সংবাদদাতা, গঙ্গারামপুর: স্কুলের অংশীদারিত্ব ছেড়ে দিলেও বিধায়ক কৃষ্ণ কল্যাণীর নামে কয়েক লক্ষ টাকার বিদ্যুৎ বিল বকেয়া। অথচ এবিষয়ে অন্ধকারে বিধায়ক।
Advertisement
গঙ্গারামপুর শহরের একটি বেসরকারি স্কুলের সাত মাসে কয়েক লক্ষ টাকা বিদ্যুৎ বিল বকেয়া থাকায় বিদ্যুৎ বণ্টনকারী সংস্থা সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছিল। মঙ্গলবার দুপুরে সংস্থার কাস্টমার কেয়ার সেন্টারের আধিকারিকরা বকেয়া বিল আদায় করতে স্কুলের হাউসিং কমপ্লেক্সে যান। দপ্তরের আধিকারিকরা ভিতরে যেতেই চক্ষু চড়কগাছ। তাঁদের অভিযোগ, এক ব্যক্তির ডোমেস্টিক কানেকশন থেকে বেসরকারি স্কুলে বিদ্যুৎ সরবরাহ হচ্ছিল।
অবৈধভাবে বিদ্যুতের কানেকশন দেওয়ায় বিদ্যুৎ দপ্তর আইন অনুযায়ী কালীরঞ্জন চৌধুরীর নামে গঙ্গারামপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে। তবে অভিযোগপত্রে জ্বলজ্বল করছে রায়গঞ্জের তৃণমূল বিধায়ক কৃষ্ণ কল্যাণীর নাম। বিধায়ক বেসরকারি স্কুলের অংশীদারিত্ব ছেড়ে দিলেও কর্তৃপক্ষ তাঁর নামেই বিদ্যুতের কানেকশন চালিয়ে গিয়েছে। এমন ঘটনা জানতে পেরে চমকে গিয়েছেন কৃষ্ণ কল্যাণীও।
তিনি বলেন, গঙ্গারামপুরের ওই বেসরকারি স্কুলের মালিকানা আমার নামে নেই। ১৫ বছর আগে অংশীদারিত্ব হস্তান্তর করে দিয়েছি। বিদ্যুতের বিল বকেয়া নিয়ে আমার নামে কোনও নোটিস দেয়নি বিদ্যুৎ দপ্তর। যুক্ত না থাকলেও আমার নামে কানেকশন চলতে থাকা উদ্বেগের। দপ্তর বিষয়টি দেখুক। যদিও বিধায়কের নাম সামনে আসতেই মুখে কুলুপ গঙ্গারামপুর বিদ্যুৎ দপ্তরের আধিকারিকদের।
স্টেশন ম্যানেজার মনোজিৎ কুমার ঘোষের সঙ্গে একাধিকবার ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি উত্তর দেননি। বেসরকারি স্কুলের মালিক বলেন, এখানে বিধায়কের দোষ নেই। যৌথ ব্যবসা থাকার সময় তাঁর নামে সংযোগ ছিল। তিনি চলে যাওয়ার পর সেটা বদলানো হয়নি। দ্রুত নিজেদের নামে কানেকশন নেব। আমরা ইনস্টলমেন্টে বিল দেওয়ার কথা জানালেও দপ্তর না শুনে সংযোগ কেটে দিয়েছিল। আমরা জেনারেটর চালিয়ে স্কুল চালাচ্ছি। যে অবৈধ কানেকশনের জন্য থানায় অভিযোগ করা হয়েছে, সেটা সম্পূর্ণ মিথ্যা। অভিযোগ পেয়ে ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে গঙ্গারামপুর থানার পুলিস।
অবৈধভাবে বিদ্যুতের কানেকশন দেওয়ায় বিদ্যুৎ দপ্তর আইন অনুযায়ী কালীরঞ্জন চৌধুরীর নামে গঙ্গারামপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে। তবে অভিযোগপত্রে জ্বলজ্বল করছে রায়গঞ্জের তৃণমূল বিধায়ক কৃষ্ণ কল্যাণীর নাম। বিধায়ক বেসরকারি স্কুলের অংশীদারিত্ব ছেড়ে দিলেও কর্তৃপক্ষ তাঁর নামেই বিদ্যুতের কানেকশন চালিয়ে গিয়েছে। এমন ঘটনা জানতে পেরে চমকে গিয়েছেন কৃষ্ণ কল্যাণীও।
তিনি বলেন, গঙ্গারামপুরের ওই বেসরকারি স্কুলের মালিকানা আমার নামে নেই। ১৫ বছর আগে অংশীদারিত্ব হস্তান্তর করে দিয়েছি। বিদ্যুতের বিল বকেয়া নিয়ে আমার নামে কোনও নোটিস দেয়নি বিদ্যুৎ দপ্তর। যুক্ত না থাকলেও আমার নামে কানেকশন চলতে থাকা উদ্বেগের। দপ্তর বিষয়টি দেখুক। যদিও বিধায়কের নাম সামনে আসতেই মুখে কুলুপ গঙ্গারামপুর বিদ্যুৎ দপ্তরের আধিকারিকদের।
স্টেশন ম্যানেজার মনোজিৎ কুমার ঘোষের সঙ্গে একাধিকবার ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি উত্তর দেননি। বেসরকারি স্কুলের মালিক বলেন, এখানে বিধায়কের দোষ নেই। যৌথ ব্যবসা থাকার সময় তাঁর নামে সংযোগ ছিল। তিনি চলে যাওয়ার পর সেটা বদলানো হয়নি। দ্রুত নিজেদের নামে কানেকশন নেব। আমরা ইনস্টলমেন্টে বিল দেওয়ার কথা জানালেও দপ্তর না শুনে সংযোগ কেটে দিয়েছিল। আমরা জেনারেটর চালিয়ে স্কুল চালাচ্ছি। যে অবৈধ কানেকশনের জন্য থানায় অভিযোগ করা হয়েছে, সেটা সম্পূর্ণ মিথ্যা। অভিযোগ পেয়ে ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে গঙ্গারামপুর থানার পুলিস।



