সংবাদদাতা, মানকর: কাঁকসার অজয় ও দামোদর তীরবর্তী এলাকায় মঙ্গল ও বুধবার দু’ দিন ধরেপাখি গণনা ও সমীক্ষা করল বনদপ্তর। সেখানে গ্রে হেরন, পিড কিংফিশার, লাল রঙের বাহারি বুলুবুল ইত্যাদির সন্ধান মিলেছে। দুর্গাপুরের রেঞ্জার সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, সমীক্ষা চলছে। প্রতি বছরই এই সমীক্ষা হয়। বিভিন্ন পরিযায়ী পাখির সন্ধান মিলেছে। পাশাপাশি পাখি বাঁচাতে মানুষকেও সচেতন করা হয়েছে।
Advertisement
রাজ্যের যে সমস্ত জলাধার পরিযায়ী পাখিদের পছন্দ, তাদের মধ্যে অন্যতম কাঁকসার অজয় ও দামোদর নদ। প্রতি বছর শীতকালে দেশ-বিদেশ থেকে অসংখ্য পরিযায়ী পাখি এই দুই নদ ও সংলগ্ন জলাধারে আসে। শীত কাটিয়ে পাখির দল ফিরে যায় নিজের দেশে। কাঁকসায় আসা এই পরিযায়ী পাখির সংখ্যা, তাদের গতিপ্রকৃতি ও স্বভাব জানার জন্য প্রতি বছর জলাধারে পাখি গণনার কাজ করে বনদপ্তর। পাখি বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে নিয়ে জলাধারের বিভিন্ন অংশে ঘুরে তথ্য ও ছবি সংগ্রহ করা হয়।
দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, পরিযায়ী পাখিদের আসা জলাশয়ের উপর নির্ভর করে। সাধারণত জলের ৭০ ভাগ পরিষ্কার ও ৩০ ভাগ কচুরিপানা হলে পাখি বেশি আসে। কিন্তু জল কচুরিপানায় ঢেকে থাকলে পাখির আসা কমে যায়। কারণ পাখি বসবাসের উপযুক্ত পরিবেশ পায় না। পক্ষীপ্রেমীরা বলেন, বিশেষ কোনও কারণ নাঘটলে প্রতি বছর পরিযায়ী পাখিরা নির্দিষ্ট সময়ে একই জলাশয়ে ফিরে আসে। কিন্তু উপযুক্ত পরিবেশ না থাকলে পাখিরা বিকল্প জায়গার খোঁজ করে। দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, গণনার কাজে কর্মীদের সঙ্গে বার্ড ওয়াচার অর্থাৎ পক্ষী পর্যবেক্ষক, পক্ষীপ্রেমী ও বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন যুক্ত রয়েছে। পর্যবেক্ষকরা পাখি দেখে চিহ্নিত করেন সেই পাখির নাম, কোন দেশ থেকে এসেছে ইত্যাদি। সুদীপবাবু জানান, বুধবার দামোদর সংলগ্ন আমলাজোড়া, বামনাবেড়া সহ বিভিন্ন এলাকায় সমীক্ষা করা হচ্ছে। দু’ দিনের সমীক্ষায় রুডি সেলডাক, লার্জ ইগ্রেট, কালো ফিঙে ইত্যাদি পাখির সন্ধান মিলেছে। স্থানীয় বাসিন্দা প্রশান্ত বাগদি বলেন, শীতকালে বিভিন্ন ধরনের পাখি আসে। সব পাখির নাম জানি না। বনদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, পাখিদের যাতে সমস্যা না হয় সেদিকে নজরদারি চলবে। ডিএফও সঞ্চিতা শর্মা বলেন, গণনার শেষে পরিযায়ী পাখির সংখ্যা পাওয়া যাবে। সোমবার সেই সংখ্যা প্রকাশ করা হবে।
দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, পরিযায়ী পাখিদের আসা জলাশয়ের উপর নির্ভর করে। সাধারণত জলের ৭০ ভাগ পরিষ্কার ও ৩০ ভাগ কচুরিপানা হলে পাখি বেশি আসে। কিন্তু জল কচুরিপানায় ঢেকে থাকলে পাখির আসা কমে যায়। কারণ পাখি বসবাসের উপযুক্ত পরিবেশ পায় না। পক্ষীপ্রেমীরা বলেন, বিশেষ কোনও কারণ নাঘটলে প্রতি বছর পরিযায়ী পাখিরা নির্দিষ্ট সময়ে একই জলাশয়ে ফিরে আসে। কিন্তু উপযুক্ত পরিবেশ না থাকলে পাখিরা বিকল্প জায়গার খোঁজ করে। দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, গণনার কাজে কর্মীদের সঙ্গে বার্ড ওয়াচার অর্থাৎ পক্ষী পর্যবেক্ষক, পক্ষীপ্রেমী ও বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন যুক্ত রয়েছে। পর্যবেক্ষকরা পাখি দেখে চিহ্নিত করেন সেই পাখির নাম, কোন দেশ থেকে এসেছে ইত্যাদি। সুদীপবাবু জানান, বুধবার দামোদর সংলগ্ন আমলাজোড়া, বামনাবেড়া সহ বিভিন্ন এলাকায় সমীক্ষা করা হচ্ছে। দু’ দিনের সমীক্ষায় রুডি সেলডাক, লার্জ ইগ্রেট, কালো ফিঙে ইত্যাদি পাখির সন্ধান মিলেছে। স্থানীয় বাসিন্দা প্রশান্ত বাগদি বলেন, শীতকালে বিভিন্ন ধরনের পাখি আসে। সব পাখির নাম জানি না। বনদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, পাখিদের যাতে সমস্যা না হয় সেদিকে নজরদারি চলবে। ডিএফও সঞ্চিতা শর্মা বলেন, গণনার শেষে পরিযায়ী পাখির সংখ্যা পাওয়া যাবে। সোমবার সেই সংখ্যা প্রকাশ করা হবে।



