সংবাদদাতা, রঘুনাথপুর: বাড়ি বসে কাজু, কিসমিস ও নানা দামী জিনিস প্যাকেজিং করতে হবে। তাতে নাকি মাসে দু’তিন হাজার টাকা রোজগার হবে। রঘুনাথপুর মহকুমার গ্রামে গ্রামে মহিলাদের এরকম কাজের টোপ দিয়ে তাঁদের থেকে ভোটার ও আধার কার্ডের ফটোকপি নেওয়া হচ্ছে। কোনও কোনও গ্রামে মহিলাদের থেকে ৫০-১০০ টাকা করেও নেওয়া হচ্ছে। বাড়ি বসে সহজে টাকা রোজগারের আশায় মহিলাদের মধ্যে সেসব নথি জমা দেওয়ার হিড়িক পড়েছে। সরকারিভাবে এমন কোনও প্রকল্প নেই। কোনও এনজিও বা বেসরকারি সংস্থা এরকম উদ্যোগ নিয়েছে বলেও প্রশাসনের কাছে খবর নেই। কারা কাজ দেবে, সেসব কিছুও মহিলাদের জানানো হচ্ছে না। ফলে কোনও প্রতারণাচক্র এতে জড়িত কিনা-তা নিয়ে সন্দেহ দেখা দিয়েছে।
Advertisement
রঘুনাথপুর-১ এর বিডিও রবিশঙ্কর গুপ্তা বলেন, মহিলাদের বাড়ি বসে কাজ কিংবা কাগজপত্র নেওয়ার বিষয়ে কোনও সরকারি নির্দেশিকা আসেনি। কোনও বেসরকারি সংস্থা বা এনজিও এরকম কাজ করছে বলেও যোগাযোগ করেনি। বিষয়টিতে কতটা সত্যতা আছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রয়োজনে পুলিসকে জানানো হবে।
দেখা যাচ্ছে, কোনও কোনও গ্রামে স্থানীয় কিছু মহিলা অন্যদের থেকে কাগজপত্র জমা নিচ্ছেন। আবার কোথাও কোথাও বহিরাগতরা গ্রামে ঘুরে কাগজ জমা নিচ্ছে। তবে সেসব আধার ও ভোটার কার্ডের প্রতিলিপি কোথায় জমা দেওয়া হচ্ছে, সেবিষয়ে মহিলাদের কোনও তথ্য দেওয়া হচ্ছে না। তাঁদের শুধু বলা হচ্ছে, যখন কাজ দেওয়া হবে, তখন সমস্ত কিছু জানিয়ে দেওয়া হবে। আর এতেই সন্দেহ দানা বেঁধেছে।
রঘুনাথপুর মহকুমার বাসিন্দা স্বদেশপ্রিয় মাহাত, পার্থপ্রতিম ফৌজদার বলেন, গ্রামের মহিলাদের বলা হচ্ছে, বাড়িতে বসে নানা জিনিস প্যাকেজিং করতে হবে। প্রত্যেক মহিলা মাসে দু’তিন হাজার টাকা পাবেন। আমাদের প্রশ্ন, এমন কোন কোম্পানি আছে, যারা কারখানা না খুলে বিভিন্ন মূল্যবান সামগ্রী গ্রামের মহিলাদের দিয়ে প্যাকেজিং করাবে? এক-দু’টি নয়, মহকুমার প্রায় প্রত্যেক গ্রাম থেকে মহিলাদের কাগজপত্র জমা নেওয়া হচ্ছে। এত মহিলাকে কাজ দিতে কোম্পানিকে মাসে কয়েক কোটি টাকা দিতে হবে। তারা কেন কারখানা না খুলে এভাবে কাজ করাবে? আর পুরুষদের বাদ দিয়ে শুধু মহিলাদের কেন কাজ দেওয়া হবে? মহিলাদের আধার ও ভোটার কার্ডের নম্বর তারা পেয়েছে। এরপর তাঁদের থেকে ওটিপি জেনে প্রতারণা হবে না তো? প্রশাসনের এখনই বিষয়টি দেখা দরকার।
সাঁতুড়ি ব্লকের বালিতোড়া পঞ্চায়েতের উপপ্রধান প্রকাশ চক্রবর্তী বলেন, অনেক মহিলা আমাদের কাছে এবিষয়ে জানতে চেয়েছেন। আমরা জানিয়ে দিয়েছি, পঞ্চায়েতের কাছে এরকম নির্দেশিকা নেই। তাই যারা নথি জমা দিচ্ছেন, তাঁরা যেন ভেবেচিন্তে কাজ করেন।
পুরুলিয়া জেলা পুলিসের সাইবার সেলের এক আধিকারিক বলেন, এখন নতুন নতুন প্রতারণার চক্র সামনে আসছে। তাই কাগজ দেওয়ার বিষয়ে মহিলাদের সতর্ক থাকতে হবে। নয়তো আগামী দিনে বড় প্রতারণা হতে পারে।
দেখা যাচ্ছে, কোনও কোনও গ্রামে স্থানীয় কিছু মহিলা অন্যদের থেকে কাগজপত্র জমা নিচ্ছেন। আবার কোথাও কোথাও বহিরাগতরা গ্রামে ঘুরে কাগজ জমা নিচ্ছে। তবে সেসব আধার ও ভোটার কার্ডের প্রতিলিপি কোথায় জমা দেওয়া হচ্ছে, সেবিষয়ে মহিলাদের কোনও তথ্য দেওয়া হচ্ছে না। তাঁদের শুধু বলা হচ্ছে, যখন কাজ দেওয়া হবে, তখন সমস্ত কিছু জানিয়ে দেওয়া হবে। আর এতেই সন্দেহ দানা বেঁধেছে।
রঘুনাথপুর মহকুমার বাসিন্দা স্বদেশপ্রিয় মাহাত, পার্থপ্রতিম ফৌজদার বলেন, গ্রামের মহিলাদের বলা হচ্ছে, বাড়িতে বসে নানা জিনিস প্যাকেজিং করতে হবে। প্রত্যেক মহিলা মাসে দু’তিন হাজার টাকা পাবেন। আমাদের প্রশ্ন, এমন কোন কোম্পানি আছে, যারা কারখানা না খুলে বিভিন্ন মূল্যবান সামগ্রী গ্রামের মহিলাদের দিয়ে প্যাকেজিং করাবে? এক-দু’টি নয়, মহকুমার প্রায় প্রত্যেক গ্রাম থেকে মহিলাদের কাগজপত্র জমা নেওয়া হচ্ছে। এত মহিলাকে কাজ দিতে কোম্পানিকে মাসে কয়েক কোটি টাকা দিতে হবে। তারা কেন কারখানা না খুলে এভাবে কাজ করাবে? আর পুরুষদের বাদ দিয়ে শুধু মহিলাদের কেন কাজ দেওয়া হবে? মহিলাদের আধার ও ভোটার কার্ডের নম্বর তারা পেয়েছে। এরপর তাঁদের থেকে ওটিপি জেনে প্রতারণা হবে না তো? প্রশাসনের এখনই বিষয়টি দেখা দরকার।
সাঁতুড়ি ব্লকের বালিতোড়া পঞ্চায়েতের উপপ্রধান প্রকাশ চক্রবর্তী বলেন, অনেক মহিলা আমাদের কাছে এবিষয়ে জানতে চেয়েছেন। আমরা জানিয়ে দিয়েছি, পঞ্চায়েতের কাছে এরকম নির্দেশিকা নেই। তাই যারা নথি জমা দিচ্ছেন, তাঁরা যেন ভেবেচিন্তে কাজ করেন।
পুরুলিয়া জেলা পুলিসের সাইবার সেলের এক আধিকারিক বলেন, এখন নতুন নতুন প্রতারণার চক্র সামনে আসছে। তাই কাগজ দেওয়ার বিষয়ে মহিলাদের সতর্ক থাকতে হবে। নয়তো আগামী দিনে বড় প্রতারণা হতে পারে।



