাই উদ্বেগ ছড়িয়েছে গেরুয়া শিবিরের অন্দরে।
দলের সদস্য সংগ্রহ অভিযানের হতাশাজনক ফলের কথা স্বীকার করে নিয়েছেন বিজেপির জেলা সভাপতি এমপি মনোজ টিগ্গা। তিনি বলেন, এটা ঠিক যে হাতে আর মাত্র দু’ দিন সময় বাকি। ফলে এই সময়ের মধ্যে দুই লক্ষ সদস্য সংগ্রহের টার্গেটে আর পৌঁছনো যাবে না। আসলে উপ নির্বাচনের কারণে আমাদের জেলায় দেরিতে দলের সদস্য সংগ্রহ অভিযান শুরু হয়েছিল। তার জন্যই দুই লক্ষ সদস্য সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছনো যাচ্ছে না। ফলে এখন এক লক্ষ সংগ্রহের জন্য দলের মণ্ডল পদাধিকারীদের প্রত্যেককে ১০০ জন করে সদস্য সংগ্রহের টার্গেট বেঁধে দেওয়া হয়েছে।
জেলায় বিজেপির ২৪টি মণ্ডল আছে। বিজেপির প্রতিটি মণ্ডলে ৬১ জন করে সদস্য আছেন। মণ্ডলের প্রত্যেক সদস্য আগামী দু’দিনে ১০০ জন করে সদস্য সংগ্রহ করতে পারবেন কি না, তা নিয়ে বিজেপির নিচুতলাও সন্দিহান। কারণ দলের সদস্য হতে সাধারণ মানুষের মধ্যে কোনওরকম উৎসাহ আগ্রহ নেই। তাই ভাটা পড়েছে সদস্য সংগ্রহ অভিযানে।
দলের সদস্য সংগ্রহ অভিযানের হতাশাজনক ফলের কথা স্বীকার করে নিয়েছেন বিজেপির জেলা সভাপতি এমপি মনোজ টিগ্গা। তিনি বলেন, এটা ঠিক যে হাতে আর মাত্র দু’ দিন সময় বাকি। ফলে এই সময়ের মধ্যে দুই লক্ষ সদস্য সংগ্রহের টার্গেটে আর পৌঁছনো যাবে না। আসলে উপ নির্বাচনের কারণে আমাদের জেলায় দেরিতে দলের সদস্য সংগ্রহ অভিযান শুরু হয়েছিল। তার জন্যই দুই লক্ষ সদস্য সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছনো যাচ্ছে না। ফলে এখন এক লক্ষ সংগ্রহের জন্য দলের মণ্ডল পদাধিকারীদের প্রত্যেককে ১০০ জন করে সদস্য সংগ্রহের টার্গেট বেঁধে দেওয়া হয়েছে।
জেলায় বিজেপির ২৪টি মণ্ডল আছে। বিজেপির প্রতিটি মণ্ডলে ৬১ জন করে সদস্য আছেন। মণ্ডলের প্রত্যেক সদস্য আগামী দু’দিনে ১০০ জন করে সদস্য সংগ্রহ করতে পারবেন কি না, তা নিয়ে বিজেপির নিচুতলাও সন্দিহান। কারণ দলের সদস্য হতে সাধারণ মানুষের মধ্যে কোনওরকম উৎসাহ আগ্রহ নেই। তাই ভাটা পড়েছে সদস্য সংগ্রহ অভিযানে।



