সংবাদদাতা, মানকর: কাঁকসার ধোবারু মোড়ের কাছে পানাগড়-দুবরাজপুর রাজ্য সড়কে গর্ত দেখা দিয়েছে। ব্যস্ত রাস্তার একাংশে ওই গর্ত থাকায় দুর্ঘটনাও ঘটছে। স্থানীয়রা তাড়াতাড়ি সেটি সংস্কারের দাবি তুলেছেন। পূর্তদপ্তর জানিয়েছে, বিভিন্ন সময়ে রাস্তাটি সংস্কার করা হয়। কোথাও সমস্যা থাকলে খতিয়ে দেখে সমাধান করা হবে।
Advertisement
দক্ষিণবঙ্গের সঙ্গে উত্তরবঙ্গের সংযোগ রক্ষার অন্যতম মাধ্যম পানাগড়-দুবরাজপুর রাজ্য সড়ক। এই রাস্তার ২৩ কিমি কাঁকসা থানা এলাকায় রয়েছে। প্রতিদিন এরাস্তা দিয়ে কয়েকহাজার ট্রাক ও ডাম্পার যাতায়াত করে। বিভিন্ন রুটের বহু সরকারি ও বেসরকারি বাসও চলে। দু’বছর আগে রাস্তাটির পূর্ণ সংস্কার করা হয়। কিন্তু বেশ কয়েক মাস ধরে ধোবারু মোড়ের কাছে রাস্তার একাংশ বেহাল দশায় রয়েছে। ওই মোড় থেকে পানাগড়ের দিকে যেতে রাস্তার বাঁদিকে লম্বা গর্ত রয়েছে। বড় গাড়ির চালকরা গর্তটি এড়াতে চাওয়ায় লেন ভেঙে অন্যপাশে চলে আসছেন। এতে দুর্ঘটনার আশঙ্কা বাড়ছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এলাকার এক বাসিন্দা বলেন, পিচ দিয়ে এই গর্তটি ভরাট করা হয়েছিল। কিন্তু তাতে রাস্তা থেকে জায়গাটা বেশ কিছুটা উঁচু হয়ে পড়ে। পরে কয়েকদিনের টানা বৃষ্টিতে গর্তটি ফের বেরিয়ে পড়েছে। এতে গাড়িচালকরা সমস্যায় পড়ছেন। বিশেষত রাতে অনেক গাড়িচালকই বুঝতে পারছেন না, ওই জায়গায় গর্ত রয়েছে। ফলে সেখানে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাড়ি রাস্তা থেকে নীচে নেমে যাচ্ছে। এমনকী, বেশ কিছুদিন আগে ওই জায়গায় দু’টি ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। দুই ট্রাকের চালকই গুরুতর জখম হন। একটি চারচাকা গাড়ির চালকও দুর্ঘটনার কবলে পড়েছিলেন। তাঁকে গুরুতর জখম অবস্থায় দুর্গাপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল।
নিত্যযাত্রী সাহেব মণ্ডল বলেন, এই গুরুত্বপূর্ণ রাস্তায় গাড়ির ব্যাপক চাপ থাকে। আমি প্রতিদিন বাইক নিয়ে এই রাস্তা দিয়ে যাই। ইলামবাজারের দিকে যাওয়ার সময় ধোবারু মোড়ের কাছে খুব সতর্ক থাকতে হয়। তার কারণ বিভিন্ন লরি, ডাম্পার গর্ত এড়াতে লেন ভেঙে অন্যদিকে চলে আসছে। আবার ফেরার সময় খুব ধীরগতিতে এই জায়গাটা পার করতে হয়।
বাসযাত্রী সুমিত্রা লাহা বলেন, এলাকার বহু মানুষ বাসে পানাগড় স্টেশনে আসেন। একাধিক স্কুল, কলেজের পড়ুয়া, বিভিন্ন অফিসের কর্মীরা বাসে চলাচল করেন। কয়েকদিন আগে ধোবারু মোড়ের কাছে রাস্তার গর্ত এড়াতে উল্টোদিক থেকে আচমকা একটি ট্রাক বাসের মুখোমুখি চলে এসেছিল। সেদিন বরাতজোরে রক্ষা পেয়েছি। তাড়াতাড়ি রাস্তার ওই অংশ সংস্কার করা হোক।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এলাকার এক বাসিন্দা বলেন, পিচ দিয়ে এই গর্তটি ভরাট করা হয়েছিল। কিন্তু তাতে রাস্তা থেকে জায়গাটা বেশ কিছুটা উঁচু হয়ে পড়ে। পরে কয়েকদিনের টানা বৃষ্টিতে গর্তটি ফের বেরিয়ে পড়েছে। এতে গাড়িচালকরা সমস্যায় পড়ছেন। বিশেষত রাতে অনেক গাড়িচালকই বুঝতে পারছেন না, ওই জায়গায় গর্ত রয়েছে। ফলে সেখানে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাড়ি রাস্তা থেকে নীচে নেমে যাচ্ছে। এমনকী, বেশ কিছুদিন আগে ওই জায়গায় দু’টি ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। দুই ট্রাকের চালকই গুরুতর জখম হন। একটি চারচাকা গাড়ির চালকও দুর্ঘটনার কবলে পড়েছিলেন। তাঁকে গুরুতর জখম অবস্থায় দুর্গাপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল।
নিত্যযাত্রী সাহেব মণ্ডল বলেন, এই গুরুত্বপূর্ণ রাস্তায় গাড়ির ব্যাপক চাপ থাকে। আমি প্রতিদিন বাইক নিয়ে এই রাস্তা দিয়ে যাই। ইলামবাজারের দিকে যাওয়ার সময় ধোবারু মোড়ের কাছে খুব সতর্ক থাকতে হয়। তার কারণ বিভিন্ন লরি, ডাম্পার গর্ত এড়াতে লেন ভেঙে অন্যদিকে চলে আসছে। আবার ফেরার সময় খুব ধীরগতিতে এই জায়গাটা পার করতে হয়।
বাসযাত্রী সুমিত্রা লাহা বলেন, এলাকার বহু মানুষ বাসে পানাগড় স্টেশনে আসেন। একাধিক স্কুল, কলেজের পড়ুয়া, বিভিন্ন অফিসের কর্মীরা বাসে চলাচল করেন। কয়েকদিন আগে ধোবারু মোড়ের কাছে রাস্তার গর্ত এড়াতে উল্টোদিক থেকে আচমকা একটি ট্রাক বাসের মুখোমুখি চলে এসেছিল। সেদিন বরাতজোরে রক্ষা পেয়েছি। তাড়াতাড়ি রাস্তার ওই অংশ সংস্কার করা হোক।



