Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

কাজের টোপ গিলে সেক্স র‌্যাকেটে, গলসির হোটেলে ধৃত একাধিক যুবতী

কাজের টোপ গিলে সেক্স র‌্যাকেটে, গলসির হোটেলে ধৃত একাধিক যুবতী
  • ১৪ নভেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
নিজস্ব প্রতিনিধি, বর্ধমান: আর্থিক সঙ্গতি নেই, অথচ উচ্চাকাঙ্ক্ষা রয়েছে। এমন যুবতী এবং নাবালিকাদের টার্গেট করত সেক্স র‌্যাকেটের মাস্টারমাইন্ডরা। গলসির হোটেল থেকে উদ্ধার হওয়া যুবতীদের জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিস এমন তথ্য পেয়েছে। পুলিস জানতে পেরেছে, গলসির একাধিক হোটেলে এই চক্র সক্রিয় রয়েছে। তারা বিভিন্ন জেলার যুবতী এবং নাবালিকাদের কাজ দেওয়ার নাম করে এই জগতে নামাত। কাউকে কাউকে পার্লারে কাজ দেওয়ার টোপ দেওয়া হতো। আবার কাউকে হোটেলে খাবার সরবরাহ কারার কাজ দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে এই কাজে নামানো হতো। এক যুবতী পুলিসকে জানিয়েছে, বেশ কয়েকবার সে হোটেল থেকে পালানোর চেষ্টা করেছিল। কিন্তু সফল হয়নি। চক্রের নেটওয়ার্ক অনেক দূর পর্যন্ত ছড়িয়ে রয়েছে। প্রভাবশালীদের একাংশর সঙ্গেও তাদের যোগ রয়েছে বলে অভিযোগ। এক পুলিস আধিকারিক বলেন, পুজোর আগেও কয়েকটি হোটেলে অভিযান চালিয়ে যুবতী এবং নাবালিকাদের উদ্ধার করা হয়েছিল। হোটেল মালিকদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হয়। কিন্তু তারপরও চক্রটিকে শায়েস্তা করা যায়নি। তারা অন্য জায়গায় অসমাজিক কারবার ফেঁদে বসে। স্থানীয়রা বলেন, গলসির ওই হোটেলে দিনরাত মধুচক্র চলত। তা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের আপত্তিও ছিল। কিন্তু হোটেল মালিকের এলাকায় দাপট থাকায় তারা মুখ খোলার সাহস দেখাতেন না। অতিরিক্ত পুলিস সুপার অর্ক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, অভিযোগ আসার পরই পদক্ষেপ নেওয়া হয়। অন্য কোথাও অসমাজিক কাজ হলেও একই রকম ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পুলিস সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, আগে হোটেল মালিকরা ‘সেটিং’ করে কারবার করত। সেই কারণে হোটেলে অভিযান হতো না। জেলা থেকে পুলিসের বিশেষ দল হোটেলে আচমকা গিয়ে অভিযান চালাচ্ছ। সেই কারণে সেটিংয়ে তেমন কাজ হচ্ছে না। স্থানীয়রা বলেন, গলসির পাশাপাশি বর্ধমান এবং শক্তিগড় থানা এলাকাতেও অসামাজিক কাজ চলছে। সেই জায়গাগুলিতেও অভিযান চালানো দরকার। সেই হোটেলগুলিতে মগজ ধোলাই করে অল্পবয়সীদের সেক্স র‌্যাকেটে নামানো হচ্ছে বলে অভিযোগ। 
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ