নিজস্ব প্রতিনিধি, সিউড়ি: পুলিসি জিজ্ঞাসাবাদে কোনওভাবেই মুখ খুলছে না কাঁকরতলার যুবক খুনের ঘটনায় ধৃত প্রেমিকা সহ দু’জন। তবে যুবককে ফোন করে ডাকার পরই খুন করা হয়েছিল বলে যথেষ্ট প্রমাণ পাচ্ছে পুলিস। ওইদিন দুপুরে প্রেমিকার কাছ থেকে ফোন পান ওই যুবক। সেই ফোন পেয়েই ঘাস কাটার নাম করে বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন তিনি। বিকালের পর খুন করা হয় তাঁকে। কিন্তু খুন করার প্রসঙ্গে ধৃতরা কেউই মুখ না খোলায় পুলিস চিন্তায় পড়েছে। যদিও হেফাজতে থাকাকালীনই খুনের পিছনের প্রকৃত কারণ উঠে আসবে বলে আশায় রয়েছেন তদন্তকারীরা।
Advertisement
গত বুধবার রসা গ্রামের একটি খাদানের পাশের জলাশয় থেকে বস্তাবন্দি দেহ উদ্ধার হয় সাহাপুরের যুবক শেখ ইনসানের। সোমবার থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন। দেহ উদ্ধারের দিনই পুলিস গ্রেপ্তার করে দু’জনকে। একজন ইনসানের বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কের প্রেমিকা বন্দনা বাগদি ও অপরজন স্থানীয় বাসিন্দা বিদ্যুৎ মণ্ডল। বন্দনার সঙ্গে দীর্ঘদিন ইনসানের প্রণয়ের সম্পর্ক থাকলেও পরে বিদ্যুতের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে বন্দনা। শুধু তাই নয়, স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, বন্দনা আরও বেশ কয়েকজনের সঙ্গে সম্পর্ক রাখত সমান্তরালভাবে। পুলিস তাদের দু’জনকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে ঘটনাটি বোঝার চেষ্টা করছে। কিন্তু খুনে এই দু’জন জড়িত থাকার কথা নিশ্চিত হলেও খুনের মোটিভ ও ঘটনাস্থল নিয়ে এখনও পুলিস হাতড়ে বেড়াচ্ছে। তদন্তকারী অফিসাররা বন্দনার ফোনের কল ডিটেলস খতিয়ে দেখেছেন। সেখানে দেখা গেছে, ঘটনার দিন বন্দনাই ইনসানকে ফোন করেছিল। এর আগে তাদের দু’জনের মধ্যে নিয়মিত কথা হতো। পাশাপাশি বন্দনার ফোন থেকে ধৃত বিদ্যুতের ফোনেও কল গিয়েছিল। সেই কারণে পুলিসের অনুমান, হয়তো বন্দনাই পরিকল্পনা করে ইনসানকে ওইদিন ডাকে। তারপর দু’জন মিলে তাঁকে পৃথিবী থেকে সরিয়ে দেয়।
কিন্তু তদন্তে এখনও পর্যন্ত বেশ কয়েকটি প্রশ্নের উত্তর খুঁজে পাচ্ছেন না তদন্তকারীরা। এক, খুনের মোটিভ কী? অর্থাৎ এতজনের সঙ্গে বন্দনার সম্পর্ক থাকলেও হঠাৎ ১০ বছরের পুরনো প্রেমিক ইনসানকে কেন সরিয়ে দিতে হল? দুই, খুনে এই দু’জন ছাড়াও আর কেউ যুক্ত রয়েছে কি না? কেননা প্রশ্ন উঠছে, শক্তসামর্থ্য চেহারাওয়ালা ইনসানকে এত সহজে ঘায়েল করে বস্তার মধ্যে ভরা সহজ নয়। তিন, খুনের ঘটনাস্থল ঠিক কোথায়?
একটি অসমর্থিত সূত্র বলছে, রসা গ্রামের মাঠের মধ্যেই বিকালের দিকে ইনসানকে শ্বাসরোধ করে খুন করা হয়েছিল। সেসময় ওই এলাকাতেই ছিল বন্দনার নতুন প্রেমিক বিদ্যুৎ। সেক্ষেত্রে বন্দনা ও ইনসানকে অপ্রীতিকর অবস্থায় দেখে ফেলার জন্য বিদ্যুৎ পিছন থেকে শ্বাসরোধ করে খুন করল কি না, সেই নিয়ে আলোচনাও চলছে এলাকায়। তবে খুনের পর যেভাবে দু’দিন ধৃত দু’জন নির্লিপ্তভাবে আয়েসে বাড়িতে দিন কাটিয়েছিল, তা ঠান্ডা মাথার খুনিদের মতোই কাজ বলে মনে করা হচ্ছে। কিন্তু এই তিন প্রশ্নের জবাব খুঁজতে গিয়ে বারবার হোঁচট খেতে হচ্ছে তদন্তকারীদের।
কিন্তু তদন্তে এখনও পর্যন্ত বেশ কয়েকটি প্রশ্নের উত্তর খুঁজে পাচ্ছেন না তদন্তকারীরা। এক, খুনের মোটিভ কী? অর্থাৎ এতজনের সঙ্গে বন্দনার সম্পর্ক থাকলেও হঠাৎ ১০ বছরের পুরনো প্রেমিক ইনসানকে কেন সরিয়ে দিতে হল? দুই, খুনে এই দু’জন ছাড়াও আর কেউ যুক্ত রয়েছে কি না? কেননা প্রশ্ন উঠছে, শক্তসামর্থ্য চেহারাওয়ালা ইনসানকে এত সহজে ঘায়েল করে বস্তার মধ্যে ভরা সহজ নয়। তিন, খুনের ঘটনাস্থল ঠিক কোথায়?
একটি অসমর্থিত সূত্র বলছে, রসা গ্রামের মাঠের মধ্যেই বিকালের দিকে ইনসানকে শ্বাসরোধ করে খুন করা হয়েছিল। সেসময় ওই এলাকাতেই ছিল বন্দনার নতুন প্রেমিক বিদ্যুৎ। সেক্ষেত্রে বন্দনা ও ইনসানকে অপ্রীতিকর অবস্থায় দেখে ফেলার জন্য বিদ্যুৎ পিছন থেকে শ্বাসরোধ করে খুন করল কি না, সেই নিয়ে আলোচনাও চলছে এলাকায়। তবে খুনের পর যেভাবে দু’দিন ধৃত দু’জন নির্লিপ্তভাবে আয়েসে বাড়িতে দিন কাটিয়েছিল, তা ঠান্ডা মাথার খুনিদের মতোই কাজ বলে মনে করা হচ্ছে। কিন্তু এই তিন প্রশ্নের জবাব খুঁজতে গিয়ে বারবার হোঁচট খেতে হচ্ছে তদন্তকারীদের।



