নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: এবার কি সাংসদ হতে চলেছেন আম আদমি পার্টি সুপ্রিমো অরবিন্দ কেজরিওয়াল? রাজধানীর রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে চর্চা। পাঞ্জাব থেকে রাজ্যসভার সদস্য হতে চলেছেন বলেই জল্পনা। রাজ্যসভায় আম আদমি পার্টির সাংসদ সঞ্জীব অরোরা ইস্তফা দেবেন। আম আদমি পার্টির বিধায়ক গুরপিত বাসসি গোগী গত ১০ জানুয়ারি মারা গিয়েছেন। ফলে খালি হয়ে গিয়েছে লুধিয়ানা পশ্চিম আসন। সেখান থেকেই সঞ্জীব অরোরা প্রার্থী হয়েছেন। উপনির্বাচনে জিতিয়ে তাঁকে মন্ত্রী করা হবে। আর সঞ্জীবের খালি আসনে রাজ্যসভায় যাবেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল। এমনটাই পরিকল্পনা আপের অন্দরে। আগামী ২০২৮ সাল পর্যন্ত ওই আসনের মেয়াদ রয়েছে। ফলে কেজরিওয়াল উচ্চকক্ষের সদস্য হলে সরাসরি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তথা বিজেপিকে আক্রমণের সুযোগ পাবেন। দলও রাজ্যসভায় মনোবল ফিরে পাবে।
Advertisement
আবার দিল্লিতে কেজরিওয়ালের থাকার বন্দোবস্তও হয়ে যাবে। আবগারি কাণ্ডে তিহার জেল থেকে জামিনে মুক্ত হওয়ার পর মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দেন কেজরিয়াল। ছেড়ে দেন ৬ নম্বর ফ্ল্যাগস্টাফ রোডের ‘শিশমহল।’ এখন থাকেন সংসদের কাছেই ৫ নম্বর ফিরোজ শাহ রোডে। বিধানসভায় হেরে যাওয়ায় দিল্লিতে সরকারি বাসভবনে থাকার সমস্যা। তবে সাংসদ হয়ে গেলে সেই সমস্য মিটবে। আপ অবশ্য এই জল্পনা খারিজ করেছে। দলের মুখপাত্র প্রিয়াঙ্কা কক্কর বলেছেন, অরবিন্দ কেজরিওয়াল রাজ্যসভায় যাচ্ছেন না। এর আগে বলা হচ্ছিল তিনি, পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন। এবার রাজ্যসভার সদস্য। দু’টোই সম্পূর্ণ ভুল। বিজেপি আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্যর টুইট, লুধিয়ানার মানুষ সঞ্জীব অরোরাকে পরাস্ত করুন। যাতে তিনি অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে আসন ছাড়তে না পারেন।
পাঞ্জাব থেকে রাজ্যসভার সদস্য সংখ্যা সাত। এখন সাতজনই আম আদমি পার্টির। সঞ্জীব অরোরা ইস্তফা দিলেও সেই আসনে কেজরিওয়ালের জিতে আসায় কোনও সমস্যা নেই। মসৃণ পথ। কারণ, ১১৭ আসন বিশিষ্ট পাঞ্জাব বিধানসভায় আপের বিধায়ক ৯৩ জন। রাজ্যসভার একটি আসনে জিততে প্রয়োজন ৬০টি ভোট। ফলে হাসতে হাসতে কেজরিয়ালের জয় নিশ্চিত। কংগ্রেস তার ১৬ বিধায়ক বা বিজেপির সাকুল্যে দুই বিধায়ক নিয়ে কেজরিওয়ালের কাঁটা হতে পারবে না।
পাঞ্জাব থেকে রাজ্যসভার সদস্য সংখ্যা সাত। এখন সাতজনই আম আদমি পার্টির। সঞ্জীব অরোরা ইস্তফা দিলেও সেই আসনে কেজরিওয়ালের জিতে আসায় কোনও সমস্যা নেই। মসৃণ পথ। কারণ, ১১৭ আসন বিশিষ্ট পাঞ্জাব বিধানসভায় আপের বিধায়ক ৯৩ জন। রাজ্যসভার একটি আসনে জিততে প্রয়োজন ৬০টি ভোট। ফলে হাসতে হাসতে কেজরিয়ালের জয় নিশ্চিত। কংগ্রেস তার ১৬ বিধায়ক বা বিজেপির সাকুল্যে দুই বিধায়ক নিয়ে কেজরিওয়ালের কাঁটা হতে পারবে না।



