নিজস্ব প্রতিনিধি, সিউড়ি: কাঁকরতলার জামালপুর কাণ্ডের পর জেলাজুড়ে চলা পুলিসি অভিযানে বিপুল সংখ্যক বোমা উদ্ধার হল। পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, সিউড়ি সহ কাঁকরতলা, ইলামবাজার ও মাড়গ্রাম থানা এলাকা থেকে ৫৭টি বোমা উদ্ধার হয়েছে। সেইসঙ্গে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে বোমা তৈরির মশলাও। জামালপুরে বোমাবাজির ঘটনায় পুলিসের তরফে করা সুয়োমোটো মামলায় নাম থাকা অনেকেই এখনও অধরা। পুলিস তাদের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে বিরোধী শিবির পুলিসের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে। অভিযোগ, চাপের মুখে পড়ে গ্রেপ্তারি থমকে গিয়েছে। যদিও রাজ্যের শাসকদল অবশ্য পুলিসের উপর আস্থা রেখেছে। শাসক নেতাদের দাবি, পুলিসি তদন্তে যাদের নাম উঠে আসবে, তারা অবশ্যই গ্রেপ্তার হবে। জেলা পুলিস সুপার আমনদীপ বলেন, ঘটনার তদন্ত চলছে। অনেকেই পলাতক। তবে সকলকেই গ্রেপ্তার করা হবে।
Advertisement
চলতি মাসের ১১ তারিখ খয়রাশোল ব্লকের জামালপুরে বোমাবাজির ঘটনা ঘটে। মূলত বালির গাড়ি থেকে আদায় করা টাকার ভাগ নিয়ে ঝামেলার জেরে বোমাবাজি হয়। সেই ঘটনায় রাতারাতি কাঁকরতলা থানার ওসিকে ক্লোজ করা হয়। সুয়োমোটো মামলা রুজু করে পুলিস তদন্ত শুরু করে। ঘটনায় সেদিনই এক তৃণমূল নেতা সহ ন’জনকে পুলিস গ্রেপ্তার করে। পরবর্তীতে, তদন্ত এগোতেই আরও একজন ধরা পড়ে। ওই ঘটনায় সব মিলিয়ে গ্রেপ্তারির সংখ্যা ১০। এরপর অবশ্য নতুন করে আর কোনও গ্রেপ্তারি নেই। যদিও পুলিস সূত্রে খবর, ওই ঘটনায় রুজু করা সুয়োমোটো মামলায় মোট ২৯জনের নাম রয়েছে। সেক্ষেত্রে বিরোধীদের প্রশ্ন, বাকিরা এখনও কেন গ্রেপ্তার হল না? নেপথ্যে কি অন্য কারণ রয়েছে? বিরোধীদের তরফে প্রশ্ন উঠলেও শাসক শিবির অবশ্য পুলিসের পাশেই রয়েছে।
এদিকে, বোমাবাজির ঘটনার পরই জেলাজুড়ে মজুত বোমার হদিশ পেতে তদন্তে নামে পুলিস। জেলা পুলিসের তরফে জানা গিয়েছে, সিউড়ি ও কাঁকরতলা থানার তরফে যথাক্রমে ২০টি ও ১২টি বোমা উদ্ধার করা হয়েছে। সেইসঙ্গে প্রায় ৪কিলোগ্রাম বোমা তৈরির মশলাও বাজেয়াপ্ত হয়েছে। ইলামবাজার ও মারগ্রাম থানার তরফে ১৫টি ও ১০টি বোমা উদ্ধার করা হয়েছে। জেলায় আর কোথাও বোমা বা আগ্নেয়াস্ত্র মজুত রয়েছে কি না, তা জানতে পুলিস তদন্ত জারি রেখেছে। এদিকে গ্রেপ্তারির সংখ্যা থমকে যাওয়ায় বিরোধীরা ক্রমশ সুর চড়াচ্ছে।
জেলা বিজেপির সহ সভাপতি দীপক দাস বলেন, পুলিস ধরছে না। ওরা দলের আরও ঘনিষ্ঠ। ঝামেলার ভয়ে তখন সুয়োমোটো মামলা করেছিল। কিন্তু শাসকদল ও পুলিসের উপর মহলের চাপে বাকিদের ধরছে না। পরে কেসটা হাল্কা করার পরিকল্পনা রয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সহ-সভাপতি মলয় মুখোপাধ্যায় বলেন, পুলিস সঠিক সময়ে সিদ্ধান্ত নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে। তদন্তে প্রাথমিকভাবে যাদের দোষী মনে হয়েছে, তাদের গ্রেপ্তার করেছে। তদন্ত এখনও চলছে। তদন্তে কেউ যেন হস্তক্ষেপ না করে। আইনকে আইনের পথে চলতে দেওয়া হোক। কোনও দল যেন রাজনৈতিকভাবে প্রভাব বিস্তার না করে। আমরা চাই নিরপেক্ষ তদন্ত হোক। দোষীরা সাজা পাক।
এদিকে, বোমাবাজির ঘটনার পরই জেলাজুড়ে মজুত বোমার হদিশ পেতে তদন্তে নামে পুলিস। জেলা পুলিসের তরফে জানা গিয়েছে, সিউড়ি ও কাঁকরতলা থানার তরফে যথাক্রমে ২০টি ও ১২টি বোমা উদ্ধার করা হয়েছে। সেইসঙ্গে প্রায় ৪কিলোগ্রাম বোমা তৈরির মশলাও বাজেয়াপ্ত হয়েছে। ইলামবাজার ও মারগ্রাম থানার তরফে ১৫টি ও ১০টি বোমা উদ্ধার করা হয়েছে। জেলায় আর কোথাও বোমা বা আগ্নেয়াস্ত্র মজুত রয়েছে কি না, তা জানতে পুলিস তদন্ত জারি রেখেছে। এদিকে গ্রেপ্তারির সংখ্যা থমকে যাওয়ায় বিরোধীরা ক্রমশ সুর চড়াচ্ছে।
জেলা বিজেপির সহ সভাপতি দীপক দাস বলেন, পুলিস ধরছে না। ওরা দলের আরও ঘনিষ্ঠ। ঝামেলার ভয়ে তখন সুয়োমোটো মামলা করেছিল। কিন্তু শাসকদল ও পুলিসের উপর মহলের চাপে বাকিদের ধরছে না। পরে কেসটা হাল্কা করার পরিকল্পনা রয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সহ-সভাপতি মলয় মুখোপাধ্যায় বলেন, পুলিস সঠিক সময়ে সিদ্ধান্ত নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে। তদন্তে প্রাথমিকভাবে যাদের দোষী মনে হয়েছে, তাদের গ্রেপ্তার করেছে। তদন্ত এখনও চলছে। তদন্তে কেউ যেন হস্তক্ষেপ না করে। আইনকে আইনের পথে চলতে দেওয়া হোক। কোনও দল যেন রাজনৈতিকভাবে প্রভাব বিস্তার না করে। আমরা চাই নিরপেক্ষ তদন্ত হোক। দোষীরা সাজা পাক।



