Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

কাঁকসা আন্ডারপাস সংলগ্ন সার্ভিস রোড অবরোধ অতিষ্ট বাসিন্দাদের

কাঁকসা আন্ডারপাস সংলগ্ন সার্ভিস রোড অবরোধ অতিষ্ট বাসিন্দাদের
  • ২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
সংবাদদাতা, মানকর: ধুলোর জেরে অতিষ্ট হয়ে শনিবার ফের ১৯নম্বর জাতীয় সড়কের কাঁকসা আন্ডারপাস সংলগ্ন সার্ভিস রোড অবরোধ করলেন বাসিন্দারা। তাঁদের অভিযোগ, প্রায় মাস দেড়েক আগে জাতীয় সড়কের এই সার্ভিস রোড সংস্কারের জন্য সম্পূর্ণভাবে খোঁড়া হয়। কিন্তু কাজের অগ্রগতি না হওয়ায় গাড়ি গেলেই ধুলোয় ঢাকছে চারদিক। ধুলোর জন্য হাঁচিকাশি সহ নানা শারীরিক সমস্যা হচ্ছে। অবরোধের খবর পেয়ে এলাকায় আসে কাঁকসা থানার পুলিস ও জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষের আধিকারিকরা। স্থানীয়দের সঙ্গে বচসা হয়। প্রায় ঘণ্টাদেড়েক পর নিয়মিত জল ছেটানোর আশ্বাস দেওয়া হলে অবরোধ ওঠে। 
Advertisement
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, জাতীয় সড়কের সার্ভিস রোড সংস্কারের জন্য মাসখানেক আগে সম্পূর্ণভাবে খোঁড়া হয়। তখনই রাস্তায় যাতে নিয়মিত জল দেওয়া হয় সেবিষয়ে আর্জি জানানো হয়েছিল। কারণ রাস্তার ধারেই জনবসতি রয়েছে। পিচ তুলে নেওয়ায় রাস্তায় ব্যাপক ধুলো উড়ছে। কিন্তু নিয়মিত জল দেওয়া হচ্ছে না। পাশাপাশি এই সার্ভিস রোড দিয়ে একদিকে কাঁকসার ভিতরে যাওয়া যায়। অন্যদিকে পানাগড়-মোড়গ্রাম রাজ্য সড়কে ওঠা যায়। ফলে ইলামবাজার, বীরভূমগামী বড় ট্রাক, ডাম্পার এই রাস্তা ধরেই রাজ্য সড়কে ওঠে। সারাদিন সার্ভিস রোডে ব্যাপক চাপ থাকে। ধুলো উড়তে থাকে। কয়েকদিন আগে রাস্তা বন্ধ করে বিক্ষোভ দেখিয়েছিলেন এলাকার বাসিন্দারা। তখন পুলিসের পক্ষ থেকে রাস্তা দিয়ে গাড়ি চলাচল বন্ধ করা হয়। তাতে ধুলোর হাত থেকে কিছুটা রক্ষা পেলেও আচমকা ফের এই রাস্তাটি বড় গাড়ি চলাচলের জন্য ফের খুলে দেওয়া হয়। তাতে আগের মতোই ধুলোর সমস্যায় পড়ছেন স্থানীয়রা। তার প্রতিবাদে এদিন সকাল ১০টা থেকে সার্ভিস রোড অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন বাসিন্দারা। স্থানীয় বাসিন্দা সজল সাহা বলেন, রাস্তা খুব ভালো ছিল। পিচ তুলে নেওয়ার সময় আমরা বাধা দিয়েছিলাম। ইট দিয়ে নতুন রাস্তা তৈরি হবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু দীর্ঘদিন হয়ে গেলেও পিচ তুলে দেওয়ার পর থেকে আর নতুন কাজ হয়নি। জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ কেবলমাত্র আশ্বাস দিচ্ছে। আমরা অসুস্থ হয়ে পড়ছি। প্রশাসন নীরব। গৃহবধূ অর্চনা মণ্ডল বলেন, ধুলোর জন্য বাড়িতে থাকতে পারছি না। দরজা-জানালা বন্ধ রাখতে হচ্ছে। তাতেও সবার কাশি ও শ্বাসকষ্ট হচ্ছে। দ্রুত কাজ শেষ করা হোক। এদিন পুলিসের সামনে ওই রাস্তা বন্ধ রাখারও দাবি তোলেন স্থানীয়রা। 
ঠিকাদার সংস্থার এক কর্মী বলেন, বালি সহ কিছু সমস্যা রয়েছে। আমরা এর বেশি জানি না। জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষের আধিকারিক সৈকত কর বলেন, ঠিকাদার দ্রুত কাজ শুরু করার আশ্বাস দিয়েছেন। ততদিন নিয়মিত জল দেওয়া হবে।
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ