নিজস্ব প্রতিনিধি, আসানসোল: কয়লা পাচারকাণ্ডে বাজেয়াপ্ত হওয়া ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে ফিরে পেতে মরিয়া অনুপ মাজি ওরফে লালা। সিবিআইয়ের নজরে কয়লা পাচারের কিংপিন লালা তাঁর নিজের ও তাঁর ঘনিষ্ঠ আত্মীয়দের ২৫টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের নিয়ন্ত্রণ ফিরে পেতে আর্জি জানিয়েছেন আসানসোল সিবিআই বিশেষ আদালতে। বুধবার লালার আইনজীবীর মাধ্যমে আর্জি পেতেই বিচারক রাজেশ চক্রবর্তী প্রশ্ন করেন, অ্যাকাউন্টগুলিতে মোট কত টাকা আটকে রয়েছে? এই প্রশ্নের উত্তর সুকৌশলে এড়িয়ে যান লালার আইনজীবী। তিনি বলেন, বিষয়টি জানা নেই। বিচারক আগামী ৬ মার্চ আবেদনের শুনানির দিন ধার্য করেন। এবার সিবিআইয়ের তদন্তকারী অফিসারকে জানাতে হবে, অ্যাকাউন্টগুলির নিয়ন্ত্রণ লালা ফিরে পেলে তাদের কোন আপত্তি আছে কি না।
Advertisement
আসানসোল সিবিআই বিশেষ আদালতের আইনজীবী রাকেশ কুমার বলেন, ২০ থেকে ২৫টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের নিয়ন্ত্রণ ফিরে পেতে অনুপ মাঝি আদালতে আর্জি করেছেন। বিচারক জানতে চেয়েছিলেন, মোট কত টাকা আটকে রয়েছে। ৬ মার্চ তদন্তকারী অফিসার তাঁর অবস্থান জানাবেন।
কয়লা পাচারের ঘটনায় সিবিআই তদন্ত নিয়ে কয়েক বছর ধরে সরগরম থেকেছে শিল্পাঞ্চল। কয়লাপাচার নিয়ে তল্লাশিতে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছিল রাজনৈতিক মহলে। তদন্তের মুখে পড়তে হয়েছিল রাজ্যের আইনমন্ত্রী মলয় ঘটককেও। সিবিআই কয়েক দফায় এই মামলার চার্জশিট দেয়। কয়লা পাচারের কিংপিন হিসেবে লালার নাম উঠে আসে। ১৩৪০ কোটি টাকার কয়লা পাচার হয়েছে বলে চার্জশিটে উল্লেখ্য রয়েছে। চার্জ গঠনের পর সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়েছে এই মামলায়। এরই মাঝে লালার এই আবেদনে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
প্রসঙ্গত, কয়লাপাচার কাণ্ডে লালা কিংপিন বলা হলেও তাঁকে একদিনও সিবিআই হেফাজতে থাকতে হয়নি। তাঁর বাড়ি অফিস দফায় দফায় তল্লাশি, সিজ করেছে সিবিআই। সুপ্রিম কোর্টের রক্ষাকবচ থাকায় তাঁর গায়ে হাত পড়েনি। এখন দেখার লালার অ্যাকাউন্ট নিয়ে কী অবস্থান নেয় সিবিআই।
সিবিআই তদন্তে গ্রেপ্তার হওয়া অনুব্রত মণ্ডল থেকে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক সকলেই জামিন পেয়েছেন। জামিন হয়েছে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের। এই পরিস্থিতিতে লালার অ্যাকাউন্ট ফিরে পাওয়ার আবেদন যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ।
কয়লা পাচারের ঘটনায় সিবিআই তদন্ত নিয়ে কয়েক বছর ধরে সরগরম থেকেছে শিল্পাঞ্চল। কয়লাপাচার নিয়ে তল্লাশিতে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছিল রাজনৈতিক মহলে। তদন্তের মুখে পড়তে হয়েছিল রাজ্যের আইনমন্ত্রী মলয় ঘটককেও। সিবিআই কয়েক দফায় এই মামলার চার্জশিট দেয়। কয়লা পাচারের কিংপিন হিসেবে লালার নাম উঠে আসে। ১৩৪০ কোটি টাকার কয়লা পাচার হয়েছে বলে চার্জশিটে উল্লেখ্য রয়েছে। চার্জ গঠনের পর সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়েছে এই মামলায়। এরই মাঝে লালার এই আবেদনে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
প্রসঙ্গত, কয়লাপাচার কাণ্ডে লালা কিংপিন বলা হলেও তাঁকে একদিনও সিবিআই হেফাজতে থাকতে হয়নি। তাঁর বাড়ি অফিস দফায় দফায় তল্লাশি, সিজ করেছে সিবিআই। সুপ্রিম কোর্টের রক্ষাকবচ থাকায় তাঁর গায়ে হাত পড়েনি। এখন দেখার লালার অ্যাকাউন্ট নিয়ে কী অবস্থান নেয় সিবিআই।
সিবিআই তদন্তে গ্রেপ্তার হওয়া অনুব্রত মণ্ডল থেকে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক সকলেই জামিন পেয়েছেন। জামিন হয়েছে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের। এই পরিস্থিতিতে লালার অ্যাকাউন্ট ফিরে পাওয়ার আবেদন যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ।



