Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

কাঁকরতলায় তৃণমূল কর্মীকে খুনের ঘটনা ২৭ জনের বিরুদ্ধে এফআইআর

কাঁকরতলায় তৃণমূল কর্মীকে খুনের ঘটনা ২৭ জনের বিরুদ্ধে এফআইআর
  • ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
নিজস্ব প্রতিনিধি, সিউড়ি: তৃণমূল কর্মী শেখ নিয়ামুল খুনের ঘটনায় শনিবার রাতেই কাঁকরতলা থানার পুলিস একজনকে গ্রেপ্তার করেছে। পুলিস জানিয়েছে, ধৃতের নাম শেখ আকবর। সে খয়রাশোল ব্লকের কৈথি গ্রামের বাসিন্দা। যদিও এই ঘটনায় মূল অভিযুক্তরা এখনও অধরা। তাদের খোঁজে পুলিসি তদন্ত জারি রয়েছে। বিজেপির নেতৃত্বদের দাবি, মূল অভিযুক্তদের একজনও গ্রেপ্তার হবে না। কারণ, সকলেই শাসকদলের ছত্রছায়ায় রয়েছে। যদিও এই ঘটনায় মূল অভিযুক্তরা বিজেপির সমর্থক বলে শুরু থেকেই অভিযোগ উঠছে। মৃতের পরিবার সহ শাসক দলের নেতারা সেই অভিযোগই করে আসছেন। এদিনও তৃণমৃল নেতারা সেই দাবিতেই অনঢ় রয়েছেন। তাঁদের কথায়, ভোটের আগে এলাকাকে উত্তপ্ত করতে বিজেপির তরফে এ ধরনের ঘটনা ঘটিয়ে শাসকদলের উপর দায় চাপানোর চেষ্টা চলাচ্ছে। এদিকে ধৃত আকবরকে রবিবার দুবরাজপুর আদালতে তোলা হয়। সরকারি আইনজীবী রাজেন্দ্রপ্রসাদ দে বলেন, বিচারক ধৃতের ১৪ দিনের জেল হেফাজত মঞ্জুর করেছেন। জেলা পুলিস সুপার আমনদীপ বলেন, ইতিমধ্যে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকিদেরও দ্রুত গ্রেপ্তার করা হবে। ঘটনায় তদন্ত চলছে। 
Advertisement
দলীয় বৈঠক সেরে বাইকে চেপে বাড়ি ফেরার পথে শুক্রবার সন্ধ্যায় ওই তৃণমূল কর্মীকে লোহার রড, হাতুড়ি দিয়ে এলোপাথাড়ি মেরে খুন করা হয় বলে অভিযোগ। মৃতের পরিবারের তরফে ২৭ জনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। এই ঘটনায় আরও কিছু ব্যক্তির জড়িত থাকার কথাও অভিযোগে বলা হয়েছে। যদিও বাকিরা এখনও পুলিসের ধরাছোঁয়ার বাইরে। তাদের খোঁজে হন্যে হয়ে অভিযান চালাচ্ছে পুলিস। ঘটনার পরদিন সন্ধ্যায় পুলিস শেখ কালোর বাড়ি সহ একাধিক জায়গায় হানা দিয়েছিল। যদিও কারও নাগাল পায়নি। অভিযোগ, ঘটনার পর থেকেই সকলে পলাতক। মৃতের পরিবারের দাবি, শেখ কালো সহ সাদ্দাম, মিলনরা এই ঘটনায় মূল অভিযুক্ত। দ্রুত তাদের গ্রেপ্তারির দাবি উঠেছে। পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি শাসক ও বিরোধী উভয় পক্ষই সকলের গ্রেপ্তারির দাবিতে সুর চড়িয়েছে। 
মৃতের দাদা শেখ একরামুল বলেন, আইন আইনের পথে চলুক। পুলিস ভালো কাজ করছে। একজন গ্রেপ্তারও হয়েছে। জেলা বিজেপির সহ সভাপতি দীপক দাস বলেন, মূল মাথা জীবনেও গ্রেপ্তার হবে না। এরা তৃণমূলের মুখোশধারী জেহাদি। এরা আদৌ ভারতীয় কিনা তা নিয়েও সন্দেহ রয়েছে। জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সহ সভাপতি মলয় মুখোপাধ্যায় বলেন, বিজেপি ভোটের আগে মাঠ প্রস্তুতের জন্য এ ধরনের ঘটনা ঘটায়। এবারও সেই কাজ শুরু করেছে। তবে পুলিস তদন্ত করেছে। ইতিমধ্যে একজন গ্রেপ্তার য়েছে। পুলিসকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে দলমত নির্বিশেষে দোষীদের গ্রেপ্তার করতে।
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ