নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: রাজ্য সরকারের ডিরেক্টরেট ও আঞ্চলিক পর্যায়ের অফিসগুলির কর্মীদের পদোন্নতি ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির জন্য গঠিত উচ্চ পর্যায়ের কমিটির প্রথম বৈঠকটি আগামী কাল, বৃহস্পতিবার নবান্নে হবে। ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর মাসে অর্থমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টচার্যের নেতৃত্বে এই বিশেষ কমিটি গঠন করে নবান্ন। শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু কো-চেয়ারম্যান হিসেবে কমিটিতে আছেন। বেশ কয়েকটি দপ্তরের সচিব এবং অন্যান্য আধিকারিক ও কর্মীদের প্রতিনিধিরা ১০ সদস্যর কমিটিতে আছেন।
Advertisement
রাজ্য সরকারি কর্মীদের মধ্যে ৯৫ শতাংশের বেশি ডিরেক্টরেট ও আঞ্চলিক অফিসগুলিতে কাজ করেন। পাবলিক সার্ভিস কমিশনের একই পরীক্ষা সফল হয়ে লোয়ার ডিভিশন অ্যাসিস্ট্যান্ট (এলডিএ) হিসেবে সাধারণ কর্মীরা সচিবালয় ও এই দুটি শ্রেণির অফিসগুলিতে কর্মজীবন শুরু করেন। কিন্তু সচিবালয়ের এলডিএরা পদোন্নতির মাধ্যমে যুগ্নসচিব, অতিরিক্ত সচিবের মতো আধিকারিক হওয়ার সুযোগ পান। কিন্তু ডিরেক্টরেট ও আঞ্চলিক অফিসের কর্মীরা গোটা কর্মজীবনে বড় জোর দুটি বা তিনটি পদোন্নতি পান। এই বৈষম্য দূর করার জন্য বহু বছর ধরে দাবি করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সরকারি কর্মী সংগঠনের প্রবীণ নেতা মনোজ চক্রবর্তী। অবশেষে কমিটির বৈঠক হওয়ায় পদোন্নতির ক্ষেত্রে এই বৈষম্য দূর হবে বলে কর্মিমহল আশা করছে। আঞ্চলিক অফিসে ৯০ শতাংশের বেশি সরকারি কর্মী কাজ করলেও তাঁদের পদোন্নতির সুযোগ সবথেকে কম। গোটা চাকরি জীবনে মাত্র একটি পদোন্নতি পাওয়ার সুযোগ হয় বেশিরভাগ কর্মীর এমন অভিযোগ সরকারের শীর্ষ স্তরে গিয়েছে।



