Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

কাঁকসায় সরকারি মাঠ দখলের অভিযোগ নিয়ে ব্লক অফিসে প্রশাসনিক বৈঠক

কাঁকসায় সরকারি মাঠ দখলের অভিযোগ নিয়ে ব্লক অফিসে প্রশাসনিক বৈঠক
  • ২৭ নভেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
সংবাদদাতা, মানকর: কাঁকসার রঘুনাথপুর এলাকার একটি সরকারি মাঠ দখল হয়ে যাওয়ার অভিযোগ তুলে প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছিলেন স্থানীয় বাসিন্দা থেকে আদিবাসী বিভিন্ন সংগঠন। মঙ্গলবার কাঁকসা ব্লক অফিসে একাধিক আদিবাসী সংগঠনের সঙ্গে ব্লক অফিসের আধিকারিকরা বৈঠকে বসেন। আদিবাসী সংগঠন সূত্রে জানা যায়, রঘুনাথপুর মৌজার ওই মাঠ রাজ্যপালের ডাঙা নামে পরিচিত। প্রায় ৪২ বিঘা আয়তনের এই মাঠের ৩৮ বিঘা সরকারি খাস জমি। মাঠটি ১৯৭১ সাল থেকে আদিবাসীদের জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে। সেই সময় নকশাল আন্দোলনের সঙ্গে বহু আদিবাসী মানুষ জড়িয়ে পড়েছিলেন। তাঁদের মূল স্রোতে ফিরিয়ে আনার জন্যই রাজ্য সরকার ও জেলা পুলিস রঘুনাথপুরের এই মাঠে ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন করে। ১৯৭৮ সালে রাজ্যপাল ত্রিভুবন নারায়ণ সিংহ এই মাঠে এসে একটি ভবন তৈরি করেন। সেই থেকেই এলাকায় মাঠটি রাজ্যপালের ডাঙা হিসেবে পরিচিত। এদিন বৈঠকের পর দিশম আদিবাসী গাঁওতার পক্ষে ভুবন মান্ডি বলেন, ওই মাঠে গাছ কাটা হচ্ছিল। বিভিন্ন সংগঠন তার প্রতিবাদ করছে। তবে বৈঠকে বনদপ্তরের পক্ষ থেকে কেউ উপস্থিত ছিলেন না। তিনি বলেন, দিনে-দুপুরে প্রায় ৪০টি গাছ কাটা হয়েছে। কিন্তু প্রশাসন ঘুমিয়ে আছে। এই চক্রের পিছনে কারা যুক্ত আদিবাসী সমাজ তা জানতে চাইছে। প্রকৃত সত্য সামনে আসুক। আগামী সাতদিনের মধ্যে কোনও পদক্ষেপ না নেওয়া হলে বৃহত্তর আন্দোলন হবে। প্রতিবাদীরা বলেন, গাছ কাটা বন্ধ হলেও ওই জমিতে তাঁবু খাটিয়ে এখনও যারা গাছ কাটছিল তারা রয়েছে। আমাদের দাবি, প্রশাসনের পক্ষ থেকে ওই ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ করলেই কার অনুমতিতে গাছ কাটতে এসেছেন তা বেরিয়ে যাবে। বনদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, এক জায়গার অনুমতি নিয়ে অন্য জায়গায় গাছ কাটা হচ্ছিল। নজরে আসতেই দপ্তর গাছ কাটা বন্ধ করেছে। 
Advertisement
এদিনের বৈঠক নিয়ে কাঁকসা ব্লকের বিডিও পর্ণা দে বলেন, জমি সংক্রান্ত একটি বৈঠক ছিল। আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখছি। কাজ শুরুও হয়েছে। বৈঠকে গাছ কাটার বিষয়টি উঠে এসেছে। বনদপ্তরকে চিঠি করা হয়েছে।
সম্পর্কিত সংবাদ