সুমন তেওয়ারি, আসানসোল: ১৩৪০ কোটি টাকার কয়লা পাচার মামলায় মঙ্গলবার ৪৯ জনের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন হল আসানসোল সিবিআই বিশেষ আদালতে। তবে, মূল অভিযুক্ত হিসেবে কোনও রাজনৈতিক নেতা নয়, অনুপ মাজি ওরফে লালার বিরুদ্ধে চার্জ গঠন হয়েছে। ৩১ মিলিয়ন টন কয়লা পাচারের চার্জ গঠনের দিনে তাঁর বিরুদ্ধেই সবচেয়ে বেশি ধারায় অভিযোগ এনেছে সিবিআই। লালা ছাড়াও চার্জ গঠন হয়েছে ইসিএল-সিআইএসএফের ১২ আধিকারিকের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, তাঁরা ঘুষের বিনিময়ে ইসিএলের জমিতে এই অবৈধ কয়লা কারবারকে প্রশ্রয় দিয়েছেন ও পাচারে সহযোগিতা করেছেন। চোরাই কয়লা কেনা ও পাচার করার অভিযোগে ১০টি কারখানার শীর্ষ আধিকারিকদের বিরুদ্ধেও চার্জ গঠন হয়েছে। এদিন চার্জ গঠনের পর সাক্ষ্যগ্রহণ পর্বের জন্যও দিন ধার্য করে দিয়েছেন বিচারক রাজেশ চক্রবর্তী। আগামী বছর ২১ জানুয়ারি পরবর্তী শুনানির দিন শুরু হচ্ছে এই মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ পর্ব। অভিযুক্তদের আইনজীবী সোমনাথ চট্টরাজ ও অভিষেক মুখোপাধ্যায় বলেন, ৪৯ জনের নামে চার্জ গঠন হয়েছে। সাক্ষ্যগ্রহণ পর্ব শুরু হতে চলেছে।
Advertisement
এদিন সকাল ১১টা থেকেই চার্জ গঠন প্রক্রিয়া শুরু হয়। মোট ৫০ জনের বিরুদ্ধে সিবিআই এই মামলায় চার্জশিট দিয়েছিল। তারমধ্যে বিনয় মিশ্র পলাতক রয়েছে। ৪৯ জন অভিযুক্তর মধ্যে ৪৬ জন আদালত কক্ষে হাজির ছিলেন। ভার্চুয়াল মাধ্যমে হাজির করানো হয় অসুস্থ প্রাক্তন ইসিএল আধিকারিক তন্ময় দাস ও নরেশ সাহাকে। অন্য মামলায় প্রেসিডেন্সি জেলে থাকা বিকাশ মিশ্রকে সংশোধনাগার থেকে ভার্চুয়ালি হাজির করানো হয়। ইসিএলের তৎকালীন ডিরেক্টর টেকনিক্যাল সুনীল কুমার ঝা, সিকিউরিটি বিভাগের প্রধান তন্ময় দাস, জিএম পদমর্যাদায় থাকা সুশান্ত বন্দ্যোপাধ্যায়, সুভাষকুমার মুখোপাধ্যায়, অভিজিৎ মল্লিক, অমিতকুমার ধর, নরেশকুমার সাহা সহ মোট ১২ জনের বিরুদ্ধে চার্জ পড়ে শোনানো হয় আদালতে। তারপরই এই মামলার কিংপিন অনুপ মাজির বিরুদ্ধে আনা চার্জ ইংরেজিতে পড়ে শোনান সিবিআইয়ের আইনজীবী রাকেশ কুমার।
বিচারক লালাকে জিজ্ঞাসা করেন, আপনি কিছু বুঝতে পারলেন? লালা বলেন, না, তিনি কিছুই বোঝেননি। এরপর বিচারক চার্জের প্রতিটি ধারা উল্লেখ করে বাংলায় তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ তুলে ধরেন। জানানো হয়, তিনি ও তাঁর লোকজন মিলে ইসিএলের জমি, তার পাশ্ববর্তী জমি ও রেলের সাইডিং থেকে ওই বিপুল পরিমাণ কয়লা লুট করেছেন। সেই চোরাই সামগ্রী বিক্রি করে অসাধু উপায়ে বিপুল মুনাফা পেয়েছেন। চুরির কয়লা পাচার করতে নকল চালান তৈরি করেছেন। যদিও লালা আদালত কক্ষে বলেন, আমি নির্দোষ।
দক্ষিণবঙ্গের অতি পরিচিত চার কয়লা কারবারি জয়দেব মণ্ডল, নীরদ মণ্ডল, গুরুপদ খাঁ, নারায়ণ খাড়কার বিরুদ্ধেও এদিন একাধিক ধারায় চার্জ গঠন হয়। চার্জ গঠন হয় বিকাশ মিশ্র, রত্নেশ ভর্মার বিরুদ্ধেও। এছাড়াও লালার সহযোগী হিসেবে কাজ করা চণ্ডী বাউরি, প্রিয়ব্রত চক্রবর্তী, তারকেশ্বর রায়, জামুড়িয়ার সদরুদ্দিন, বিকাশ গড়াই সহ ২০ জনের বিরুদ্ধেও এদিন চার্জ গঠন হয়েছে।
বিচারক লালাকে জিজ্ঞাসা করেন, আপনি কিছু বুঝতে পারলেন? লালা বলেন, না, তিনি কিছুই বোঝেননি। এরপর বিচারক চার্জের প্রতিটি ধারা উল্লেখ করে বাংলায় তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ তুলে ধরেন। জানানো হয়, তিনি ও তাঁর লোকজন মিলে ইসিএলের জমি, তার পাশ্ববর্তী জমি ও রেলের সাইডিং থেকে ওই বিপুল পরিমাণ কয়লা লুট করেছেন। সেই চোরাই সামগ্রী বিক্রি করে অসাধু উপায়ে বিপুল মুনাফা পেয়েছেন। চুরির কয়লা পাচার করতে নকল চালান তৈরি করেছেন। যদিও লালা আদালত কক্ষে বলেন, আমি নির্দোষ।
দক্ষিণবঙ্গের অতি পরিচিত চার কয়লা কারবারি জয়দেব মণ্ডল, নীরদ মণ্ডল, গুরুপদ খাঁ, নারায়ণ খাড়কার বিরুদ্ধেও এদিন একাধিক ধারায় চার্জ গঠন হয়। চার্জ গঠন হয় বিকাশ মিশ্র, রত্নেশ ভর্মার বিরুদ্ধেও। এছাড়াও লালার সহযোগী হিসেবে কাজ করা চণ্ডী বাউরি, প্রিয়ব্রত চক্রবর্তী, তারকেশ্বর রায়, জামুড়িয়ার সদরুদ্দিন, বিকাশ গড়াই সহ ২০ জনের বিরুদ্ধেও এদিন চার্জ গঠন হয়েছে।



